advertisement

Raise Haemoglobin Level: অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন? হিমোগ্লোবিন কম? গাদাগাদা ওষুধ নয়, সহজ এক পানীয়তেই বাড়বে হিমোগ্লোবিন

Last Updated:
শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা যদি স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায় তখনই হিমোগ্লোবিনের ঘনত্ব কমতে থাকে। তখন সারা শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই শরীর দুর্বল হতে থাকে, ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি দেখা দিতে থাকে।
1/5
সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে হিমোগ্লোবিন বাড়াতে পারে একটি বিশেষ পানীয়। নিয়ম মেনে এক মাস এই পানীয় খেলে অ্যানিমিয়া বাগে আসতে পারে বলে মত চিকিৎসক মহলের একাংশের। বিশেষ করে যাঁদের হিমোগ্লোবিন কম, তাঁদের জন্য এই পানীয় উপকারী বলে মনে করেন চিকিৎসক মিল্টন বিশ্বাস।
সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে হিমোগ্লোবিন বাড়াতে পারে একটি বিশেষ পানীয়। নিয়ম মেনে এক মাস এই পানীয় খেলে অ্যানিমিয়া বাগে আসতে পারে বলে মত চিকিৎসক মহলের একাংশের। বিশেষ করে যাঁদের হিমোগ্লোবিন কম, তাঁদের জন্য এই পানীয় উপকারী বলে মনে করেন চিকিৎসক মিল্টন বিশ্বাস
advertisement
2/5
এই পানীয় তৈরিতে প্রয়োজন কয়েকটি সহজলভ্য ও পুষ্টিগুণে ভরপুর উপকরণ যেমন-- কুলেখাড়া পাতা, গাজর, বিটরুট ও বেদানা। প্রথমে সব উপকরণ ভাল করে পরিষ্কার জলে ধুয়ে নিতে হবে। কুলেখাড়া পাতা আয়রনের ভাল উৎস। গাজর ও বিটরুট রক্ত তৈরিতে সহায়ক
এই পানীয় তৈরিতে প্রয়োজন কয়েকটি সহজলভ্য ও পুষ্টিগুণে ভরপুর উপকরণ যেমন-- কুলেখাড়া পাতা, গাজর, বিটরুট ও বেদানা। প্রথমে সব উপকরণ ভাল করে পরিষ্কার জলে ধুয়ে নিতে হবে। কুলেখাড়া পাতা আয়রনের ভাল উৎস। গাজর ও বিটরুট রক্ত তৈরিতে সহায়ক
advertisement
3/5
চাইলে এই পানীয়ে বেদানা ব্যবহার না করলেও চলবে। বিশেষত যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে বেদানা এড়িয়ে যাওয়াই ভাল বলে মনে করছেন চিকিৎসক মিল্টন বিশ্বাস।
চাইলে এই পানীয়ে বেদানা ব্যবহার না করলেও চলবে। বিশেষত যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে বেদানা এড়িয়ে যাওয়াই ভাল বলে মনে করছেন চিকিৎসক মিল্টন বিশ্বাস।
advertisement
4/5
সব উপকরণ একসঙ্গে মিক্সার গ্রাইন্ডারে দিয়ে, অল্প জল মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর ছাঁকনি দিয়ে রস ছেঁকে নিন। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করে এই পানীয় খাওয়ার নিদান দিচ্ছেন চিকিৎসক।
সব উপকরণ একসঙ্গে মিক্সার গ্রাইন্ডারে দিয়ে, অল্প জল মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর ছাঁকনি দিয়ে রস ছেঁকে নিন। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করে এই পানীয় খাওয়ার নিদান দিচ্ছেন চিকিৎসক।
advertisement
5/5
নিয়মিত এক মাস এই পানীয় খেলে প্রাকৃতিকভাবে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়তে পারে। কিন্তু এক মাস পরেও যদি হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ৭-এর নীচে থাকে, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নিয়মিত এক মাস এই পানীয় খেলে প্রাকৃতিকভাবে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়তে পারে। কিন্তু এক মাস পরেও যদি হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ৭-এর নীচে থাকে, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
advertisement
advertisement
advertisement