East Bardhaman News: লোকালয়ের কাছেই নিশ্চিন্তে ময়ূর, আউশগ্রামে মানুষের সঙ্গে গড়ে উঠেছে সহাবস্থান
- Reported by:Bonoarilal Chowdhury
- local18
- Published by:Ratnadeep Ray
Last Updated:
East Bardhaman News: এ যেন মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির এক অপূর্ব সহাবস্থানের ছবি। জাতীয় পাখি ময়ূর ও মানুষের এমন স্বাভাবিক সহাবস্থান দেখা যাচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলার জঙ্গলমহল ঘেরা আউশগ্রাম এলাকায়।
এ যেন মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির এক অপূর্ব সহাবস্থানের ছবি। জাতীয় পাখি ময়ূর ও মানুষের এমন স্বাভাবিক সহাবস্থান দেখা যাচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলার জঙ্গলমহল ঘেরা আউশগ্রাম এলাকায়। বিশেষ করে আউশগ্রামের দেবশালা গ্রাম পঞ্চায়েতের মৌকটা গ্রামের মেন রাস্তার ধারেই অবাধে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে ময়ূরদের। কখনও রাস্তার ধারে, কখনও লোকালয়ের একেবারে কাছাকাছি,নির্ভয়ে বিচরণ করছে তারা।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
পূর্ব বর্ধমান জেলা সাধারণত ‘ধানের গোলা’ হিসেবেই পরিচিত হলেও জেলার একটি বড় অংশ জঙ্গলাকীর্ণ। বিশেষ করে আউশগ্রাম ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা জঙ্গল দ্বারা পরিবেষ্টিত। এই জঙ্গলঘেরা এলাকায় স্বাভাবিকভাবেই রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী। সেই তালিকায় রয়েছে জাতীয় পাখি ময়ূরও। আর সাম্প্রতিক সময়ে আউশগ্রামে সেই ময়ূরের সংখ্যাই উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানাচ্ছে বনদফতর।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
বন দফতরের তরফে জঙ্গল জুড়ে বসানো ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছে ময়ূরের একাধিক ছবি ও ভিডিও। এই প্রসঙ্গে আদুরিয়া বিটের বন আধিকারিক পিনাকী ভট্টাচার্য জানান, এই এলাকায় ময়ূরের সংখ্যা আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। পাশাপাশি বাচ্চা ময়ূরের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে ময়ূরের ডিম থেকে সঠিকভাবেই প্রজনন হয়েছে।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
আদুরিয়া বিটের অন্তর্গত হেদোগরিয়া এলাকায় বর্তমানে প্রচুর ময়ূরের দেখা মিলছে। এছাড়াও রাঙাখুলা, ছোট রামচন্দ্রপুর, কালিকাপুর সহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রাম এলাকায় নিয়মিত ময়ূরের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি বছর শীতের মরশুমে এই এলাকায় ঝাঁকে ঝাঁকে ময়ূর দেখা যায়। এক একটি ঝাঁকে প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি ময়ূর একসঙ্গে বিচরণ করে।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই ময়ূররা এখন আর শুধুমাত্র জঙ্গলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। লোকালয়ের কাছাকাছি এলাকায় কার্যত স্বাচ্ছন্দ্যেই তাদের বিচরণ করতে দেখা যাচ্ছে। কখনও রাস্তার ধারে, আবার কখনও সাধারণ মানুষের বাড়ির উঠোনেও ঢুকে পড়ছে ময়ূর। বনদফতরের মতে, এটিই মানুষের সঙ্গে ময়ূরের সহাবস্থানের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
এই প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ময়ূরের অবাধ বিচরণ এখন পর্যটকদেরও আকর্ষণ করছে। জেলার বাইরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ আউশগ্রামে এসে খোলা পরিবেশে, প্রকৃতির মাঝেই ময়ূর দেখার জন্য এই এলাকাগুলিতে ভিড় জমাচ্ছেন। লোকালয়ে ময়ূরের উপস্থিতিতে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারাও। বন দফতরের নজরদারি ও পরিবেশ রক্ষার ফলেই আউশগ্রামে গড়ে উঠেছে মানুষের সঙ্গে ময়ূরের এই সুন্দর সহাবস্থানের ছবি,এমনটাই মত সংশ্লিষ্ট মহলের।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী









