NIPAH Virus: নিপা ভাইরাসের মারণ কামড়ে মৃত্যুহার ৭৫ শতাংশ! জ্বর, র্যাশ, খিঁচুনির উপসর্গ দেখলেই সোজা হাসপাতালে, সতর্ক স্বাস্থ্য দফতর
- Reported by:Saikat Shee
- hyperlocal
- Published by:Aishwarya Purkait
Last Updated:
NIPAH Virus: নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত পূর্ব মেদিনীপুরের এক যুবক। পেশায় নার্স ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক। এই পরিস্থিতিতে ছোঁয়াচে নিপা ভাইরাস প্রতিরোধে চূড়ান্ত সতর্ক হল জেলা স্বাস্থ্য দফতর। কীভাবে ছড়ায় নিপা ভাইরাস? প্রতিকার কী জানুন...
নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এক ব্যক্তি। এই রোগ নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জেলা স্বাস্থ্য দফতরের। রাজ্যে নিপা ভাইরাস আক্রান্ত দু'জনের মধ্যে এক জনের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরে। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসাবে কর্মরত বছর পঁচিশের ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক বলে জানা যাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে। ফলে এই রোগ প্রতিরোধে চূড়ান্ত সতর্ক স্বাস্থ্য দফতর। (ছবি ও তথ্য: সৈকত শী)
advertisement
নিপা ভাইরাস রোগের উপসর্গগুলি হল, সাধারণত জ্বর, প্রবল শারীরিক দুর্বলতা, মাথাব্যথা, বমি, মানসিক অবস্থার পরিবর্তন, খিঁচুনি, প্রবল কাশি, শ্বাসকষ্ট বা ডায়রিয়া জাতীয় উপসর্গ থাকতে পারে। মস্তিষ্ক আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ (এনসেফেলাইটিস), হৃদযন্ত্র আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ (মায়কারডাইটিস), ফুসফুস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ (এ আর ডি এস) ইত্যাদি নিয়েও এই রুগী আসতে পারে চিকিৎসকের কাছে।
advertisement
advertisement
নিপা ভাইরাস থাকে মূলত বাদুড়-চামচিকে গোত্রের প্রাণীর লালায়, মলমূত্রে। বাদুড় থেকে মানুষ ও মানুষ থেকে মানুষে তা ছড়ায়। বাদুড় যে ফল আধখাওয়া অবস্থায় রেখে দেয়, সেই ফল খেলে বা কোনও ফলে বাদুড়ের লালা লেগে থাকলে সেই ফল না ধুয়ে খেলে রোগ হতে পারে। শীতের মরশুমে সারারাত খেজুর গাছের রস সংগ্রহের হাঁড়ি বাঁধা থাকে। রাতে অনেক বাদুড় সেই রস খেতে আসে। তখন রসে বাদুড়ের লালা মিশে যায়। সেই রস না ফুটিয়ে খেলে নিপা ভাইরাস মানুষের শরীরে ঢুকতে পারে।
advertisement
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বিভাস রায় জানিয়েছেন, "জ্বর, র‍্যাশ, খিঁচুনি, ডায়রিয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলেই স্বাস্থ্য দফতরকে জানাতে হবে। অনেকের বাড়িতে বা বাড়ির পাশে গাছে বাদুড়-চামচিকে থাকে। তাই বাড়িতে ফলমূল সবসময় ঢেকে রাখতে হবে। টাটকা খেজুর রস খাওয়া উচিৎ নয়। বাজার থেকে কেনা ফলও খুব ভাল করে ধুয়ে তবে খেতে হবে।"
advertisement
জেলার চিকিৎসকেরা জানান, এই রোগ অত্যন্ত ছোঁয়াচে। রোগীকে একান্তবাসে থাকতে হবে। আক্রান্তের হাঁচি-কাশি-লালা থেকে রোগ ছড়াতে পারে। মৃত্যুহার অত্যন্ত বেশি। এই ভাইরাস দ্রুত মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতে আক্রমণ করে। এখনও পর্যন্ত পূর্ব মেদিনীপুরে এই রোগে আক্রান্ত ওই ব্যক্তি ছাড়া জেলার অন্য কেউ ব্যক্তি আক্রান্ত হয়নি। আক্রান্তের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়, তাই জেলা স্বাস্থ্য দফতর বিশেষ কিছু সতর্কতামূলক নির্দেশ জারি করেছে। সাধারণ সাবধানতা মেনে চলুন, এখনও অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনও পরিস্থিতি এই জেলায় ও রাজ্যে নেই। (ছবি ও তথ্য: সৈকত শী)







