Jalpaiguri News: কখনও নদীতে স্নান, কখনও জল পান! ডুয়ার্সে জোড়া হাতির বিরল দৃশ্য, গজরাজদের কীর্তি দেখতে ভিড়

Last Updated:
Jalpaiguri News: বন, নদী ও বন্যপ্রাণের এই সহাবস্থান আবারও জানান দিল, ডুয়ার্স শুধু পর্যটনের স্থান নয়, প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সহমিলনের এক জীবন্ত উদাহরণও বটে।
1/5
নদীর দুই তীরে আগমন, যেন দুই পক্ষেরই যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে...! এদিন এমনই এক রোমাঞ্চকর দৃশ্যের সাক্ষী থাকল ডুয়ার্স। আম্বাখোলায় জোড়া হাতির বিচরণে থমকে গেল ১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের যান চলাচল। ডুয়ার্সের প্রকৃতি যেন আবারও নিজের রূপে মানুষকে মুগ্ধ করল। (ছবি ও তথ্যঃ সুরজিৎ দে)
নদীর দুই তীরে আগমন, যেন দুই পক্ষেরই যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে...! এদিন এমনই এক রোমাঞ্চকর দৃশ্যের সাক্ষী থাকল ডুয়ার্স। আম্বাখোলায় জোড়া হাতির বিচরণে থমকে গেল ১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের যান চলাচল। ডুয়ার্সের প্রকৃতি যেন আবারও নিজের রূপে মানুষকে মুগ্ধ করল। (ছবি ও তথ্যঃ সুরজিৎ দে)
advertisement
2/5
নাগরাকাটা ব্লকের আম্বাখোলা এলাকায় নদীর দুই তীরে একসঙ্গে দু'টি বিশাল হাতিকে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেল। দূর থেকে দেখে অনেকেরই মনে হয়েছিল, তাঁরা হয়তো মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়াতে চলেছে।
নাগরাকাটা ব্লকের আম্বাখোলা এলাকায় নদীর দুই তীরে একসঙ্গে দু'টি বিশাল হাতিকে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেল। দূর থেকে দেখে অনেকেরই মনে হয়েছিল, তাঁরা হয়তো মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়াতে চলেছে।
advertisement
3/5
কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র! কখনও নদীর জলে নেমে জল পান, কখনও স্নান করে আবার ধীরে ধীরে জঙ্গলের দিকে সরে যাচ্ছিল দুই গজরাজ। দীর্ঘ সময় একই এলাকায় অবস্থান করলেও হাতি দু'টি একে অপরের খুব কাছাকাছি আসেনি। দু'জনেই নিজেদের স্বাভাবিক দূরত্ব বজায় রেখেছিল।
কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র! কখনও নদীর জলে নেমে জল পান, কখনও স্নান করে আবার ধীরে ধীরে জঙ্গলের দিকে সরে যাচ্ছিল দুই গজরাজ। দীর্ঘ সময় একই এলাকায় অবস্থান করলেও হাতি দু'টি একে অপরের খুব কাছাকাছি আসেনি। দু'জনেই নিজেদের স্বাভাবিক দূরত্ব বজায় রেখেছিল।
advertisement
4/5
এই বিরল ও মনোরম দৃশ্য দেখতে ১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের দু’পাশে পর্যটক ও সাধারণ পথচলতি মানুষের ভিড় জমে যায়। ফলে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ধীর হয়ে পড়ে। অনেকেই এই মুহূর্ত মোবাইলে বন্দি করেন। এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “হাতি তো প্রায়ই দেখি, কিন্তু এত কাছ থেকে, খোলা প্রাকৃতিক পরিবেশে এভাবে দেখার অভিজ্ঞতা সত্যিই আলাদা।” পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেই জন্য বন দফতরের খুনিয়া ওয়াইল্ড লাইফ স্কোয়াড দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।
এই বিরল ও মনোরম দৃশ্য দেখতে ১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের দু’পাশে পর্যটক ও সাধারণ পথচলতি মানুষের ভিড় জমে যায়। ফলে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ধীর হয়ে পড়ে। অনেকেই এই মুহূর্ত মোবাইলে বন্দি করেন। এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “হাতি তো প্রায়ই দেখি, কিন্তু এত কাছ থেকে, খোলা প্রাকৃতিক পরিবেশে এভাবে দেখার অভিজ্ঞতা সত্যিই আলাদা।” পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেই জন্য বন দফতরের খুনিয়া ওয়াইল্ড লাইফ স্কোয়াড দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।
advertisement
5/5
কালিপটকা ফাটিয়ে সতর্কতার সঙ্গে হাতি দু'টিকে গভীর জঙ্গলের দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বন, নদী ও বন্যপ্রাণের এই সহাবস্থান আবারও জানান দিল, ডুয়ার্স শুধু পর্যটনের স্থান নয়, প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সহমিলনের এক জীবন্ত উদাহরণও বটে। (ছবি ও তথ্যঃ সুরজিৎ দে)
কালিপটকা ফাটিয়ে সতর্কতার সঙ্গে হাতি দু'টিকে গভীর জঙ্গলের দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বন, নদী ও বন্যপ্রাণের এই সহাবস্থান আবারও জানান দিল, ডুয়ার্স শুধু পর্যটনের স্থান নয়, প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সহমিলনের এক জীবন্ত উদাহরণও বটে। (ছবি ও তথ্যঃ সুরজিৎ দে)
advertisement
advertisement
advertisement