advertisement

Jayanti Mahakal Temple: শিবরাত্রির আগে সেজে উঠছে ‘মিনি অমরনাথ’! রইল দুর্গম পথ পেরিয়ে বড় মহাকাল যাওয়ার সহজ গাইড

Last Updated:
Jayanti Mahakal Temple: শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে এখন সাজো সাজো রব ডুয়ার্সের বড় মহাকাল ধামে। দুর্গম পাহাড়ি চড়াই আর নদীপথ পেরিয়ে কীভাবে পৌঁছবেন মহাদেবের এই পবিত্র স্থানে? অ্যাডভেঞ্চার আর ভক্তির মেলবন্ধনে এই যাত্রা সম্পর্কে জানুন খুঁটিনাটি।
1/5
ভারতের রাস্তা ধরে যেতে হবে ভুটানে। তবেই পাওয়া যাবে বড় মহাকালের দর্শন। আর দেবাদিদেবের ভক্তরা সমস্ত কষ্ট সহ‍্য করেই পৌঁছে যান জয়ন্তী মহাকালধামের এই শিবতীর্থে। শিব রাত্রি উপলক্ষে সেজে উঠছে বড় মহাকালধাম। (ছবি ও তথ্য: অনন্যা দে)
ভারতের রাস্তা ধরে যেতে হবে ভুটানে। তবেই পাওয়া যাবে বড় মহাকালের দর্শন। আর দেবাদিদেবের ভক্তরা সমস্ত কষ্ট সহ‍্য করেই পৌঁছে যান জয়ন্তী মহাকালধামের এই শিবতীর্থে। শিব রাত্রি উপলক্ষে সেজে উঠছে বড় মহাকালধাম। (ছবি ও তথ্য: অনন্যা দে)
advertisement
2/5
জয়ন্তী থেকে মাত্র ৪.৫ কিলোমিটার দূরত্ব এই স্থানটির। বড় মহাকাল গুহাটি উত্তরের ছোট অমরনাথ বলেই পরিচিত। প্রকৃতির মাঝে দুপাশে পাহাড়ের বুক চিঁড়ে চলতে থাকা খরস্রোতা জয়ন্তী নদী পাশ দিয়ে যেতে হয় এই গুহায়।
জয়ন্তী থেকে মাত্র ৪.৫ কিলোমিটার দূরত্ব এই স্থানটির। বড় মহাকাল গুহাটি উত্তরের ছোট অমরনাথ বলেই পরিচিত। প্রকৃতির মাঝে দুপাশে পাহাড়ের বুক চিঁড়ে চলতে থাকা খরস্রোতা জয়ন্তী নদী পাশ দিয়ে যেতে হয় এই গুহায়।
advertisement
3/5
এই মহাকালগুহা পাখি ও প্রজাপতির স্বর্গরাজ্য বলেই পরিচিত। শিব চতুর্দশীতে এখানে পুণ্যার্থীদের ঢল নামে। ভক্তদের সেবায় পুণ্য লাভের আশায় এখানে বসে প্রচুর ভান্ডারা। বড় মহাকাল গুহায় যেতে প্রত্যেক বছর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারী মাস থেকে রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হয়।
এই মহাকালগুহা পাখি ও প্রজাপতির স্বর্গরাজ্য বলেই পরিচিত। শিব চতুর্দশীতে এখানে পুণ্যার্থীদের ঢল নামে। ভক্তদের সেবায় পুণ্য লাভের আশায় এখানে বসে প্রচুর ভান্ডারা। বড় মহাকাল গুহায় যেতে প্রত্যেক বছর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারী মাস থেকে রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হয়।
advertisement
4/5
এই গুহার মুখে জোড়া পাহাড় নামক স্থানে উঁচু উঁচু কাঠের মই এবং গভীর নদীর জলের উপরে বাঁশের সাঁকোর পথ বেয়েই পৌঁছতে হয় বড় মহাকাল গুহার প্রবেশদ্বারে। এই পথটি ভীষণ হলেও কিছুটা ভয়ঙ্কর বটে, যেটা এই পথে বেড়াতে আসা প্রত্যেকের মন জয় করতে সক্ষম। অনেকটা পথ কাঠের মই বেয়ে চড়তে হয় দৈত্যাকার পাথরের মাথায় আবার সেই পাথরগুলির নিচে কোঠরের থেকে কিছুটা পথ অতিক্রম করতে হয় মাঝে মাঝে। কোথাও কোথাও জলে ভিজে পিচ্ছিল হয়ে থাকা নদীর উপরে বিছিয়ে রাখা পাতলা গাছের সাঁকোর মতোয় পা দেবে দেবে পারা-পার করতে হয়। চড়াই ও উতরাই এর মধ্য দিয়ে পৌঁছতে হয় বড় মহাকাল গুহার প্রবেশদ্বারে সামনে।
এই গুহার মুখে জোড়া পাহাড় নামক স্থানে উঁচু উঁচু কাঠের মই এবং গভীর নদীর জলের উপরে বাঁশের সাঁকোর পথ বেয়েই পৌঁছতে হয় বড় মহাকাল গুহার প্রবেশদ্বারে। এই পথটি ভীষণ হলেও কিছুটা ভয়ঙ্কর বটে, যেটা এই পথে বেড়াতে আসা প্রত্যেকের মন জয় করতে সক্ষম। অনেকটা পথ কাঠের মই বেয়ে চড়তে হয় দৈত্যাকার পাথরের মাথায় আবার সেই পাথরগুলির নিচে কোঠরের থেকে কিছুটা পথ অতিক্রম করতে হয় মাঝে মাঝে। কোথাও কোথাও জলে ভিজে পিচ্ছিল হয়ে থাকা নদীর উপরে বিছিয়ে রাখা পাতলা গাছের সাঁকোর মতোয় পা দেবে দেবে পারা-পার করতে হয়। চড়াই ও উতরাই এর মধ্য দিয়ে পৌঁছতে হয় বড় মহাকাল গুহার প্রবেশদ্বারে সামনে।
advertisement
5/5
এই পাহাড়ে মহাকাল শিবের হাতে বানানো কংক্রিটের মন্দির নেই পুরোটাই স্ট্যালাগটাইট-স্ট্যালাগমাইটের তৈরি প্রাকৃতিক কয়েকটি গুহা। আস্থা ও ভগবান মহাকাল বাবার নামের বিশ্বাসের মধ্যে দিয়েই এই কঠিন ভয়ংকর পথকে পিছনে ফেলে এখানে আসেন প্রচুর দর্শনার্থী । এই বড় মহাকালে প্রবেশের জন্য ভুটান সরকারকে ২০ টাকা দিতে হয়। (ছবি ও তথ্য: অনন্যা দে)
এই পাহাড়ে মহাকাল শিবের হাতে বানানো কংক্রিটের মন্দির নেই পুরোটাই স্ট্যালাগটাইট-স্ট্যালাগমাইটের তৈরি প্রাকৃতিক কয়েকটি গুহা। আস্থা ও ভগবান মহাকাল বাবার নামের বিশ্বাসের মধ্যে দিয়েই এই কঠিন ভয়ংকর পথকে পিছনে ফেলে এখানে আসেন প্রচুর দর্শনার্থী । এই বড় মহাকালে প্রবেশের জন্য ভুটান সরকারকে ২০ টাকা দিতে হয়। (ছবি ও তথ্য: অনন্যা দে)
advertisement
advertisement
advertisement