advertisement

Jhargram Offbeat Spot: শান্ত-নিরিবিলি পরিবেশ, অরণ্যের গহীনে ঝাড়গ্রামের মনোরম ঠিকানা, লং ড্রাইভে সারা সপ্তাহের ক্লান্তি হাওয়া

Last Updated:
Jhargram Offbeat Spot: শহরের কোলাহল, নিত্যদিনের কাজের একঘেয়েমি থেকে মুক্তি চান? তাহলে চলে আসুন ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে। উইকেন্ড ডেস্টিনেশনের জন্য সেরা গন্তব্য ঝাড়গ্রামের তপোবন, রামেশ্বর মন্দির, ঝিল্লি পাখিরালয়।
1/6
শহরের কোলাহল, কংক্রিটের জঙ্গল, নিত্যদিনের কাজের একঘেয়েমি সব মিলিয়ে তিতিবিরক্ত। সমস্ত কিছু ছেড়ে প্রকৃতির কোলে, নিভৃতে সময় কাটাতে চান? তাহলে চলে আসুন ঝাড়গ্রামের (Jhargram) গোপীবল্লভপুরে। সেখানেই রয়েছে দুর্দান্ত এক অফবিট ঠিকানা। অরণ্যের গহীনে তপোবন। উইকেন্ড ডেস্টিনেশনের জন্য সেরা গন্তব্য।
শহরের কোলাহল, কংক্রিটের জঙ্গল, নিত্যদিনের কাজের একঘেয়েমি সব মিলিয়ে তিতিবিরক্ত। সমস্ত কিছু ছেড়ে প্রকৃতির কোলে, নিভৃতে সময় কাটাতে চান? তাহলে চলে আসুন ঝাড়গ্রামের (Jhargram) গোপীবল্লভপুরে। সেখানেই রয়েছে দুর্দান্ত এক অফবিট ঠিকানা। অরণ্যের গহীনে তপোবন। উইকেন্ড ডেস্টিনেশনের জন্য সেরা গন্তব্য।
advertisement
2/6
কলকাতার কাছেপিঠে প্রকৃতি দর্শনের জন্য ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া পছন্দের তালিকায় থাকে। অরণ্য সুন্দরী ঝাড়গ্রামের সৌন্দর্য তো কমবেশি সকলেই উপভোগ করেছেন। গাড়ি চেপে ঝাড়গ্রাম ভ্রমণ যেন আরও আকর্ষণীয়। গোপীবল্লভপুরের দিকে যাওয়ার পথের প্রকৃতির যে মায়া তা দেখে মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না।
কলকাতার কাছেপিঠে প্রকৃতি দর্শনের জন্য ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া পছন্দের তালিকায় থাকে। অরণ্য সুন্দরী ঝাড়গ্রামের সৌন্দর্য তো কমবেশি সকলেই উপভোগ করেছেন। গাড়ি চেপে ঝাড়গ্রাম ভ্রমণ যেন আরও আকর্ষণীয়। গোপীবল্লভপুরের দিকে যাওয়ার পথের প্রকৃতির যে মায়া তা দেখে মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না।
advertisement
3/6
 গোপীবল্লভপুরে রয়েছে সুবর্ণরেখা নদী। সোনার নদীর রূপ আপনার ক্লান্ত শরীর, মন এক নিমেষে চাঙ্গা করে দেবে। সুবর্ণরেখার রূপ উপভোগ করতে চলে আসতে পারেন কুঠিঘাটে। সেখানে মধ্যাহ্নভোজ সেরে, একটু বিশ্রাম নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন তপোবনের উদ্দেশ্যে। 
গোপীবল্লভপুরে রয়েছে সুবর্ণরেখা নদী। সোনার নদীর রূপ আপনার ক্লান্ত শরীর, মন এক নিমেষে চাঙ্গা করে দেবে। সুবর্ণরেখার রূপ উপভোগ করতে চলে আসতে পারেন কুঠিঘাটে। সেখানে মধ্যাহ্নভোজ সেরে, একটু বিশ্রাম নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন তপোবনের উদ্দেশ্যে।
advertisement
4/6
ঝাড়গ্রামের তপোবনে রয়েছে বাল্মীকি আশ্রম, সীতা নালা। গোপীবল্লভপুর শহর থেকে তপোবনের দূরত্ব ২২-২৫ কিলোমিটার। তপোবন ঘুরে দর্শন করুন রামেশ্বর শিব মন্দির। দূরত্ব ৭ কিলোমিটার।
ঝাড়গ্রামের তপোবনে রয়েছে বাল্মীকি আশ্রম, সীতা নালা। গোপীবল্লভপুর শহর থেকে তপোবনের দূরত্ব ২২-২৫ কিলোমিটার। তপোবন ঘুরে দর্শন করুন রামেশ্বর শিব মন্দির। দূরত্ব ৭ কিলোমিটার।
advertisement
5/6
শান্ত পরিবেশে মন্দির চত্বর। এখানকার ধ্বংসপ্রাপ্ত স্তম্ভগুলি যুগ যুগ ধরে প্রাচীনত্বের চিহ্ন বহন করে চলেছে। মন্দির চত্বরের রয়েছে রামেশ্বর সরোবর।
শান্ত পরিবেশে মন্দির চত্বর। এখানকার ধ্বংসপ্রাপ্ত স্তম্ভগুলি যুগ যুগ ধরে প্রাচীনত্বের চিহ্ন বহন করে চলেছে। মন্দির চত্বরের রয়েছে রামেশ্বর সরোবর।
advertisement
6/6
সন্ধ্যের দিকে গোপীবল্লভপুর ফিরে এসে হোটেলে রাত্রিযাপন করে পরের দিন সকাল ব্রেকফাস্ট সেরে আবার বেরিয়ে পড়ুন অরণ্য সুন্দরীকে আরও কাছ থেকে উপভোগ করতে। ঘুরে আসুন গোপীবল্লভপুর ইকোপার্ক। সুবর্ণরেখা নদীর একেবারে কাছেই। এরপর যেতে পারেন ঝিল্লি পাখিরালয়। বিশাল এক হ্রদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে পাখিরালয়টি। শীতের দিনে পরিযায়ী পাখির মেলা বসে। হ্রদে বোটিংয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে।
সন্ধ্যের দিকে গোপীবল্লভপুর ফিরে এসে হোটেলে রাত্রিযাপন করে পরের দিন সকালে ব্রেকফাস্ট সেরে আবার বেরিয়ে পড়ুন অরণ্য সুন্দরীকে আরও কাছ থেকে উপভোগ করতে। ঘুরে আসুন গোপীবল্লভপুর ইকোপার্ক। সুবর্ণরেখা নদীর একেবারে কাছেই। এরপর যেতে পারেন ঝিল্লি পাখিরালয়। বিশাল এক হ্রদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে পাখিরালয়টি। শীতের দিনে পরিযায়ী পাখির মেলা বসে। হ্রদে বোটিংয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে।
advertisement
advertisement
advertisement