সুমন কাঞ্জিলাল জানান, “এই দিন আলিপুরদুয়ার জেলার প্রায় সকলেই স্বাধীনতা সংগ্রামীদের এই পুণ্যভূমিতে যেতে চান। বনদফতরের পক্ষ থেকে ছাড় দিলে খুশি মনে সেখানে প্রবেশ করতে পারেন সকলেই। যার কারণে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল।”
আরও পড়ুনঃ চা বলয়ের শিশুরাও গান শিখতে চায়! বিনামূল্যেই ব্যবস্থা করলেন পবন ইয়ালমো
যদিও বনদফতরের পক্ষ থেকে এই বিশেষ দিনটির জন্য রাজাভাতখাওয়া গেটে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। বিনা বিচারে বন্দী করে রাখার জন্যে পাহাড়ের ওপর দুর্গম এই স্থানকে বেছে নেয় ইংরেজরা। ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত এখানে মোট বন্দী ছিলেন ৫২৫ জন।
advertisement
বন্দী বিপ্লবীরা একবার জেলের ভেতরে রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন করেন এবং কবিকে জন্মদিনের অভিনন্দন জানান। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ তখন দার্জিলিং অবস্থান করছিলেন। এ কথা জানতে পেরে তিনি তার প্রত্যুত্তর দেন এই বলে “অমৃতের পুত্র মোরা কাহারা শোনাল বিশ্বময়, আত্মবিসর্জন করি আত্মারে কে জানিল অক্ষয়”।
আরও পড়ুনঃ সৌর বিদ্যুতের ফেন্সিং লাগিয়েও হাতির তাণ্ডব ঠেকানো যাচ্ছে না
হিজলী জেলগুলি চালানোর প্রতিবাদে বক্সায় বন্দী বিপ্লবীরা অনশন করেছেন। প্রমথ ভৌমিক, জ্ঞান চক্রবর্তী, কৃষ্ণপদ চক্রবর্তী প্রমুখ অনুশীলন সমিতি ও যুগান্তর দলের জাতীয়তাবাদী বিপ্লবীদের এই দুর্গে ১৯৩০-এর দশক অবধি বন্দী করে রাখা হয়েছিল।
পরবর্তীকালেও কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়, বিনয় চৌধুরী, সতীশচন্দ্র পাকড়াশী, ননী ভৌমিক, পারভেজ শাহেদী, চিন্মোহন সেহানবীশ প্রমুখ কমিউনিস্ট বিপ্লবী ও বুদ্ধিজীবী এই দুর্গে বন্দী ছিলেন ১৯৫০-এর দশকে।
Annanya Dey





