Karate Competition: কাঁথিতে মেগা ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ! নেপাল থেকে দার্জিলিং, লড়াইয়ে নামল ৪০০-র বেশি প্রতিযোগী
- Reported by:Madan Maity
- hyperlocal
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
East Medinipur Karate Competition: কাঁথিতে শুরু হল জমজমাট ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ। নেপাল, ওড়িশা এবং দার্জিলিং-সহ বিভিন্ন প্রান্তের ৪০০-র বেশি প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন এই মেগা ইভেন্টে। খেলাধুলার মানচিত্রে নয়া নজর কাড়ল পূর্ব মেদিনীপুর।
নেপাল, ওড়িশা, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, হাওড়া ও হুগলি-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিযোগীরা ছুটে এসেছে কাঁথিতে। কাঁথিতে শুরু হয়েছে ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ। এই প্রতিযোগিতাকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। দূর-দূরান্ত থেকে আগত প্রতিযোগীদের উপস্থিতিতে কাঁথি শহর হয়ে উঠেছে ক্রীড়ামুখর। খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে এই চ্যাম্পিয়নশিপ।
advertisement
এই ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপে প্রায় চার শতাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছে। কন্টাই ক্যারাটে অ্যাকাডেমির উদ্যোগে শুরু হয়েছে এই দেশপ্রাণ মেমোরিয়াল ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ। বিভিন্ন বয়সের ছেলে ও মেয়েরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। ক্যারাটে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস ও শৃঙ্খলা গড়ে তোলাই এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
advertisement
এদিন প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই চ্যাম্পিয়নশিপের সূচনা হয়। কাঁথি রামকৃষ্ণ মিশনের স্বামী রমানাথানন্দজী মহারাজ প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। কন্টাই পাবলিক স্কুলের সিলভার জুবলি হলেই এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিদের উঠে আসে ক্যারেটের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কথা।
advertisement
এই ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ রাজ্য ছাড়িয়ে প্রতিবেশী এলাকাতেও সাড়া ফেলেছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, ওড়িশা ও নেপাল থেকেও প্রতিযোগীরা অংশ নিয়েছে। সিনিয়র ও জুনিয়র—উভয় বিভাগেই প্রতিযোগিতা চলছে। ছেলে ও মেয়েরা সকলেই অংশগ্রহণ করেছেন। প্রতিযোগীদের পারফরম্যান্সে খুশি দর্শকরা। আন্তর্জাতিক স্তরের এই ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ।
advertisement
পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ক্যারাটে অ্যাকাডেমির সভাপতি শেখ আকবর বলেন, “আজকের দিনে ছেলে ও মেয়েদের জন্য ক্যারাটে প্রশিক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজন। এতে আত্মরক্ষা শেখা যায়। আত্মবিশ্বাস বাড়ে। শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা তৈরি হয়। মোবাইল ও নেশা থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করলে মানসিক চাপ কমে। তাই প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর ক্যারাটে শেখা উচিত।”
advertisement
রাজ্য ও জাতীয় স্তরের অভিজ্ঞ রেফারিরাই এই চ্যাম্পিয়নশিপ পরিচালনা করছেন। প্রতিটি ম্যাচ স্বচ্ছ ও নিয়ম মেনে পরিচালিত হচ্ছে। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। ক্যারাটের মাধ্যমে শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তাও গড়ে ওঠে। এই চ্যাম্পিয়নশিপ ভবিষ্যতে আরও বড় আকারে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।







