East Medinipur News: মোবাইল গেম ভুলে এবার মঞ্চে বিপ্লব, ডিজিটাল আসক্তি কাটাতে ভরসা নাটক! খুদে পড়ুয়াদের তাক লাগানো অভিনয়
- Reported by:Madan Maity
- hyperlocal
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
East Medinipur News: একের পর এক নাটক মঞ্চস্থ স্কুল পড়ুয়ারা, মোবাইল আসক্তি কাটাতে বিশেষ উদ্যোগ কাঁথিতে।
মাঠের খেলাধুলা আর সাংস্কৃতিক চর্চা কি সত্যিই ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে? স্মার্টফোনের পর্দা আর পাঠ্যবইয়ের ভারে আজ পড়ুয়ারা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে। এই বাস্তবতা নিয়ে উদ্বিগ্ন শুধু অভিভাবকরাই নন, চিন্তায় পড়েছে গোটা শিক্ষামহলও। ঠিক সেই ভাবনা থেকেই পড়ুয়াদের আবার সাংস্কৃতিক চর্চার সঙ্গে যুক্ত করতে এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করল মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থা। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
advertisement
মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থার কাঁথি-এগরা আঞ্চলিক ইউনিটের উদ্যোগে আয়োজিত হয় আন্তঃ বিদ্যালয় নাট্য প্রতিযোগিতা। পূর্ব মেদিনীপুর কাঁথির টাউন হলে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় কাঁথির একাধিক স্কুলের পড়ুয়ার। উদ্দেশ্য একটাই। পড়াশোনার পাশাপাশি নাটকের মাধ্যমে সৃজনশীলতা বাড়ানো। ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক চর্চার সঙ্গে পরিচয় ঘটানো।
advertisement
প্রতিযোগিতায় একের পর এক নাটক মঞ্চস্থ হয়। নয়াপুট সুধীর কুমার হাইস্কুল পরিবেশন করে ‘গান্ধী বুড়ি’। কাঁথি মডেল ইন্সটিটিউশন মঞ্চস্থ করে ‘অগ্নি যুগের অস্ত্রগুরু’। কাঁথি পাবলিক স্কুল পরিবেশন করে ‘পিছাবনি’। করলদা বানী নিকেতন তুলে ধরে ‘বীর বিক্রমে বীরেন্দ্রনাথ’। প্রতিটি নাটকে অভিনয়ে পড়ুয়াদের দক্ষতা নজর কাড়ে দর্শকদের।
advertisement
কাঁথির ক্ষেত্রমোহন বিদ্যালয় মঞ্চস্থ করে মেদিনীপুর জেলার ঐতিহাসিক থানা দখলকে কেন্দ্র করে নাটক ‘থানা দখল’। পারুলিয়া মডার্ণ হাইস্কুল পরিবেশন করে বীরঙ্গনা পদ্মা পালের সংগ্রামী জীবন নিয়ে নাটক ‘দহন’। প্রতিটি দলের জন্য সময়সীমা ছিল ২০ মিনিট। সেই সময়ের মধ্যেই গল্প, আবেগ আর বার্তা তুলে ধরতে চেষ্টা করে পড়ুয়ারা। অভিনয়ে ফুটে ওঠে ইতিহাস, প্রতিবাদ আর সমাজ ভাবনা।
advertisement
advertisement
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেদিনীপুর সমন্বয় কমিটির সভাপতি মন্মথনাথ দাস, সম্পাদক শ্যামাপদ জানা, এগরা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ডঃ দীপক তামলী, ডঃ অমিত দেব প্রমুখ। আয়োজক বরুন কুমার জানা জানান, ছোটবেলা থেকেই নাটকের প্রতি ঝোঁক তৈরি করাই লক্ষ্য। স্থানীয় বুদ্ধিজীবীদের মতে, এই ধরনের আন্তঃ বিদ্যালয় নাট্য প্রতিযোগিতা পড়ুয়াদের মানসিক বিকাশে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)







