advertisement

Gynecomastia: অনেক পুরুষই বড় স্তনের কারণে অস্বস্তিতে ভোগেন, অবসাদ নয়, জেনে নিন 'গাইনেকোমাস্টিয়া' কী, কীভাবে এই সমস্যা মেটাবেন

Last Updated:
বড় স্তনের কারণে অনেক পুরুষই হীনমন্যতায় ভোগেন। সঙ্গীর সঙ্গেও অশান্তি দেখা দেয়। অবসাদ নয়, জেনে নিন গাইনেকোমাস্টিয়া আদতে কী? কেন হয়? কীভাবেই বা মোকাবিলা করা যায়
1/5
বহু পুরুষের মধ্যেই স্তন বড় হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। ৮-১০ বছরের শিশুদের স্তন সাধারণ এখতু বড় হয়। কিন্তু সাধারণত ১৬-১৭ বছর বয়সে সেই সমস্যা চলে যায়। কিন্তু যদি দেখেন, বয়স বেড়ে গেলেও স্তন স্বাভাবিক হচ্ছে না, তখনই তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলে গাইনেকোমাস্টিয়া।
বহু পুরুষের মধ্যেই স্তন বড় হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। ৮-১০ বছরের শিশুদের স্তন সাধারণ এখতু বড় হয়। কিন্তু সাধারণত ১৬-১৭ বছর বয়সে সেই সমস্যা চলে যায়। কিন্তু যদি দেখেন, বয়স বেড়ে গেলেও স্তন স্বাভাবিক হচ্ছে না, তখনই তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলে গাইনেকোমাস্টিয়া।
advertisement
2/5
পুরুষদের শরীরে ইস্ট্রোজেন ও টেস্টোস্টেরনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণেই গাইনেকোমাস্টিয়া হয়।  হরমোনের এই অসামঞ্জস্যের কারণে স্তন গ্রন্থির আকার বৃদ্ধি পেতে থাকে।
পুরুষদের শরীরে ইস্ট্রোজেন ও টেস্টোস্টেরনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণেই গাইনেকোমাস্টিয়া হয়। হরমোনের এই অসামঞ্জস্যের কারণে স্তন গ্রন্থির আকার বৃদ্ধি পেতে থাকে।
advertisement
3/5
স্থূলতাও ‘ম্যান বুবস’-এর একটি বড় কারণ। শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমলে বুকে ফ্যাট বেড়ে যায়, যাকে অনেকেই গাইনেকোমাস্টিয়া বলে ভুল করেন।
স্থূলতাও ‘ম্যান বুবস’-এর একটি বড় কারণ। শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমলে বুকে ফ্যাট বেড়ে যায়, যাকে অনেকেই গাইনেকোমাস্টিয়া বলে ভুল করেন।
advertisement
4/5
গাইনেকোমাস্টিয়া এমনিতে নিরীহ, এর থেকে সারীরিক কোনও সমস্যা তৈরি হয় না! কিন্তু স্তন স্বাভাবিকের তুলনায় বড় হলে অনেকেই অস্বস্তিতে ভোগেন। সঙ্গীর কাছেও হীনমন্যতায় ভুগতে পারেন।
গাইনেকোমাস্টিয়া এমনিতে নিরীহ, এর থেকে সারীরিক কোনও সমস্যা তৈরি হয় না! কিন্তু স্তন স্বাভাবিকের তুলনায় বড় হলে অনেকেই অস্বস্তিতে ভোগেন। সঙ্গীর কাছেও হীনমন্যতায় ভুগতে পারেন।
advertisement
5/5
গাইনেকোমাস্টিয়ার কারণে যদি অস্বস্তিতে ভোগেন, প্লাস্টিক সার্জনের দ্বারস্থ হন। কিছু পরীক্ষা করা হয় যার মধ্যে রয়েছে হরোমনের টেস্ট। দেখা গিয়েছে, যাদের মধ্যে হরমোনের সমস্যা বেশি, তাঁরা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সঠিক কারণ নির্ণয় করা অত্যন্ত জরুরি। সময়মতো পরীক্ষা ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে পুরুষরা এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন।
গাইনেকোমাস্টিয়ার কারণে যদি অস্বস্তিতে ভোগেন, প্লাস্টিক সার্জনের দ্বারস্থ হন। কিছু পরীক্ষা করা হয় যার মধ্যে রয়েছে হরোমনের টেস্ট। দেখা গিয়েছে, যাদের মধ্যে হরমোনের সমস্যা বেশি, তাঁরা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন।এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সঠিক কারণ নির্ণয় করা অত্যন্ত জরুরি। সময়মতো পরীক্ষা ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে পুরুষরা এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন।
advertisement
advertisement
advertisement