বিরিয়ানির বাক্স খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ! নামজাদা দোকানের খাবারে পড়ে রয়েছে আরশোলা... তোলপাড় কাণ্ড

Last Updated:
এরপর ঘটনাস্থলে অন্য ক্রেতা এবং সাধারণ পথচলতি মানুষজন জড়ো হন। তাঁরা দোকানদারের কাছে ব্যবসায়িক লাইসেন্স দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি বলেও অভিযোগ ওঠে।
1/6
যেই বিরিয়ানির নাম শুনলে জিভে জল আসে, সেখানেই যদি পাওয়া যায় আরশোলা! শান্তিপুরের প্রাণকেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরির সামনে অবস্থিত একটি সুপরিচিত বিরিয়ানির দোকানকে ঘিরে ছড়াল চাঞ্চল্য। শান্তিপুর নতুন পাড়ার বাসিন্দা রুদ্রদেব সরকার জানান, তিনি বাড়ির ছোট বাচ্চার জন্য বিরিয়ানি কিনেছিলেন। বিরিয়ানি বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে তিনি কাজে বেরিয়ে যান। তারপরেই চোখ কপালে।
যেই বিরিয়ানির নাম শুনলে জিভে জল আসে, সেখানেই যদি পাওয়া যায় আরশোলা! শান্তিপুরের প্রাণকেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরির সামনে অবস্থিত একটি সুপরিচিত বিরিয়ানির দোকানকে ঘিরে ছড়াল চাঞ্চল্য। শান্তিপুর নতুন পাড়ার বাসিন্দা রুদ্রদেব সরকার জানান, তিনি বাড়ির ছোট বাচ্চার জন্য বিরিয়ানি কিনেছিলেন। বিরিয়ানি বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে তিনি কাজে বেরিয়ে যান। তারপরেই চোখ কপালে।
advertisement
2/6
কিছুক্ষণ পর স্ত্রী ফোন করে জানান, বিরিয়ানির প্যাকেটের মধ্যে আরশোলা রয়েছে। তার ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান তিনি। রুদ্রবাবু বিষয়টি জানিয়ে দোকানদারকে অনুরোধ করেছিলেন, ওই বিষাক্ত বিরিয়ানি যেন আর কাউকে বিক্রি না করা হয়। কিন্তু দোকানদার নিজের দোষ ঢাকতে গোটা বিষয়টি অস্বীকার করেন বলে তাঁর দাবি।
কিছুক্ষণ পর স্ত্রী ফোন করে জানান, বিরিয়ানির প্যাকেটের মধ্যে আরশোলা রয়েছে। তার ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান তিনি। রুদ্রবাবু বিষয়টি জানিয়ে দোকানদারকে অনুরোধ করেছিলেন, ওই বিষাক্ত বিরিয়ানি যেন আর কাউকে বিক্রি না করা হয়। কিন্তু দোকানদার নিজের দোষ ঢাকতে গোটা বিষয়টি অস্বীকার করেন বলে তাঁর দাবি।
advertisement
3/6
এরপর ঘটনাস্থলে অন্য ক্রেতা এবং সাধারণ পথচলতি মানুষজন জড়ো হন। তাঁরা দোকানদারের কাছে ব্যবসায়িক লাইসেন্স দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি বলেও অভিযোগ ওঠে।
এরপর ঘটনাস্থলে অন্য ক্রেতা এবং সাধারণ পথচলতি মানুষজন জড়ো হন। তাঁরা দোকানদারের কাছে ব্যবসায়িক লাইসেন্স দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি বলেও অভিযোগ ওঠে।
advertisement
4/6
আশপাশের স্থানীয় লোকজনের দাবি, ওই দোকানের FSSAI লাইসেন্স আছে কি না তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্স আদৌ আছে কিনা, সেটাও প্রশ্নের মুখে। তাঁদের বক্তব্য, জনবহুল এলাকায় এমন দোকান থেকে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে গাফিলতি মারাত্মক ঝুঁকির বিষয়।
আশপাশের স্থানীয় লোকজনের দাবি, ওই দোকানের FSSAI লাইসেন্স আছে কি না তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সও আছে কিনা, সেটাও প্রশ্নের মুখে। তাঁদের বক্তব্য, জনবহুল এলাকায় এমন দোকান থেকে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে গাফিলতি মারাত্মক ঝুঁকির বিষয়।
advertisement
5/6
অন্যদিকে দোকানের মালিক এস কে সাকিব, যাঁর বাড়ি বিহারে, তিনি এই ঘটনাকে তেমন গুরুত্ব দিতে রাজি নন। তাঁর বক্তব্য, এ ধরনের অনেক দোকানই লাইসেন্সবিহীন থাকে। খাদ্যে আরশোলা পড়ার বিষয়ে তিনি অবহিত নন বলেও দাবি করেন।
অন্যদিকে দোকানের মালিক এসকে সাকিব এই ঘটনাকে তেমন গুরুত্ব দিতে রাজি নন। তাঁর বক্তব্য, এ ধরনের অনেক দোকানই লাইসেন্সবিহীন থাকে। খাদ্যে আরশোলা পড়ার বিষয়ে তিনি অবহিত নন বলেও দাবি করেন।
advertisement
6/6
অভিযোগকারীর বক্তব্য মানতে তিনি রাজি নন বলে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
অভিযোগকারীর বক্তব্য মানতে তিনি রাজি নন বলে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
advertisement
advertisement
advertisement