SIR in West Bengal: 'কীভাবে এই যুক্তি দিচ্ছেন?' বাংলায় এসআইআর মামলায় কমিশনকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের! একের পর এক অভিযোগ কল্যাণ-সিব্বলদের
- Reported by:Maitreyee Bhattacharjee
- news18 bangla
- Published by:Suman Biswas
Last Updated:
SIR in West Bengal: কপিল সিব্বল বলেন, ''নামের বানানে ভুল থাকলেই লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির নোটিস পাঠানো হচ্ছে।'' নির্বাচন কমিশন তরফে পাল্টা বলা হয়, নামের বানানে ভুল থাকলে কাউকেই নোটিস পাঠানো হচ্ছে না।
advertisement
advertisement
এরপরই আদালত পাল্টা কমিশনের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করে, ভারতের মতো দেশে কীভাবে এই যুক্তি দিচ্ছেন? মনে রাখতে হবে, এখানে বাল্যবিবাহ ছিল। কিছু জায়গায় এখনও আছেও। কপিল সিবাল এরপর বলেন, হিয়ারিংয়ের শিডিউল দেওয়া হোক। লজিক‍্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা দেওয়া হোক। এরপরই অপর আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তিন হাজারের বেশি সই করা ফর্ম ধরা পড়েছে গাড়িতে। যেই এফআইআর করা হল, তখন নয়া নির্দেশ এসে গেল।
advertisement
প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এরপরেই বলেন, ''আমরা যথাযথ নির্দেশ দেব। পরে দেখব, কোনও খামতি থাকছে কিনা।'' আইনজীবী শ‍্যাম দিওয়ানও বলেন, সিইও অফিসের থেকে হোয়াটসঅ‍্যাপে নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে। আপনারা ইতিমধ্যেই বলেছেন, বুথ লেভেল এজেন্টদের অ‍্যালাও করা যেতে পারে। কিন্তু কেন হোয়াটসঅ‍্যাপে নির্দেশ পাঠানো হবে?
advertisement
advertisement
সিব্বল এরপর বলেন, ''আপনারা দেখুন হয়রানিটা। মাত্র ৫০০টা শুনানি কেন্দ্র। এত মানুষের হয়রানি হচ্ছে।'' আইনজীবী দ্বিবেদী বলেন, ২৩৪টি এমন কেস পাওয়া গিয়েছে যেটা একজন ব‍্যক্তির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে? দিওয়ান এরপর পাল্টা বলেন, কোথায় এই ধরনের ক্রাইটেরিয়া তৈরির করার যৌক্তিকতা কী? প্রোজেনি, বাবা মায়ের বয়সের তফাৎ কীভাবে ক্রাইটেরিয়া হতে পারে?
advertisement
বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, কিন্তু কিছু খামতি থাকতে পারে। আইনজীবী দিওয়ান বলেন, আপনার কাছে স্ট‍্যাচুয়েটরি ক্ষমতা না থাকলে কীভাবে এরকম ক্রাইটেরিয়া দিতে পারে। আইনজীবী দ্বিবেদী পাল্টা বলেন, ৭ জন লোক পাওয়া গিয়েছে ১০০ জন করে বাচ্চা আছে। তা শুনেই বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই মানবেন ১০০ বাচ্চা হওয়াটা সঠিক তথ‍্য নয়। এরপর সিব্বল বলেন, ''নিশ্চয়ই, কিন্তু তাই বলে ১ কোটি ৩২ লক্ষ মানুষকে স্ক‍্যানারের নীচে নিয়ে আসা হবে?''
advertisement
আজ তিন বিচারপতির বেঞ্চ এসআইআর মামলা শুনছে, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল‍্য বাগচি এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। সেখানেই আদালত বলে, ''ভোটারদের কোনও ইনকনভেনিয়েন্স না হয়ে কারেক্টিং ম‍েজার করতে হবে। আমরা তাই কিছু নির্দেশ দেব। আইনশৃঙ্খলার কোনও সমস‍্যা হলে সেটা দেখা যাবে। ১কোটি ৩২ লক্ষ মানুষকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। আমরা নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশ দেবই।''









