One Day Trip Plan: কলকাতা থেকে যেতে লাগবে মাত্র ২-৩ ঘণ্টা, পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে একদিনের শর্ট ট্যুর, কম খরচে করুন দারুণ enjoy
- Reported by:Rintu Panja
- Published by:Pooja Basu
Last Updated:
চারিদিকে সবুজ গাছে ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। মনকে ফুরফুরে করে তুলতে পেয়ে যাবেন নৌকা বিহার, নীল জলের শোভাকে কাছে থেকে পেতে চলে আসুন এখানে।
মাইথন ড্যাম পশ্চিমবঙ্গ আসানসোলের সন্নিকটে একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। শীতের সময় এই পর্যটন কেন্দ্রে কার্যত তিল ধারণের জায়গা থাকে না। আসানসোল শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরেই রয়েছে এই মাইথন ড্যাম। ছুটির দিনে পরিবার হোক বা বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন এই মাইথন ড্যামে। স্বাভাবিকভাবেই আপনার মন চনমনে হয়ে উঠবে। (ছবি ও তথ্য- রিন্টু পাঁজা)
advertisement
এই মাইথন ড্যামে এসে আপনি নৌকা ভাড়া করে নৌকা বিহার করতে পারবেন। জলাধারের জল অনেকটা দেখতে নীল জলের মতো। মনোরঞ্জনের জন্য সেই শোভা কাছে থেকে দেখতে পরিবারের লোকজন হোক বা বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে এসে আপনি নৌকা বিহার করতে পারবেন। তবে আপনাকে অবশ্যই নিরাপত্তার জন্য লাইফ জ্যাকেট পরতে হবে। (ছবি ও তথ্য- রিন্টু পাঁজা)
advertisement
মাইথন ড্যামের এই জলাধারের জলগুলি দেখতে অনেকটা নীলচে বা নীল কালার এর। পাশাপাশি রয়েছে চারিদিকে সবুজ গাছে ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। যে প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনি মোবাইলে বন্দী করলেই কার্যত আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। অনেকে আছেন যারা এই জলাধারের ছবি নিজেদের মোবাইলে বন্দি করেন এবং অনেকেই বন্ধুবান্ধবদের দেখাতে সোশ্যাল মাধ্যমে রিলস তৈরি করেন। (ছবি ও তথ্য- রিন্টু পাঁজা)
advertisement
advertisement
মাইথন ড্যাম থেকে ঘুরে এসে আপনি একটি মন্দিরের দর্শন করতে পারবেন। সেটি হচ্ছে কল্যানেশ্বরী মায়ের মন্দির। মাইথন ডাম থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে কল্যানেশ্বরী মায়ের মন্দির। জনশ্রুতি এটি অনেক জাগ্রত মন্দির। তাই পরিবারের লোকজন বা বন্ধু বান্ধবদের সঙ্গে এসে এখানে পুজো দিতে পারবেন। (ছবি ও তথ্য- রিন্টু পাঁজা)
advertisement
যদি কেউ মনে করেন কলকাতা থেকে বা বর্ধমান থেকে কিভাবে আসবেন এই মাইথন ড্যামে তাহলে জেনে রাখুন। আসানসোল স্টেশনে নেমে বা বাসস্ট্যান্ডে নেমে সোজা পেয়ে যাবেন মাইথন ড্যাম এর বাস। সেখান থেকে বাস ধরেই পৌঁছে যেতে পারবেন মাইথন ড্যামে। ঘুরতে আশা এক পর্যটক ইন্দ্রজিৎ সরকার বলেন "আমি অনেকবার এসেছি এই মাইথন ড্যামে ও কল্যানেশ্বরী মন্দিরে পুজো দেই। খুব ভালো লাগে"।(ছবি ও তথ্য- রিন্টু পাঁজা)







