Tarapith New Project: তারাপীঠে ৪ কোটি টাকার নতুন কর্মযজ্ঞ! বিপদে আপদে মিলবে দ্রুত পরিষেবা, সরকারের পদক্ষেপে খুশি পর্যটক-স্থানীয়রা
- Reported by:Souvik Roy
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
Tarapith New Project: ভীড় সামলানো থেকে আপৎকালীন পরিস্থিতি, সবতেই প্রস্তুত থাকবে প্রশাসন। তারাপীঠের মন্দিরে আগত লক্ষ লক্ষ পর্যটক এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে নতুন দমকল কেন্দ্র।
সাধক বামদেবের অন্যতম তীর্থভূমি বীরভূমের তারাপীঠ মন্দির। আর এই তীর্থভূমিতে প্রত্যেকদিন প্রায় কয়েক হাজার পর্যটকদের সমাগম ঘটে। তবে এতদিন পর্যন্ত অস্থায়ী ভাবে তারাপীঠে ছাউনি গড়ে দমকল কেন্দ্র ছিল। এবারে স্থায়ী ঘর নির্মাণের জন্য আনুমানিক প্রায় চার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। শীঘ্রই কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান ও পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়)
advertisement
তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বীরভূমের অন্যতম সিদ্ধপীঠ তারাপীঠের মতো পর্যটন কেন্দ্রে স্থায়ী ভাবে দমকল কেন্দ্র নির্মাণের প্রয়োজন ছিল। তবে এবার দমকলের জন্য ঘর নির্মাণের জন্য আর্থিক অনুমোদনের বিষয় হোয়াটসঅ্যাপে জানান দমকলমন্ত্রী। আশা করা যাচ্ছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগেই দরপত্র আহ্বান করে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
advertisement
বীরভূমের সাধক বামদেবের অন্যতম তীর্থভূমি তারাপীঠের মতো পর্যটন কেন্দ্রে দমকল কেন্দ্র না থাকায় এতদিন নানান ধরনের অসুবিধা হত। তারাপীঠের মধ্যে লিখিত এবং অলিখিতভাবে প্রায়ই দু'হাজারেরও বেশি হোটেল রয়েছে। হোটেল, লজ বা মন্দির চত্বরে কোনও অগ্নিকাণ্ড ঘটলে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে রামপুরহাট থেকে দমকল কর্মীরা আসতেন আগুন নেভানোর জন্য। রামপুরহাট থেকে অনেক ক্ষেত্রে তারাপীঠ পৌঁছতে যানজটের সমস্যার ফলে দেরি হয়ে যেত দমকল কর্মীদের।
advertisement
advertisement
দমকল কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য প্রথম দিকে জায়গা পাওয়া যায়নি। অবশেষে তারাপীঠ পর্যটন কেন্দ্রের মতো জায়গার গুরুত্ব বুঝে তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের অফিসের পাশে অস্থায়ী ছাউনি গড়ে একটি ইঞ্জিনের অনুমোদন দিয়ে দমকল কেন্দ্র চালু হয়। এখন আটলা থেকে চাকপাড়া যাওয়ার রাস্তায় এসবিএসটিসির নির্মীয়মাণ স্ট্যান্ডের জায়গায় দমকল কেন্দ্রের জন্য স্থায়ী জায়গা দেখা হয়। এর জন্য প্রায় চার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। (ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়)








