TRENDING:

Bankura News: ভাষার ভয় কাটিয়ে আদিবাসী ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার মূল স্রোতে আনার স্বীকৃতি বাবুনাথ টুডুকে

Last Updated:

শুশনিয়া পাহাড়ের পাদদেশে হাঁপানিয়া রামনাথপুর গ্রামে একটি ছোট্ট আশ্রম আছে, যার নাম মারাংবুরু চাচো মার্শাল আশ্রম। ২০০১-২ সালে এই আশ্রমের প্রতিষ্ঠা করেন বাবুনাথ টুডু।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
বাঁকুড়া: আবারও গর্বের মুহূর্ত বাঁকুড়াবাসীর‌কাছে। দুর্দান্ত স্বীকৃতি পেতে চলেছেন মারাংবুরু চাচো মার্শাল আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা বাবুনাথ টুডু। তিনি এবার পেতে চলেছেন আদিবাসী গুণীজন সংবর্ধনা ২০২২-২৩। রাজ্যের আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে এই সংবর্ধনা।
advertisement

শুশনিয়া পাহাড়ের পাদদেশে হাঁপানিয়া রামনাথপুর গ্রামে একটি ছোট্ট আশ্রম আছে, যার নাম মারাংবুরু চাচো মার্শাল আশ্রম। ২০০১-২ সালে এই আশ্রমের প্রতিষ্ঠা করেন বাবুনাথ টুডু। তিনি ওই গ্রামেরই বাসিন্দা। আদিবাসী শিশুদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে অন্যতম অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় ভাষা। সেই প্রতিবন্ধকতা যাতে তাদের ক্ষতি না করে তার জন্য নিজের প্রতিষ্ঠিত আশ্রমে সাঁওতালি ভাষাতেই পড়াশোনার ব্যবস্থা গড়ে তোলেন বাবুনাথ টুডু। এই আশ্রম মানুষের কাছে ‘মানুষ গড়ার কারখানা’ নামে পরিচিত। ২০০৫ সালে বাবুনাথ টুডুর স্ত্রী লক্ষ্মী টুডু ‘গাইড মাদার’ হিসেবে যোগদান করেন এই আশ্রমে। ১০৭ জন আদিবাসী শিশুকে নিয়ে শুরু হয়েছিল পথ চলা।

advertisement

আরও পড়ুন: রক্তের সঙ্কটে আটকে গিয়েছিল তরুণীর চিকিৎসা, এগিয়ে এলেন সিভিক ভলেন্টিয়ার

শিক্ষার আলোর সংস্পর্শে এসে এই প্রান্তিক আদিবাসী শিশুরাও ডানা মেলার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। পড়াশোনার পাশাপাশি তারা খেলাধুলোও জোরকদমে অভ্যাস করে। ফুটবলার, ক্রিকেটার থেকে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার কোনও পেশাই আর অসম্ভব নয় তাদের কাছে। স্বল্প ক্ষমতার মধ্যেই খুব সুন্দর করে সাজানো এই ছোট্ট আশ্রম। ছাত্র-ছাত্রীদের থাকার জন্য রয়েছে আলাদা-আলাদা ঘর।

advertisement

View More

বাঁকুড়ার শীতের হাড়কাঁপানো ঠান্ডা হোক বা গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ, সারা বছর এই আদিবাসী শিশুদের সঙ্গেই বসবাস করেন বাবুনাথ টুডু ও লক্ষ্মী টুডু। বাবুনাথ টুডুর এই প্রচেষ্টা আগেই বিভিন্ন জায়গায় স্বীকৃতি পেয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে তিনি পেতে চলেছেন সম্মান। ৪ মে ঝাড়গ্রামের দেবেন্দ্র মহান হলে সকাল ১১ টায় তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। এই নিয়ে বাবুনাথ টুডু বলেন, আমার মায়ের আশীর্বাদ ও স্ত্রীর সহযোগিতা ছাড়াও বহু সহৃদয় ব্যক্তির ভালোবাসা নিয়ে তৈরি হয়েছে এই মারাং বুরু চাচো মার্শাল আশ্রম। কেবল আমি নয়, এই সম্মান আমাদের সকলের।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
শহুরে ভিড় ছেড়ে পাহাড়ে প্রেম!শিলিগুড়ির অদূরে রোম্যান্টিক গেটওয়ে,ছোট্ট ছুটিতে ঘুরে আসুন
আরও দেখুন

নীলাঞ্জন ব্যানার্জি

বাংলা খবর/ খবর/বাঁকুড়া/
Bankura News: ভাষার ভয় কাটিয়ে আদিবাসী ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার মূল স্রোতে আনার স্বীকৃতি বাবুনাথ টুডুকে
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল