আরও পড়ুন: কাঁচ দিয়ে তৈরি গোটা মণ্ডপ, ম্যাকাওয়ের লিসবোয়া টাওয়ারে ফুটে উঠবে প্রত্যেকের মুখ
তবে শুধু মুজনাই চা বাগান নয়, আলিপুরদুয়ারের কালচিনি ব্লকের রায়মাটাং চা বাগানও হঠাৎ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। শ্রমিকদের অভিযোগ, পুজোর বোনাস যাতে দিতে না হয় সেই কারণেই পুজোর মুখে চা বাগান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য চলতি বছর চা বাগান শ্রমিকদের বোনাস নিয়ে একের পর এক বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসেনি। বাগান শ্রমিকরা ২০ শতাংশ বোনাসের দাবি জানালেও মালিকপক্ষ কখনও ৮.৫, কখনও ১০ আবার কখনও ১৫ শতাংশের বেশি বোনাস দিতে পারবে না বলে জানায়।
advertisement
বোনাস নিয়ে বিবাদ নিষ্পত্তি না হওয়ায় গত কদিন ধরে বিভিন্ন বাগানে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন শ্রমিকরা। তবে সেই সঙ্গে কাজও চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই মুজনাই চা বাগান ছেড়ে সকল ম্যানেজার চলে যাওয়ায় হতভম্ব হয়ে পড়েছেন শ্রমিকরা। যদিও মালিকপক্ষ বাগান বন্ধের নোটিশ দেয়নি। এই চা বাগানের শ্রমিকরা ২০ শতাংশ বোনাস চাইলেও মালিকপক্ষ ১০ শতাংশের বেশি দিতে রাজি ছিল না। গোটা পরিস্থিতিতে রীতিমত হতবাক হয়ে গিয়েছেন রুপালি মুন্ডা, বিশু মুন্ডারা। হতাশার সুরে রূপালি মুন্ডা নামে এক চা শ্রমিক বলেন, ‘উৎসব আমাদের জন্য নয়, আজীবন দুঃখটাই আমাদের প্রাপ্য। ন্যায়ের জন্য আমরা লড়াই করছিলাম, কিন্তু বোনাস না দিয়েই বাগান ছেড়ে চলে গেল মালিকরা।’
দুর্গাপুজোর মুখে হঠাৎই মালিকদের বাগান ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এদিকে অসহায় শ্রমিকদের বাড়িতে উনুনে হাঁড়ি চড়ানোর মতো অবস্থা নেই। আর তাই শনিবার মুজনাই বাগানে ফ্যাক্টরির সামনেই শ্রমিকরা উনুন চাপিয়ে সকলের জন্য একসঙ্গে রান্না করে খাওয়াদাওয়া সারেন।
অনন্যা দে





