Jhargram Krishak Mela: কৃষি প্রধান ভারতে জলবায়ুর বদলকে সঙ্গী করেই কীভাবে হবে আর্থিক-সামাজিক উন্নয়ন! ঝাড়গ্রামে বিশেষ আয়োজন, পথ দেখাল ডিআরসিএসসি
- Published by:Madhab Das
- local18
Last Updated:
Jhargram Krishak Mela: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দিন দিন বদলে যাচ্ছে বিশ্বের জলবায়ু। আর এই জলবায়ুর বদল রীতিমতো প্রভাব ফেলছে কৃষি কাজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। তবে ভারতের মতো কৃষি প্রধান দেশের কৃষকদের জলবায়ুর এমন বদলকে মানিয়ে নিয়েই আগামী দিনে চলতে হবে। সেই বিষয়টিকেই উপস্থাপিত করে কৃষকদের মধ্যে জলবায়ু সহনশীল চাষ ব্যবস্থা ছড়িয়ে দিতে বিশেষ আয়োজন হয়ে গেল ঝাড়গ্রামে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দিন দিন বদলে যাচ্ছে বিশ্বের জলবায়ু। আর এই জলবায়ুর বদল রীতিমতো প্রভাব ফেলছে কৃষি কাজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। তবে ভারতের মতো কৃষি প্রধান দেশের কৃষকদের জলবায়ুর এমন বদলকে মানিয়ে নিয়েই আগামী দিনে চলতে হবে। সেই বিষয়টিকেই উপস্থাপিত করে কৃষকদের মধ্যে জলবায়ু সহনশীল চাষ ব্যবস্থা ছড়িয়ে দিতে বিশেষ আয়োজন হয়ে গেল ঝাড়গ্রামে।
advertisement
আমাদের দেশ কৃষি প্রধান দেশ আর এদেশের অর্থনীতি সমাজ ও সংস্কৃতি বহুলাংশে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। এমন দেশে জলবায়ু পরিবর্তনের কুপ্রভাবকে মানিয়ে নিয়েই কীভাবে প্রান্তিক, অতি দরিদ্র, ভূমিহীন পরিবারগুলি তাদের খাদ্য-পুষ্টি-জীবিকার সুরক্ষা দিতে পারবে তারই নানা কৌশল ও প্রযুক্তি তুলে ধরার জন্য ঝাড়গ্রামে শুক্রবার আয়োজিত হল কৃষক মেলা।
advertisement
এদিন ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ কমিউনিকেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস সেন্টার প্রাকৃতিক সম্পদের সুস্থায়ী ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মানুষের খাদ্য পুষ্টি ও জীবিকা নিরাপত্তা অর্জন প্রদানের লক্ষ্যে সুস্থায়ী কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা হয়। সচেতন করার জন্য ঝাড়গ্রামের কেন্দডাংড়ি দুর্গা মন্দিরের খেলার মাঠে কৃষক মেলার আয়োজন করা হয়। যেখানে চিচিড়া ও কেন্দডাংড়ি পঞ্চায়েতের ৫৩০ জন তপশিলি জাতি ও উপজাতির মানুষদের জীবন-জীবিকার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য ডিআরসিএসসি নানা রকম উদ্যোগ নেয়।
advertisement
এই মেলায় ২০টি স্টল রাখা হয়েছিল। যে সকল স্টলে দেশীয় প্রজাতি থেকে শুরু করে হারিয়ে যাওয়া জীব বৈচিত্র্য, বনজ ও অবহেলিত শাকসবজি, স্থানীয় বীজ, পশু-পাখি, গাছপালা, মাছ, বিকল্প শক্তির ব্যবহার, লোকায়ত জ্ঞানের সম্ভার বাড়ানো ইত্যাদি উপস্থাপন করা হয়। এছাড়াও কিশোর কিশোরীদের পরিবেশবান্ধব জীবিকা গড়ে তোলার আবেদন জানানো হয় এই মেলায়, যা ছিল মূল উদ্দেশ্য।
advertisement
মেলায় যারা উপস্থিত ছিলেন তারা হলেন, ঝাড়গ্রাম জেলার ও জামবুনি ব্লকের বিশিষ্ট সরকারি আধিকারিবৃন্দ, উপস্থিত ছিলেন CSR, কলেজ ও বিদ্যালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দ। এছাড়াও ছিলেন তারা যাদের জন্য এই মেলা অর্থাৎ জামবুনি ব্লকের চিচিড়া ও কেন্দডাংড়ি পঞ্চায়েতের প্রায় ৩৫০-র বেশি মহিলা, চাষি, সমাজ কর্মী, শিক্ষক, কিশোর-কিশোরী ও ছাত্র-ছাত্রীরা। নানা আলোচনার পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানে চমক ছিল স্থানীয় শিল্পীদের দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ছবি আঁকা, নাটক, মুখাভিনয় ইত্যাদি। এমন আয়োজন যেমন এলাকার মানুষদের মধ্যে উৎসাহ আনতে সাহায্য করছে, ঠিক সেইরকমই তারাও নিজেদের অনেক উদ্যোগের কথা জানান।









