Digha Shutki Market: শুঁটকি প্রেমীদের জন্য স্বর্গরাজ্য দিঘা মোহনা! মাত্র ৪০ টাকা থেকে শুরু, লোটে না ইলিশ— কোনটি সেরা? জানুন
- Reported by:Madan Maity
- Published by:Ananya Chakraborty
Last Updated:
Digha Shutki Market : দিঘা ভ্রমণে এসে শুঁটকি মাছ চেখে দেখেছেন কি? লোটে, চিংড়ি থেকে রুপালি ইলিশ— দিঘা মোহনায় মিলবে শতাধিক প্রজাতির টাটকা শুঁটকি।
দিঘায় এলে সামুদ্রিক মাছ আর কাঁকড়া খাওয়া অনেকেরই তালিকায় থাকে। কিন্তু কখনও কি দিঘার শুঁটকি মাছ চেখে দেখেছেন? না খেয়ে থাকলে সত্যিই বড় মিস করেছেন। দিঘার শুঁটকির স্বাদ একেবারেই আলাদা। একবার খেলেই আবার খেতে ইচ্ছে করবে। বিশেষ করে যারা শুঁটকি পছন্দ করেন, তাদের জন্য দিঘা মোহনা যেন স্বর্গরাজ্য। (তথ্য ছবি: মদন মাইতি)
advertisement
দিঘা মোহনায় ঢুকলেই চোখে পড়বে সারি সারি সাজানো নানান ধরনের শুঁটকি। ছোট থেকে বড়, দেশি থেকে সামুদ্রিক—সবই মিলবে এখানে। দিঘা মোহনা একই সঙ্গে পাইকারি ও খুচরা শুটকি মাছ বিক্রির জন্য পরিচিত। এখানে শুটকি প্রেমি পর্যটকেরাও ভিড় করেন নিয়মিত। ভোরবেলায় ট্রলার থেকে নামা টাটকা মাছের একাংশ সরাসরি শুকানোর জন্য পাঠানো হয়। তাই এখানে তাজা স্বাদের শুঁটকি পাওয়া যায় সহজেই।
advertisement
দামের দিক থেকেও দিঘা মোহনা বেশ সাশ্রয়ী। মাত্র ৪০ টাকা থেকেই শুরু শুঁটকি মাছের দাম। ইলিশ শুঁটকি কেজি প্রতি প্রায় ৭০০ টাকা থেকে পাওয়া যায়। লোটে, টেংরা, চিংড়ি, বাঁশপাতা, মোরলা—প্রায় শতাধিক প্রজাতি মিলবে একসঙ্গে। ক্রেতারা নিজের পছন্দমতো বেছে নিতে পারেন। এত বৈচিত্র্য খুব কম জায়গাতেই দেখা যায়।
advertisement
সবচেয়ে জনপ্রিয় শুঁটকি হল লোটে শুঁটকি। স্থানীয়দের মতে, এর স্বাদ অন্য সব মাছকে হার মানায়। একটু তেলে ভেজে নিলেই অসাধারণ গন্ধ ছড়ায়। অনেকে আবার ঝাল, ভর্তা বা ভাজা করে রান্না করেন। বিভিন্ন রেসিপিতে এটি দারুণ মানিয়ে যায়। বাড়িতে অতিথি এলে পরিবেশন করলেও প্রশংসা মিলবেই। তাই লোটে শুঁটকির চাহিদা সারা বছরই বেশি।
advertisement
advertisement
দিঘা মোহনার এক শুটকি মাছের ব্যবসায়ী অজয় সামন্ত জানান, শুঁটকি প্রেমীদের একবার অন্তত দিঘা মোহনায় আসা উচিত। এখানে সস্তা দামে ভালো মানের শুঁটকি মেলে। একটু ভেজে নিলেই অসাধারণ স্বাদ পাওয়া যায়। নানা ধরনের রেসিপিও বানানো সম্ভব। তাই যারা ভিন্ন স্বাদের খাবার পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি আদর্শ ঠিকানা। শুঁটকির আসল স্বাদ পেতে হলে দিঘা মোহনাই সেরা।(তথ্য ছবি: মদন মাইতি)







