Ranchi Air Ambulance Crash: ইয়ার্কি হচ্ছিল! ব্ল্যাকবক্স ছিল না, ৪ বছর ধরে প্লেনটি ওড়েনি কোনওদিন, ১টি জীবন বাঁচানোর নামে ৭ টি জীবন বলি
- Published by:Debalina Datta
- news18 bangla
Last Updated:
Ranchi Air Ambulance Crash: এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে সাত জনের৷ কারণ খুঁজতে গিয়ে তোলপাড়
কলকাতা: সোমবার রাতে ঝাড়খণ্ডের ছত্রা জেলায় একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে সাতজন নিহত হয়েছেন। কিন্তু এখন দুর্ঘটনার তদন্ত জটিল জায়গায় গিয়ে আটকে গেছে৷ তদন্তকারীদের সামনে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হল বিমানটির নাকি কোনও ব্ল্যাক বক্স (ককপিট ভয়েস রেকর্ডার বা ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার) ছিল না। বেসামরিক বিমান চলাচলের নিয়ম অনুসারে ৫,৭০০ কিলোগ্রামের কম ওজনের বিমানের জন্য সিভিআর বা এফডিআর বাধ্যতামূলক করা হয় না।
advertisement
advertisement
দিল্লি ভিত্তিক রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেড পরিচালিত বিচক্রাফ্ট সি৯০ কিং এয়ার বিমানটি রাঁচি থেকে দিল্লি যাওয়ার সময় কাসারিয়া এলাকার ঘন জঙ্গলে ভেঙে পড়ে। বিমানটিতে রোগী সঞ্জয় কুমার (৪১), একজন ডাক্তার, একজন প্যারামেডিক্যাল স্টাফ, দু'জন বিমান পরিচারক এবং দুজন পাইলট ছিলেন। পাইলট বিবেক বিকাশ ভগত এবং ফার্স্ট অফিসার স্বরাজদীপ সিং বিমানটি চালাচ্ছিলেন। বিকাশ ভগতের প্রায় ১,৪০০ ঘণ্টা উড়ানের অভিজ্ঞতা ছিল, যেখানে স্বরাজদীপ সিংহের ৪৫০ ঘণ্টা উড়ানের অভিজ্ঞতা ছিল।
advertisement
বিমানটি চার বছর ধরে ব্যবহারের বাইরে ছিল।বিমানের আবহাওয়া রাডারে কোনও ত্রুটি ছিল কিনা, যার ফলে ক্রুরা তার রুট থেকে মারাত্মক বিচ্যুতি ঘটিয়েছে কিনা তা নির্ধারণের জন্য এখন একটি তদন্ত পরিচালিত হবে। বিমানটি ১৯৮৭ সালে তৈরি করা হয়েছিল এবং ২০২২ সালে ওরিয়েন্ট ফ্লাইং স্কুল থেকে রেডবার্ড এয়ারওয়েজ অধিগ্রহণ করেছিল। এটি ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ব্যবহারের বাইরে ছিল, যদিও এর পিছনের কারণ স্পষ্ট নয়। মহারাষ্ট্রের ডেপুটি সিএমের লিয়ারজেট দুর্ঘটনার পর ডিজিসিএ সম্প্রতি চার্টার অপারেটরদের একটি বিশেষ অডিটের নির্দেশ দিয়েছে, তবে রেডবার্ডের বিমানটি পরিদর্শন করা হয়েছিল কিনা তা স্পষ্ট নয়।
advertisement
৭টি প্রাণ নিয়ে ছেলেখেলাদুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সকল আরোহীর মৃত্যু হয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭:১১ মিনিটে বিমানটি রাঁচির বিরসা মুন্ডা বিমানবন্দর থেকে উড়েছিল এবং ১০টায় সেটি দিল্লিতে অবতরণের কথা ছিল। রাঁচির এটিসি থেকে ওড়ার পরপরই বিমানটিকে কলকাতা এরিয়া কন্ট্রোলের কাছে হস্তান্তর করে। ওড়ার সময়, খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিমানটি ডানদিকের রুট পরিবর্তনের অনুরোধ করে।
advertisement
এর আগে, একই রুটের দুটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট, এয়ার ইন্ডিয়া এবং ইন্ডিগো, খারাপ আবহাওয়া এড়াতে একটি পরিবর্তনের অনুরোধ করেছিল, কিন্তু ইন্ডিগো বাম দিকে মোড় নেয়। সরকারি সূত্র অনুসারে, রাঁচি থেকে প্রায় ৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে ১৩,৮০০ ফুট উচ্চতায় সন্ধ্যা ৭:২২ মিনিটে শেষ রাডার যোগাযোগ রেকর্ড করা হয়েছিল।
advertisement
কলকাতার কন্ট্রোলারদের সঙ্গে শেষ রেডিও যোগাযোগ ছিল সকাল ৭:৩৪ মিনিটে, এরপর বারাণসীর প্রায় ১০০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পূর্বে বিমানটির যোগাযোগ এবং রাডারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর বারাণসী বা লখনউ এটিসির সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ না থাকায় কলকাতা উদ্ধার সমন্বয় কেন্দ্র অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে।








