Bankura–Howrah Train Route: বাঁকুড়া থেকে হাওড়া যাতায়াত এখন আরও সহজ! সুপারফাস্ট থেকে লোকাল মিলছে একাধিক বিকল্প, দেখে নিন সব ট্রেনের লেটেস্ট সময়সূচী ও ভাড়া

Last Updated:
Bankura to Howrah Train Schedule: বাঁকুড়া থেকে হাওড়া যাতায়াতের জন্য এখন রয়েছে একাধিক দ্রুতগামী ট্রেন ও নতুন মেমু পরিষেবা। জঙ্গলমহলের বাসিন্দাদের কলকাতা পৌঁছানো এখন আরও সহজ ও আরামদায়ক। সব ট্রেনের সময়সূচী দেখে নিন
1/6
বাঁকুড়া রেল স্টেশন থেকে হাওড়া জংশন—এই রুটটি জঙ্গলমহলের মানুষের কাছে শুধু একটি যাতায়াত পথ নয়, বরং কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রেল লাইফলাইন। প্রতিদিন চাকরি, ব্যবসা, পড়াশোনা কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজনে অসংখ্য মানুষ এই পথে যাতায়াত করেন। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একাধিক ট্রেন চলাচল করায় যাত্রীদের কাছে এই রুট অত্যন্ত ভরসাযোগ্য।
বাঁকুড়া রেল স্টেশন থেকে হাওড়া জংশন—এই রুটটি জঙ্গলমহলের মানুষের কাছে শুধু একটি যাতায়াত পথ নয়, বরং কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রেল লাইফলাইন। প্রতিদিন চাকরি, ব্যবসা, পড়াশোনা কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজনে অসংখ্য মানুষ এই পথে যাতায়াত করেন। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একাধিক ট্রেন চলাচল করায় যাত্রীদের কাছে এই রুট অত্যন্ত ভরসাযোগ্য। ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
advertisement
2/6
দ্রুত যাত্রার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্রেনগুলির মধ্যে রয়েছে পুরুলিয়া–হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস (12828)। এই ট্রেনটি সকাল ৭টা ১০ মিনিটে বাঁকুড়া ছেড়ে ১১টা ২২ মিনিটে হাওড়া পৌঁছয়। প্রায় ৪ ঘণ্টা ১২ মিনিটে যাত্রা শেষ হওয়ায় অফিসযাত্রীদের মধ্যে এর চাহিদা সবসময়ই বেশি।
দ্রুত যাত্রার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্রেনগুলির মধ্যে রয়েছে পুরুলিয়া–হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস (12828)। এই ট্রেনটি সকাল ৭টা ১০ মিনিটে বাঁকুড়া ছেড়ে ১১টা ২২ মিনিটে হাওড়া পৌঁছয়। প্রায় ৪ ঘণ্টা ১২ মিনিটে যাত্রা শেষ হওয়ায় অফিসযাত্রীদের মধ্যে এর চাহিদা সবসময়ই বেশি।
advertisement
3/6
বিকেলের যাত্রীদের জন্য রয়েছে আরন্যক এক্সপ্রেস (12886), যা বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে বাঁকুড়া থেকে ছেড়ে সন্ধে ৭টা ৪০ মিনিটে শালিমার পৌঁছয়। এছাড়াও অত্যন্ত জনপ্রিয় রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস (12884) ছাড়ে বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে, এবং রাত ৯টা ১৫ মিনিটে হাওড়া পৌঁছে দেয়। এই দুটি ট্রেনই তুলনামূলক দ্রুত ও আরামদায়ক যাত্রার জন্য পরিচিত। নিত্যযাত্রী এবং সেহারাবাজারের বাসিন্দা রনি সরকার বলেন,
বিকেলের যাত্রীদের জন্য রয়েছে আরন্যক এক্সপ্রেস (12886), যা বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে বাঁকুড়া থেকে ছেড়ে সন্ধে ৭টা ৪০ মিনিটে শালিমার পৌঁছয়। এছাড়াও অত্যন্ত জনপ্রিয় রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস (12884) ছাড়ে বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে, এবং রাত ৯টা ১৫ মিনিটে হাওড়া পৌঁছে দেয়। এই দুটি ট্রেনই তুলনামূলক দ্রুত ও আরামদায়ক যাত্রার জন্য পরিচিত। নিত্যযাত্রী এবং সেহারাবাজারের বাসিন্দা রনি সরকার বলেন, "মশাগ্রাম লাইনে প্রতিটি ট্রেন খুব ভালো চলে। সমস্যা হয় হাওড়া নাইনে ট্রেন গুলি নিয়ে। মাঝে মাঝে বড্ড দেরি হয়।"
advertisement
4/6
ভোর বা গভীর রাতে যাত্রা করতে চাইলে ভরসা দেয় চক্রধরপুর–হাওড়া এক্সপ্রেস (18012) এবং বোকরো স্টিল সিটি–হাওড়া এক্সপ্রেস (18014)। এই দুই ট্রেনই রাত ১২টা ৫ মিনিটে বাঁকুড়া ছাড়ে এবং ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে হাওড়া পৌঁছয়। রাতে উঠে সকালে কলকাতায় পৌঁছনোর সুবিধার জন্য এই ট্রেনগুলিও যাত্রীদের কাছে জনপ্রিয়।
ভোর বা গভীর রাতে যাত্রা করতে চাইলে ভরসা দেয় চক্রধরপুর–হাওড়া এক্সপ্রেস (18012) এবং বোকরো স্টিল সিটি–হাওড়া এক্সপ্রেস (18014)। এই দুই ট্রেনই রাত ১২টা ৫ মিনিটে বাঁকুড়া ছাড়ে এবং ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে হাওড়া পৌঁছয়। রাতে উঠে সকালে কলকাতায় পৌঁছনোর সুবিধার জন্য এই ট্রেনগুলিও যাত্রীদের কাছে জনপ্রিয়।
advertisement
5/6
সাম্প্রতিক সময়ে যাত্রীদের জন্য আরও একটি সুখবর এসেছে। পুরুলিয়া–হাওড়া নতুন MEMU লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হয়েছে, যা বাঁকুড়া–মশাগ্রাম রুট হয়ে হাওড়া যায়। এই নতুন ট্রেনটি পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পূর্ব রেলের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ করেছে। কম খরচে নিয়মিত যাতায়াত করা যাত্রীদের জন্য এই নতুন পরিষেবাটি বিশেষভাবে উপকারী বলে মনে করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে যাত্রীদের জন্য আরও একটি সুখবর এসেছে। পুরুলিয়া–হাওড়া নতুন MEMU লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হয়েছে, যা বাঁকুড়া–মশাগ্রাম রুট হয়ে হাওড়া যায়। এই নতুন ট্রেনটি পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পূর্ব রেলের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ করেছে। কম খরচে নিয়মিত যাতায়াত করা যাত্রীদের জন্য এই নতুন পরিষেবাটি বিশেষভাবে উপকারী বলে মনে করা হচ্ছে।
advertisement
6/6
দ্রুত এক্সপ্রেস ট্রেনের পাশাপাশি MEMU ও প্যাসেঞ্জার ট্রেন থাকায় সব ধরনের যাত্রীরই সুবিধা হচ্ছে। তবে যাত্রার দিন ট্রেনের ছাড়ার সময়, পৌঁছানোর সময় ও লাইভ রানিং স্ট্যাটাস দেখে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি, কারণ আবহাওয়া বা রেল পরিচালনাজনিত কারণে সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে। সব মিলিয়ে, বাঁকুড়া থেকে হাওড়া—রেলে যাত্রা মানেই এখন আরও বেশি বিকল্প, আরও বেশি সুবিধা এবং আরও নির্ভরযোগ্য সংযোগ।
দ্রুত এক্সপ্রেস ট্রেনের পাশাপাশি MEMU ও প্যাসেঞ্জার ট্রেন থাকায় সব ধরনের যাত্রীরই সুবিধা হচ্ছে। তবে যাত্রার দিন ট্রেনের ছাড়ার সময়, পৌঁছানোর সময় ও লাইভ রানিং স্ট্যাটাস দেখে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি, কারণ আবহাওয়া বা রেল পরিচালনাজনিত কারণে সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে। সব মিলিয়ে, বাঁকুড়া থেকে হাওড়া—রেলে যাত্রা মানেই এখন আরও বেশি বিকল্প, আরও বেশি সুবিধা এবং আরও নির্ভরযোগ্য সংযোগ।
advertisement
advertisement
advertisement