Fridge Tips For Winter: অল্প শীতে কত তাপমাত্রায় চালাবেন ফ্রিজ? খুব ঠান্ডায় কত মাত্রায় রাখবেন? জানুন আর বাঁচান বিদ্যুতের বিল, খাবারও থাকবে একদম ফ্রেশ

Last Updated:
Fridge Tips For Winter: অনেকেই সারা বছর একই সেটিংয়ে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ চালায়। গরম হোক বা ঠান্ডা, কিন্তু আপনি কি জানেন তাপমাত্রা একই রেখে রেফ্রিজারেটর চালালে বেশি শক্তি খরচ করতে পারে এবং এমনকি খাবারও নষ্ট করতে পারে?
1/9
*শীতকালে বাইরের তাপমাত্রা কমে গেলে, আমাদের ঘরের ইলেকট্রনিক্সের প্রভাবও বদলে যায়। বিশেষ করে রেফ্রিজারেটর। আমরা অনেকেই সারা বছর একই সেটিংয়ে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ চালাই। গরম হোক বা ঠান্ডা, কিন্তু আপনি কি জানেন তাপমাত্রা একই রেখে রেফ্রিজারেটর চালালে বেশি শক্তি খরচ করতে পারে এবং এমনকি খাবারও নষ্ট করতে পারে? আসলে, শীতকালে বাইরের তাপমাত্রা কম থাকে, তাই রেফ্রিজারেটরকে তেমন পরিশ্রম করতে হয় না।
*শীতকালে বাইরের তাপমাত্রা কমে গেলে, আমাদের ঘরের ইলেকট্রনিক্সের প্রভাবও বদলে যায়। বিশেষ করে রেফ্রিজারেটর। আমরা অনেকেই সারা বছর একই সেটিংয়ে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ চালাই। গরম হোক বা ঠান্ডা, কিন্তু আপনি কি জানেন তাপমাত্রা একই রেখে রেফ্রিজারেটর চালালে বেশি শক্তি খরচ করতে পারে এবং এমনকি খাবারও নষ্ট করতে পারে? আসলে, শীতকালে বাইরের তাপমাত্রা কম থাকে, তাই রেফ্রিজারেটরকে তেমন পরিশ্রম করতে হয় না।
advertisement
2/9
*আপনি যদি গরমের মতো উচ্চ সেটিংয়ে এটি চালান, তাহলে কেবল শাকসবজি এবং দুধ দ্রুত নষ্ট হবে না, বরং আপনার বিদ্যুৎ বিলও বৃদ্ধি পাবে। তাই এই ঋতুতে সঠিক রেফ্রিজারেটর সেটিং জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক তাপমাত্রায় রেফ্রিজারেটর চালালে আপনার খাবার বেশিক্ষণ সতেজ থাকবে। এতে বিদ্যুৎ খরচও কমবে। তাহলে, আসুন জেনে নেওয়া যাক শীতকালে কোন সেটিং ব্যবহার করবেন সে সম্পর্কে কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি মনে রাখা উচিত।
*আপনি যদি গরমের মতো উচ্চ সেটিংয়ে এটি চালান, তাহলে কেবল শাকসবজি এবং দুধ দ্রুত নষ্ট হবে না, বরং আপনার বিদ্যুৎ বিলও বৃদ্ধি পাবে। তাই এই ঋতুতে সঠিক রেফ্রিজারেটর সেটিং জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক তাপমাত্রায় রেফ্রিজারেটর চালালে আপনার খাবার বেশিক্ষণ সতেজ থাকবে। এতে বিদ্যুৎ খরচও কমবে। তাহলে, আসুন জেনে নেওয়া যাক শীতকালে কোন সেটিং ব্যবহার করবেন সে সম্পর্কে কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি মনে রাখা উচিত।
advertisement
3/9
*শীতে কোন সেটিং ব্যবহার করবেন? বেশিরভাগ রেফ্রিজারেটরে একটি ডায়াল বা ডিজিটাল প্যানেল থাকে, যা আপনাকে শীতলকরণের স্তর সেট করতে দেয়। এগুলো সাধারণত ০ থেকে ৫ অথবা ১ থেকে ৭ এর মধ্যে হয়। মনে রাখার মূল বিষয়, সংখ্যাটি যত বেশি হবে, তত ঠান্ডা হবে। গ্রীষ্মকালে, রেফ্রিজারেটর ৪ বা ৫ নম্বরে সেট করা ভাল। তবে শীতকালে, রেফ্রিজারেটর ২ বা ৩ এ সেট করা আদর্শ।
*শীতে কোন সেটিং ব্যবহার করবেন? বেশিরভাগ রেফ্রিজারেটরে একটি ডায়াল বা ডিজিটাল প্যানেল থাকে, যা আপনাকে শীতলকরণের স্তর সেট করতে দেয়। এগুলো সাধারণত ০ থেকে ৫ অথবা ১ থেকে ৭ এর মধ্যে হয়। মনে রাখার মূল বিষয়, সংখ্যাটি যত বেশি হবে, তত ঠান্ডা হবে। গ্রীষ্মকালে, রেফ্রিজারেটর ৪ বা ৫ নম্বরে সেট করা ভাল। তবে শীতকালে, রেফ্রিজারেটর ২ বা ৩ এ সেট করা আদর্শ।
advertisement
4/9
*যদি আপনার একটি ডিজিটাল রেফ্রিজারেটর থাকে, তাহলে তাপমাত্রা সরাসরি ডিগ্রিতে সেট করা ভাল। শীতকালে, রেফ্রিজারেটর ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে এবং ফ্রিজার -১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকা উচিত। এটি খাবার জমে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে।
*যদি আপনার একটি ডিজিটাল রেফ্রিজারেটর থাকে, তাহলে তাপমাত্রা সরাসরি ডিগ্রিতে সেট করা ভাল। শীতকালে, রেফ্রিজারেটর ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে এবং ফ্রিজার -১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকা উচিত। এটি খাবার জমে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে।
advertisement
5/9
*শীতকালে রেফ্রিজারেটরের সেটিংস পরিবর্তন করা কেন গুরুত্বপূর্ণ? অনেকে মনে করেন, একবার রেফ্রিজারেটর সেট করার পরে, তাদের বারবার সেটিংস পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় না। তবে, রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসার ঘরের তাপমাত্রা অনুযায়ী কাজ করে। শীতকালে, যখন বাইরে ঠান্ডা থাকে, তখন রেফ্রিজারেটরের জিনিসপত্র ঠান্ডা রাখার জন্য রেফ্রিজারেটরকে ততটা পরিশ্রম করতে হয় না। যদি আপনি এটি বেশি তাপমাত্রায় রাখেন, তাহলে এটি অতিরিক্ত ঠান্ডা হওয়ার কারণ হবে। এর ফলে শাকসবজি, ফল বা দুধ জমে যেতে পারে এবং তাদের স্বাদ পরিবর্তন হতে পারে।
*শীতকালে রেফ্রিজারেটরের সেটিংস পরিবর্তন করা কেন গুরুত্বপূর্ণ? অনেকে মনে করেন, একবার রেফ্রিজারেটর সেট করার পরে, তাদের বারবার সেটিংস পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় না। তবে, রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসার ঘরের তাপমাত্রা অনুযায়ী কাজ করে। শীতকালে, যখন বাইরে ঠান্ডা থাকে, তখন রেফ্রিজারেটরের জিনিসপত্র ঠান্ডা রাখার জন্য রেফ্রিজারেটরকে ততটা পরিশ্রম করতে হয় না। যদি আপনি এটি বেশি তাপমাত্রায় রাখেন, তাহলে এটি অতিরিক্ত ঠান্ডা হওয়ার কারণ হবে। এর ফলে শাকসবজি, ফল বা দুধ জমে যেতে পারে এবং তাদের স্বাদ পরিবর্তন হতে পারে।
advertisement
6/9
*সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখলে খাবার কেবল বেশিক্ষণ সতেজ থাকবে না, বরং বিদ্যুৎ খরচও কমবে। এর অর্থ হল শীতকালে কম তাপমাত্রায় রেফ্রিজারেটর চালালে আপনার বিদ্যুৎ বিল কমবে এবং আপনার জিনিসপত্র নিরাপদ থাকবে।
*সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখলে খাবার কেবল বেশিক্ষণ সতেজ থাকবে না, বরং বিদ্যুৎ খরচও কমবে। এর অর্থ হল শীতকালে কম তাপমাত্রায় রেফ্রিজারেটর চালালে আপনার বিদ্যুৎ বিল কমবে এবং আপনার জিনিসপত্র নিরাপদ থাকবে।
advertisement
7/9
*রেফ্রিজারেটরের বিভিন্ন জায়গা সংরক্ষণের জন্যঃ প্রতিটি রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা আলাদা। উপরের তাকগুলি সবচেয়ে ঠান্ডা থাকে, তাই দুধ, জুস, সস ইত্যাদি জিনিসপত্র সেখানে সংরক্ষণ করা উচিত। নীচের তাকটি সবচেয়ে ঠান্ডা। এখানেই আপনি মাংস, মাছ বা অবশিষ্ট খাবার সংরক্ষণ করতে পারেন। শাকসবজির জন্য নীচের দিকে ক্রিস্পার ড্রয়ার ব্যবহার করুন। এটি আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি তাদের তাজা রাখে। সঠিক তাপমাত্রায়ও, ভুলভাবে সংরক্ষণ করা হলে খাবার দ্রুত নষ্ট হতে পারে। অতএব, রেফ্রিজারেটরের প্রতিটি অংশ বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।
*রেফ্রিজারেটরের বিভিন্ন জায়গা সংরক্ষণের জন্যঃ প্রতিটি রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা আলাদা। উপরের তাকগুলি সবচেয়ে ঠান্ডা থাকে, তাই দুধ, জুস, সস ইত্যাদি জিনিসপত্র সেখানে সংরক্ষণ করা উচিত। নীচের তাকটি সবচেয়ে ঠান্ডা। এখানেই আপনি মাংস, মাছ বা অবশিষ্ট খাবার সংরক্ষণ করতে পারেন। শাকসবজির জন্য নীচের দিকে ক্রিস্পার ড্রয়ার ব্যবহার করুন। এটি আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি তাদের তাজা রাখে। সঠিক তাপমাত্রায়ও, ভুলভাবে সংরক্ষণ করা হলে খাবার দ্রুত নষ্ট হতে পারে। অতএব, রেফ্রিজারেটরের প্রতিটি অংশ বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।
advertisement
8/9
*বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সহজ উপায়ঃ শীতকালে সঠিক তাপমাত্রায় আপনার রেফ্রিজারেটর চালানোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল বিদ্যুৎ সাশ্রয়। কম বিদ্যুৎ খরচ মানে কম খরচ এবং কম পরিবেশগত প্রভাব। তদুপরি, কয়েকটি সহজ বিষয় মাথায় রেখে আপনি আরও বেশি সাশ্রয় করতে পারেন।
*বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সহজ উপায়ঃ শীতকালে সঠিক তাপমাত্রায় আপনার রেফ্রিজারেটর চালানোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল বিদ্যুৎ সাশ্রয়। কম বিদ্যুৎ খরচ মানে কম খরচ এবং কম পরিবেশগত প্রভাব। তদুপরি, কয়েকটি সহজ বিষয় মাথায় রেখে আপনি আরও বেশি সাশ্রয় করতে পারেন।
advertisement
9/9
*রেফ্রিজারেটর খুব বেশি খুলবেন না। গরম খাবার সরাসরি রেফ্রিজারেটরে রাখবেন না, প্রথমে ঠান্ডা হতে দিন। সপ্তাহে একবার রেফ্রিজারেটর পরিষ্কার করুন। যদি দরজার রাবার সিল আলগা থাকে, তাহলে এটি নতুন লাগিয়ে ফেলুন। বাতাস চলাচলের জন্য রেফ্রিজারেটরটি দেয়াল থেকে একটু দূরে সরিয়ে নিন। এই সহজ টিপসগুলি আপনার বিদ্যুৎ বিল কমাতে এবং আপনার রেফ্রিজারেটরের আয়ু বাড়াতে সাহায্য করবে।
*রেফ্রিজারেটর খুব বেশি খুলবেন না। গরম খাবার সরাসরি রেফ্রিজারেটরে রাখবেন না, প্রথমে ঠান্ডা হতে দিন। সপ্তাহে একবার রেফ্রিজারেটর পরিষ্কার করুন। যদি দরজার রাবার সিল আলগা থাকে, তাহলে এটি নতুন লাগিয়ে ফেলুন। বাতাস চলাচলের জন্য রেফ্রিজারেটরটি দেয়াল থেকে একটু দূরে সরিয়ে নিন। এই সহজ টিপসগুলি আপনার বিদ্যুৎ বিল কমাতে এবং আপনার রেফ্রিজারেটরের আয়ু বাড়াতে সাহায্য করবে।
advertisement
advertisement
advertisement