হাতে বাটি, মুখে দুঃখের ছাপ—কিন্তু ব্যাঙ্কে কোটি কোটি টাকা! অবাক করা কিছু সত্যি ঘটনা!
- Published by:Soumendu Chakraborty
Last Updated:
Richest Bagger Story: ভরত জৈন: মুম্বইয়ের বাসিন্দা ভরত জৈনকে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ভিখারি বলে মনে করা হয়। ভরত মূলত ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস এবং আজাদ ময়দানের মতো অভিজাত এলাকায় ভিক্ষা করেন। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৭.৫ কোটি টাকা বলে অনুমান করা হয়। মুম্বইয়ে তাঁর ১.২ কোটি টাকা মূল্যের একটি বিলাসবহুল ২-বিএইচকে ফ্ল্যাট রয়েছে। শুধু তাই নয়, থানেতে তাঁর দুটি দোকানও আছে, যেগুলি থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৩০,০০০ টাকা ভাড়া পান। তাঁর সন্তানরা কনভেন্ট স্কুলে পড়াশোনা করেছে এবং পরিবারটি একটি সফল ব্যবসাও পরিচালনা করে।
ভরত জৈন: মুম্বইয়ের বাসিন্দা ভরত জৈনকে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ভিখারি বলে মনে করা হয়। ভরত মূলত ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস এবং আজাদ ময়দানের মতো অভিজাত এলাকায় ভিক্ষা করেন। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৭.৫ কোটি টাকা বলে অনুমান করা হয়। মুম্বইয়ে তাঁর ১.২ কোটি টাকা মূল্যের একটি বিলাসবহুল ২-বিএইচকে ফ্ল্যাট রয়েছে। শুধু তাই নয়, থানেতে তাঁর দুটি দোকানও আছে, যেগুলি থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৩০,০০০ টাকা ভাড়া পান। তাঁর সন্তানরা কনভেন্ট স্কুলে পড়াশোনা করেছে এবং পরিবারটি একটি সফল ব্যবসাও পরিচালনা করে।
advertisement
লক্ষ্মী দাস: কলকাতার লক্ষ্মী দাস ১৯৬৪ সাল থেকেই ভিক্ষা করা শুরু করেছিলেন। তিনি তাঁর জীবনের ৫০ বছরেরও বেশি সময় কলকাতার রাস্তায় কাটিয়েছেন। যখন তাঁর সম্পদের তথ্য প্রকাশ্যে আসে, তখন সবাই অবাক হয়ে যায়। লক্ষ্মী দাসের ব্যাংকে লক্ষ লক্ষ টাকা জমা ছিল। তিনি প্রতিদিন প্রায় ১,০০০ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করতেন। তাঁর সঞ্চয় এতটাই বেশি ছিল যে বার্ধক্যের জন্য তিনি একটি বড় অঙ্কের ব্যাংক ব্যালান্স গড়ে তুলতে পেরেছিলেন। তাঁর গল্প প্রমাণ করে যে ধারাবাহিকতা যেকোনো কাজকেই ‘কোটিপতি’ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে।
advertisement
গীতা: মুম্বইয়ের চর্নি রোড এলাকায় ভিক্ষা করা গীতার গল্পও বেশ পরিচিত। তিনি প্রায়ই রাস্তার ধারে বসে থাকতে দেখা যান, কিন্তু বাস্তবে তাঁর নিজস্ব একটি ব্যক্তিগত ফ্ল্যাট রয়েছে। জানা যায়, ভিক্ষা করেই গীতা এত টাকা উপার্জন করেছেন যে মুম্বইয়ের মতো ব্যয়বহুল শহরে নিজের বাড়ি কিনতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে থাকেন এবং তাঁর জীবনযাত্রার মান বেশ ভালো। তাঁর দৈনিক আয় এতটাই বেশি যে তা অনেক মধ্যবিত্ত কর্মচারীর বেতনের থেকেও বেশি। (প্রতীকী ছবি)
advertisement
সর্বতিয়া দেবী: পাটনার বাসিন্দা সর্বতিয়া দেবী ভারতের সবচেয়ে পরিচিত নারী ভিখারিদের মধ্যে একজন। তিনি পাটনা রেলওয়ে স্টেশনের কাছে ভিক্ষা করেন। তিনি প্রতি বছর প্রায় ৩৬,০০০ টাকা বীমা প্রিমিয়াম পরিশোধ করেন, যা তাঁর আর্থিক সচেতনতার প্রমাণ। তাঁর নিজস্ব একটি ব্যক্তিগত বাড়ি রয়েছে এবং তিনি তাঁর কন্যার বিয়েতে উল্লেখযোগ্য অর্থ খরচ করেছেন। সর্বতিয়া দেবী ভিক্ষা করে শুধু নিজের জীবনকে সামলাননি, বরং দেশের বিভিন্ন তীর্থ স্থানের ভ্রমণও করেছেন।
advertisement
পাপ্পু কুমার: পাপ্পু কুমার পাটনার রেলওয়ে স্টেশনগুলোতে ভিক্ষা করতেন, কিন্তু একবার পুলিশ তদন্তে তাঁর আসল সম্পদের তথ্য প্রকাশ পায়। পাপ্পুর কাছে প্রায় ১.২৫ কোটি টাকা মূল্যমানের সম্পদ পাওয়া যায়। তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ টাকা জমা ছিল এবং তাঁর নিজের জমিও ছিল। মজার বিষয় হলো, পাপ্পু এক দুর্ঘটনায় পা হারানোর পরই ভিক্ষা করা শুরু করেছিলেন। আজ তিনি কোটি টাকার মালিক, তবুও দীর্ঘ সময় পর্যন্ত রাস্তাকেই তাঁর কর্মক্ষেত্র হিসেবে ধরে রেখেছিলেন।
advertisement
সংশাজি কালেঃ মুম্বইয়ের ভিরার এলাকায় ভিক্ষা করা সংশাজি কালে'র গল্প অনেককেই অবাক করতে পারে। সংশাজি একা নয়, বরং তাঁর পুরো পরিবার (স্ত্রী ও দুই ছেলে) মুম্বইয়ের রাস্তায় ভিক্ষা করে। কিন্তু যখন তাঁর আসল পরিচয় জানা যায়, তখন সত্যিই চমকে যাবেন। সংশাজির কাছে মুম্বইয়ের কাছে ভিরার এলাকায় তাঁর নিজস্ব একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনি সোলাপুরে দুইটি বাড়ি এবং একটি জমির টুকরোও কিনে রেখেছেন। তাঁর আয়ের প্রধান উৎস হলো ভিক্ষা, যার মাধ্যমে তিনি প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা সংগ্রহ করেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনের অনুসারে, সংশাজি বিভিন্ন ব্যাংকে লক্ষ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। তাঁর কাছে সর্বদা হাজার হাজার টাকার নগদ এবং ব্যাংক ব্যালান্সও থাকে। সংশাজির উদাহরণ স্পষ্টভাবে দেখায় যে, মুম্বইয়ের রাস্তায় ছেঁড়া জামা পরে যাদের দেখা যায়, তারা সবাই দারিদ্র্যকে প্রতিফলিত করে না; বরং কিছু লোক এটিকে নিজেদের সম্পদ বাড়ানোর একটি উপায় হিসেবেই ব্যবহার করেছে।









