advertisement

Why do people rub their eyes after waking up: ঘুম থেকে উঠে চোখ ঘষছেন? স্বস্তি মিললেও ক্ষতি হতে পারে, জানাচ্ছেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ

Last Updated:
Why do people rub their eyes after waking up: অনেকে ঘুম থেকে ওঠার পর স্বাভাবিকভাবেই চোখ ঘষে থাকেন। মনে হতে পারে ঘুমঝিম কেটে যাবে বা চোখ পরিষ্কার হবে, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন—এই অভ্যাস চোখের জন্য উপকারের চেয়ে বেশিরভাগ সময় ক্ষতিকর হতে পারে।
1/7
অনেকে ঘুম থেকে ওঠার পর স্বাভাবিকভাবেই চোখ ঘষে থাকেন। মনে হতে পারে ঘুমঝিম কেটে যাবে বা চোখ পরিষ্কার হবে, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন—এই অভ্যাস চোখের জন্য উপকারের চেয়ে বেশিরভাগ সময় ক্ষতিকর হতে পারে।
অনেকে ঘুম থেকে ওঠার পর স্বাভাবিকভাবেই চোখ ঘষে থাকেন। মনে হতে পারে ঘুমঝিম কেটে যাবে বা চোখ পরিষ্কার হবে, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন—এই অভ্যাস চোখের জন্য উপকারের চেয়ে বেশিরভাগ সময় ক্ষতিকর হতে পারে।
advertisement
2/7
চোখ খুবই সংবেদনশীল অঙ্গ। ঘুম ভাঙার সময়ে বা ক্লান্তির কারণে চোখে অটোমেটিক ঘাম, জল বা ময়লা জমে থাকতে পারে, কিন্তু চোখ ঘষলে আপনি আসলে হাতের ব্যাকটেরিয়া ও ময়লা চোখের ভেতরে ঢোকাতে পারেন, যার ফলে সংক্রমণ বা কনজেকটিভাইটিসের ঝুঁকি বাড়ে।
চোখ খুবই সংবেদনশীল অঙ্গ। ঘুম ভাঙার সময়ে বা ক্লান্তির কারণে চোখে অটোমেটিক ঘাম, জল বা ময়লা জমে থাকতে পারে, কিন্তু চোখ ঘষলে আপনি আসলে হাতের ব্যাকটেরিয়া ও ময়লা চোখের ভেতরে ঢোকাতে পারেন, যার ফলে সংক্রমণ বা কনজেকটিভাইটিসের ঝুঁকি বাড়ে।
advertisement
3/7
ভিশন আই সেন্টার, নিউ দিল্লির মেডিক্যাল ডিরেক্টর ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. তুষার গ্রোভার News18-কে জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠেই চোখ ঘষার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হল চোখের শুষ্কতা। সারা রাত চোখের পলক না পড়ার ফলে চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যায়। এর ফলেই ঘুম ভাঙার পর চোখ শুকনো লাগে এবং অস্বস্তি শুরু হয়। এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই চোখ ঘষেন।
ভিশন আই সেন্টার, নিউ দিল্লির মেডিক্যাল ডিরেক্টর ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. তুষার গ্রোভার News18-কে জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠেই চোখ ঘষার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হল চোখের শুষ্কতা। সারা রাত চোখের পলক না পড়ার ফলে চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যায়। এর ফলেই ঘুম ভাঙার পর চোখ শুকনো লাগে এবং অস্বস্তি শুরু হয়। এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই চোখ ঘষেন।
advertisement
4/7
চোখ ঘষার ফলে অশ্রু উৎপাদনকারী গ্রন্থি সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং চোখে জল আসে, যার ফলে সাময়িকভাবে আরাম পাওয়া যায়। তবে ডা. গ্রোভার সতর্ক করে জানিয়েছেন, বারবার চোখ ঘষলে চোখের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
চোখ ঘষার ফলে অশ্রু উৎপাদনকারী গ্রন্থি সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং চোখে জল আসে, যার ফলে সাময়িকভাবে আরাম পাওয়া যায়। তবে ডা. গ্রোভার সতর্ক করে জানিয়েছেন, বারবার চোখ ঘষলে চোখের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
advertisement
5/7
এছাড়াও চোখ ঘষার আর একটি বড় কারণ হল অ্যালার্জি বা চুলকানি। বাতাসে দূষণ, ধুলোবালি ও অ্যালার্জেনের কারণে চোখে চুলকানি তৈরি হয়, যা মানুষকে চোখ ঘষতে বাধ্য করে। কিন্তু এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে চোখের স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।
এছাড়াও চোখ ঘষার আর একটি বড় কারণ হল অ্যালার্জি বা চুলকানি। বাতাসে দূষণ, ধুলোবালি ও অ্যালার্জেনের কারণে চোখে চুলকানি তৈরি হয়, যা মানুষকে চোখ ঘষতে বাধ্য করে। কিন্তু এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে চোখের স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।
advertisement
6/7
চোখ ঘষার সময় অতিরিক্ত চাপ পড়ায় কর্নিয়া (চোখের পাথর মতো অংশ) ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং এতে দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া বা দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া চোখের চারপাশের কোমল ত্বকে বার বার ঘর্ষণে বলিরেখা বা বয়সের ছাপ দ্রুত দেখা দিতে পারে।
চোখ ঘষার সময় অতিরিক্ত চাপ পড়ায় কর্নিয়া (চোখের পাথর মতো অংশ) ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং এতে দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া বা দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া চোখের চারপাশের কোমল ত্বকে বার বার ঘর্ষণে বলিরেখা বা বয়সের ছাপ দ্রুত দেখা দিতে পারে।
advertisement
7/7
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, চোখে ময়লা বা অস্বস্তি হলে হাত না ঘষে হালকা করে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে চোখের চারপাশ মুছুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। হার্ড স্পর্শ এড়িয়ে নিরাপদ চোখের যত্ন নিন, কারণ ছোট অভ্যাসও বড় সমস্যা ডেকে আনতে পারে। (Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, চোখে ময়লা বা অস্বস্তি হলে হাত না ঘষে হালকা করে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে চোখের চারপাশ মুছুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। হার্ড স্পর্শ এড়িয়ে নিরাপদ চোখের যত্ন নিন, কারণ ছোট অভ্যাসও বড় সমস্যা ডেকে আনতে পারে। (Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)
advertisement
advertisement
advertisement