advertisement

Weekend Trip: দিঘার ভিড় ছেড়ে এবার ঘুরে আসুন লাল কাঁকড়ায় রাঙা অফবিট এই সমুদ্র সৈকত, হোমস্টে থেকে থাকা-খাওয়া সব জলের দরে!

Last Updated:
Weekend Trip: দিঘা-পুরী তো অনেক হল, দিঘা থেকে মাত্র ৫৫ কিমি দূরে ওড়িশার অফবিট সমুদ্র সৈকতে দেখা মিলবে লাল কাঁকড়া ও সারি সারি ঝাউবনের। কম খরচে উইকেন্ড কাটানোর জন্য এটি এক আদর্শ জায়গা
1/6
দিঘা, পুরী তো অনেক হল। এবার চলুন ঘুরে আসি দিঘা থেকে সামান্য দূরে একেবারে নির্জন এক সমুদ্র সৈকত থেকে। কলকাতা থেকে পাঁচ ঘণ্টা দূরে অপূর্ব সুন্দর এই সি বিচ। এখানে নেই কোনও যান্ত্রিক কোলাহল। রয়েছে শুধু পাখিদের কলরব আর ঢেউয়ের ছন্দ। বালুচর জুড়ে লাল কাঁকড়ার দৌড়ঝাঁপ। সমুদ্রপাড় জুড়ে সারি সারি ঝাউবন। প্রিয়জন বা পরিবারের সঙ্গে শান্ত একটা দিন কাটানাতে ঘুরে আসুন ভার্জিন এই সমুদ্র সৈকতে।
দিঘা, পুরী তো অনেক হল। এবার চলুন ঘুরে আসি দিঘা থেকে সামান্য দূরে একেবারে নির্জন এক সমুদ্র সৈকত থেকে। কলকাতা থেকে পাঁচ ঘণ্টা দূরে অপূর্ব সুন্দর এই সি বিচ। এখানে নেই কোনও যান্ত্রিক কোলাহল। রয়েছে শুধু পাখিদের কলরব আর ঢেউয়ের ছন্দ। বালুচর জুড়ে লাল কাঁকড়ার দৌড়ঝাঁপ। সমুদ্রপাড় জুড়ে সারি সারি ঝাউবন। প্রিয়জন বা পরিবারের সঙ্গে শান্ত একটা দিন কাটানাতে ঘুরে আসুন ভার্জিন এই সমুদ্র সৈকতে।
advertisement
2/6
আজ আমরা কথা বলছি দাগারা সমুদ্র সৈকতের। ওড়িশার নতুন এক অফবিট পর্যটন কেন্দ্র এটি। দিঘা থেকে মাত্র ৫৫ কিলোমিটার দূরে । নির্জনতা আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই সৈকত অনেকের কাছেই অজানা। স্থানীয় উচ্চারণে একে অনেকে ‘ডোগরা’ বলেন। যতদূর চোখ যায় সোনালী বালিরাশি। একদিকে বিস্তীর্ণ ঝাউবন, অন্যদিকে উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ। প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এটি এক শান্ত আশ্রয়।
আজ আমরা কথা বলছি দাগারা সমুদ্র সৈকতের। ওড়িশার নতুন এক অফবিট পর্যটন কেন্দ্র এটি। দিঘা থেকে মাত্র ৫৫ কিলোমিটার দূরে । নির্জনতা আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই সৈকত অনেকের কাছেই অজানা। স্থানীয় উচ্চারণে একে অনেকে ‘ডোগরা’ বলেন। যতদূর চোখ যায় সোনালী বালিরাশি। একদিকে বিস্তীর্ণ ঝাউবন, অন্যদিকে উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ। প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এটি এক শান্ত আশ্রয়।
advertisement
3/6
এই সৈকতের বড় আকর্ষণ নিস্তব্ধতা। এখনও এখানে পর্যটকের ভিড় তেমন জমেনি। তাই কয়েক কিলোমিটার জুড়ে জনমানবশূন্য পরিবেশ দেখা যায়। গোটা এলাকা জুড়ে রয়েছে অকৃত্রিম গ্রাম্য সৌন্দর্য। লাল কাঁকড়ার আনাগোনা চোখে পড়ে বারবার। সমুদ্রের ধারে হাঁটলে নানা রকম সামুদ্রিক পাখি সঙ্গ দেয়। প্লোভার আর সি গালের ডাক মন ভাল করে দেয়। প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যাওয়ার এক অনন্য সুযোগ মেলে এখানে।
এই সৈকতের বড় আকর্ষণ নিস্তব্ধতা। এখনও এখানে পর্যটকের ভিড় তেমন জমেনি। তাই কয়েক কিলোমিটার জুড়ে জনমানবশূন্য পরিবেশ দেখা যায়। গোটা এলাকা জুড়ে রয়েছে অকৃত্রিম গ্রাম্য সৌন্দর্য। লাল কাঁকড়ার আনাগোনা চোখে পড়ে বারবার। সমুদ্রের ধারে হাঁটলে নানা রকম সামুদ্রিক পাখি সঙ্গ দেয়। প্লোভার আর সি গালের ডাক মন ভাল করে দেয়। প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যাওয়ার এক অনন্য সুযোগ মেলে এখানে।
advertisement
4/6
কলকাতা থেকে দাগারার দূরত্ব প্রায় ২৩৩ কিলোমিটার। জলেশ্বর হয়ে সড়কপথে পৌঁছাতে সময় লাগে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার মত। গাড়িতে যাত্রা বেশ আরামদায়ক। চাইলে হাওড়া থেকে ট্রেনে জলেশ্বর পৌঁছানো যায়। সেখান থেকে অটো ধরে ৩৫ কিলোমিটার দূরের দাগারায় যেতে হয়। সময় লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা। অটো ভাড়া কম বেশি এক হাজার টাকা। পথের দু'ধারে সবুজ প্রকৃতি যাত্রাকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।
কলকাতা থেকে দাগারার দূরত্ব প্রায় ২৩৩ কিলোমিটার। জলেশ্বর হয়ে সড়কপথে পৌঁছাতে সময় লাগে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার মত। গাড়িতে যাত্রা বেশ আরামদায়ক। চাইলে হাওড়া থেকে ট্রেনে জলেশ্বর পৌঁছানো যায়। সেখান থেকে অটো ধরে ৩৫ কিলোমিটার দূরের দাগারায় যেতে হয়। সময় লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা। অটো ভাড়া কম বেশি এক হাজার টাকা। পথের দু'ধারে সবুজ প্রকৃতি যাত্রাকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।
advertisement
5/6
থাকার ব্যবস্থাও ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে এখানে। খুব বিলাসবহুল হোটেল না থাকলেও আছে আরামদায়ক হোমস্টে। ঝাউবন লাগোয়া নতুন দাগারা নেচার ক্যাম্প পর্যটকদের টানছে। এসি রুমের ভাড়া শুরু প্রায় ১,৪০০ টাকা থেকে। জনপ্রতি ৪০০ টাকায় তিন বেলার খাবারের প্যাকেজ মেলে। ভাত, ডাল, ভাজা আর রুই মাছ থাকে মেনুতে। সন্ধ্যায় চা আর বেগুনি। ডিনারে রুটি, চিকেন কষা ও মিষ্টিও দেওয়া হয়।
থাকার ব্যবস্থাও ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে এখানে। খুব বিলাসবহুল হোটেল না থাকলেও আছে আরামদায়ক হোমস্টে। ঝাউবন লাগোয়া নতুন দাগারা নেচার ক্যাম্প পর্যটকদের টানছে। এসি রুমের ভাড়া শুরু প্রায় ১,৪০০ টাকা থেকে। জনপ্রতি ৪০০ টাকায় তিন বেলার খাবারের প্যাকেজ মেলে। ভাত, ডাল, ভাজা আর রুই মাছ থাকে মেনুতে। সন্ধ্যায় চা আর বেগুনি। ডিনারে রুটি, চিকেন কষা ও মিষ্টিও দেওয়া হয়।
advertisement
6/6
এক পর্যটক তনিমা মাইতি বলেন, “এই সৈকতের শান্ত পরিবেশ দিঘা পুরীর থেকে একেবারেই আলাদা। প্রকৃতির কোলে এমন নিরিবিলি সময় সত্যিই বিরল।” বসন্তের ডাকে এই সৈকতের সৌন্দর্য আরও বেড়ে যায়। আকাশ থাকে পরিষ্কার আর বাতাস থাকে মনোরম। পুরী, দিঘা, মন্দারমণি বা চাঁদিপুর অনেকবার ঘোরা হয়েছে। এবার একটু অন্যরকম অভিজ্ঞতার স্বাদ নিন। ওড়িশার এই অফবিট সমুদ্র সৈকত আপনাকে দেবে নির্জনতার আনন্দ।
এক পর্যটক তনিমা মাইতি বলেন, “এই সৈকতের শান্ত পরিবেশ দিঘা পুরীর থেকে একেবারেই আলাদা। প্রকৃতির কোলে এমন নিরিবিলি সময় সত্যিই বিরল।” বসন্তের ডাকে এই সৈকতের সৌন্দর্য আরও বেড়ে যায়। আকাশ থাকে পরিষ্কার আর বাতাস থাকে মনোরম। পুরী, দিঘা, মন্দারমণি বা চাঁদিপুর অনেকবার ঘোরা হয়েছে। এবার একটু অন্যরকম অভিজ্ঞতার স্বাদ নিন। ওড়িশার এই অফবিট সমুদ্র সৈকত আপনাকে দেবে নির্জনতার আনন্দ।
advertisement
advertisement
advertisement