advertisement

Murshidabad Tourism: হাজারদুয়ারি,নসিপুর রাজবাড়ি, কাঠগোলা প্যালেস...মুর্শিদাবাদের রেশমী ইতিহাসে সওয়ার হয়ে অতীত-দর্শন পর্যটকদের

Last Updated:
Murshidabad Tourism:কাঠগোলা গার্ডেন ও প্যালেসের রাজকীয় প্রেক্ষাপটে, অভিজাত কোঠি, প্রাচীন মসজিদ ও মন্দির, এবং গঙ্গাতীরের সৌন্দর্যের মাঝে তিনদিনের এই উৎসব মুর্শিদাবাদের সেই অতীতকে উদ্‌যাপন করবে, যা একসময় তাকে বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত করেছিল।
1/11
একসময়ের বাংলার নবাবি রাজধানী—ক্ষমতা, ঐশ্বর্য ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র—মুর্শিদাবাদ কেবল মানচিত্রের একটি নাম নয়। এটি এক জীবন্ত উত্তরাধিকার। তার রাজপ্রাসাদ, গঙ্গার ঘাট, রেশম বয়নের তাঁত আর প্রাচীন আচার আজও ইতিহাসের গল্প শোনায়, যা গঙ্গার স্রোতের সঙ্গে যুগে যুগে বহমান।
একসময়ের বাংলার নবাবি রাজধানী—ক্ষমতা, ঐশ্বর্য ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র—মুর্শিদাবাদ কেবল মানচিত্রের একটি নাম নয়। এটি এক জীবন্ত উত্তরাধিকার। তার রাজপ্রাসাদ, গঙ্গার ঘাট, রেশম বয়নের তাঁত আর প্রাচীন আচার আজও ইতিহাসের গল্প শোনায়, যা গঙ্গার স্রোতের সঙ্গে যুগে যুগে বহমান।
advertisement
2/11
৬ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এই ঐতিহাসিক জনপদ আবার ফিরে পাবে তার গৌরবময় অতীত। মুর্শিদাবাদ হেরিটেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মুর্শিদাবাদ হেরিটেজ ফেস্টিভ্যাল ২০২৬—ঐতিহ্য, আভিজাত্য ও জীবন্ত সংস্কৃতির এক অনন্য উৎসব।
৬ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এই ঐতিহাসিক জনপদ আবার ফিরে পাবে তার গৌরবময় অতীত। মুর্শিদাবাদ হেরিটেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মুর্শিদাবাদ হেরিটেজ ফেস্টিভ্যাল ২০২৬—ঐতিহ্য, আভিজাত্য ও জীবন্ত সংস্কৃতির এক অনন্য উৎসব।
advertisement
3/11
কাঠগোলা গার্ডেন ও প্যালেসের রাজকীয় প্রেক্ষাপটে, অভিজাত কোঠি, প্রাচীন মসজিদ ও মন্দির, এবং গঙ্গাতীরের সৌন্দর্যের মাঝে তিনদিনের এই উৎসব মুর্শিদাবাদের সেই অতীতকে উদ্‌যাপন করবে, যা একসময় তাকে বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত করেছিল।
কাঠগোলা গার্ডেন ও প্যালেসের রাজকীয় প্রেক্ষাপটে, অভিজাত কোঠি, প্রাচীন মসজিদ ও মন্দির, এবং গঙ্গাতীরের সৌন্দর্যের মাঝে তিনদিনের এই উৎসব মুর্শিদাবাদের সেই অতীতকে উদ্‌যাপন করবে, যা একসময় তাকে বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত করেছিল।
advertisement
4/11
এই উৎসব দর্শকদের নিয়ে যাবে নবাবি ও বণিক সমাজের পরিশীলিত জীবনধারার গভীরে—যেখানে সংস্কৃতি লালিত হতো সৌন্দর্যের সঙ্গে, খাদ্য ছিল শিল্পের মর্যাদায় উন্নীত, আর স্থাপত্যে প্রতিফলিত হতো শক্তি ও নান্দনিকতার ভারসাম্য। বাছাই করা হেরিটেজ ওয়াক, রাজপ্রাসাদ দর্শন, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, নৌভ্রমণ ও সংগীতসন্ধ্যা মিলিয়ে তৈরি হবে এক সময়ভ্রমণের অভিজ্ঞতা, যা আজও বর্তমানের সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যায়।
এই উৎসব দর্শকদের নিয়ে যাবে নবাবি ও বণিক সমাজের পরিশীলিত জীবনধারার গভীরে—যেখানে সংস্কৃতি লালিত হতো সৌন্দর্যের সঙ্গে, খাদ্য ছিল শিল্পের মর্যাদায় উন্নীত, আর স্থাপত্যে প্রতিফলিত হতো শক্তি ও নান্দনিকতার ভারসাম্য। বাছাই করা হেরিটেজ ওয়াক, রাজপ্রাসাদ দর্শন, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, নৌভ্রমণ ও সংগীতসন্ধ্যা মিলিয়ে তৈরি হবে এক সময়ভ্রমণের অভিজ্ঞতা, যা আজও বর্তমানের সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যায়।
advertisement
5/11
হাজারদুয়ারি প্রাসাদ, কাটরা মসজিদ, নশিপুর রাজবাড়ি, কাঠগোলা প্যালেস, বাড়ি কোঠি, জৈন কোঠি, জগৎ শেঠ জাদুঘর ও তান্তিপাড়ার ঐতিহাসিক অলিগলি—এই সবকিছুই আবিষ্কার করবেন দর্শকরা, পাশে নিরবচ্ছিন্ন সাক্ষী হয়ে বয়ে চলবে গঙ্গা।
হাজারদুয়ারি প্রাসাদ, কাটরা মসজিদ, নশিপুর রাজবাড়ি, কাঠগোলা প্যালেস, বাড়ি কোঠি, জৈন কোঠি, জগৎ শেঠ জাদুঘর ও তান্তিপাড়ার ঐতিহাসিক অলিগলি—এই সবকিছুই আবিষ্কার করবেন দর্শকরা, পাশে নিরবচ্ছিন্ন সাক্ষী হয়ে বয়ে চলবে গঙ্গা।
advertisement
6/11
রানি ভবানীর মতো কিংবদন্তি ব্যক্তিত্বদের নিয়ে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, আজিমগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ, নদীর বুকে চা-সম্ভাষণ, গঙ্গা আরতি, আতশবাজি ও সংগীতানুষ্ঠান—সব মিলিয়ে উৎসবটি হয়ে উঠবে আবেগ, আনন্দ ও আত্মসমীক্ষার এক মিলনমেলা।
রানি ভবানীর মতো কিংবদন্তি ব্যক্তিত্বদের নিয়ে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, আজিমগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ, নদীর বুকে চা-সম্ভাষণ, গঙ্গা আরতি, আতশবাজি ও সংগীতানুষ্ঠান—সব মিলিয়ে উৎসবটি হয়ে উঠবে আবেগ, আনন্দ ও আত্মসমীক্ষার এক মিলনমেলা।
advertisement
7/11
রানি ভবানীর মতো কিংবদন্তি ব্যক্তিত্বদের নিয়ে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, আজিমগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ, নদীর বুকে চা-সম্ভাষণ, গঙ্গা আরতি, আতশবাজি ও সংগীতানুষ্ঠান—সব মিলিয়ে উৎসবটি হয়ে উঠবে আবেগ, আনন্দ ও আত্মসমীক্ষার এক মিলনমেলা।
রানি ভবানীর মতো কিংবদন্তি ব্যক্তিত্বদের নিয়ে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, আজিমগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ, নদীর বুকে চা-সম্ভাষণ, গঙ্গা আরতি, আতশবাজি ও সংগীতানুষ্ঠান—সব মিলিয়ে উৎসবটি হয়ে উঠবে আবেগ, আনন্দ ও আত্মসমীক্ষার এক মিলনমেলা।
advertisement
8/11
উৎসবের এক বিশেষ আকর্ষণ মুর্শিদাবাদের সমৃদ্ধ রন্ধন-ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। শেহেরওয়ালি পরিবারের পরিশীলিত গৃহস্থালি রেসিপি থেকে শুরু করে ঘাটের ধারে জনপ্রিয় পথখাবার—সবকিছুই থাকবে এই স্বাদযাত্রায়। হাউস অব শেহেরওয়ালি, বাড়ি কোঠি ও কাঠগোলা প্যালেসের মতো ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ হোটেলে অতিথিরা উপভোগ করবেন ইতিহাসের সঙ্গে মিশে থাকা এক অনন্য গ্যাস্ট্রোনমিক অভিজ্ঞতা।
উৎসবের এক বিশেষ আকর্ষণ মুর্শিদাবাদের সমৃদ্ধ রন্ধন-ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। শেহেরওয়ালি পরিবারের পরিশীলিত গৃহস্থালি রেসিপি থেকে শুরু করে ঘাটের ধারে জনপ্রিয় পথখাবার—সবকিছুই থাকবে এই স্বাদযাত্রায়। হাউস অব শেহেরওয়ালি, বাড়ি কোঠি ও কাঠগোলা প্যালেসের মতো ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ হোটেলে অতিথিরা উপভোগ করবেন ইতিহাসের সঙ্গে মিশে থাকা এক অনন্য গ্যাস্ট্রোনমিক অভিজ্ঞতা।
advertisement
9/11
উৎসবটি বিশেষভাবে আলোকপাত করবে তান্তিপাড়ার উপর—মুর্শিদাবাদ রেশমের কিংবদন্তি কেন্দ্র। সূক্ষ্ম মুর্শিদাবাদি সিল্ক শাড়ি, জটিল বয়নকৌশল এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলা দক্ষ কারিগরির ঐতিহ্য আজও বাংলার বস্ত্রশিল্পের গৌরব বহন করে চলেছে। শিল্প, কারুশিল্প ও গল্পকথার মাধ্যমে সম্মান জানানো হবে সেই তাঁতিদের, যাঁদের হাতে এই অমূল্য ঐতিহ্য আজও জীবিত।
উৎসবটি বিশেষভাবে আলোকপাত করবে তান্তিপাড়ার উপর—মুর্শিদাবাদ রেশমের কিংবদন্তি কেন্দ্র। সূক্ষ্ম মুর্শিদাবাদি সিল্ক শাড়ি, জটিল বয়নকৌশল এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলা দক্ষ কারিগরির ঐতিহ্য আজও বাংলার বস্ত্রশিল্পের গৌরব বহন করে চলেছে। শিল্প, কারুশিল্প ও গল্পকথার মাধ্যমে সম্মান জানানো হবে সেই তাঁতিদের, যাঁদের হাতে এই অমূল্য ঐতিহ্য আজও জীবিত।
advertisement
10/11
উৎসব প্রসঙ্গে MHDS-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শ্রী সন্দীপ নাওলাখা বলেন, “মুর্শিদাবাদ শুধু একটি পর্যটনস্থল নয়, এটি ভারতের ইতিহাসের এক জীবন্ত অধ্যায়। এই উৎসবের মাধ্যমে আমরা চাই মানুষ তার আত্মাকে অনুভব করুক—তার ঐতিহাসিক পথ ধরে হাঁটুক, তার ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নিক এবং যে উত্তরাধিকার একসময় বাংলাকে সংজ্ঞায়িত করেছিল, তাকে উপলব্ধি করুক। আমাদের লক্ষ্য গর্বকে পুনর্জাগ্রত করা, ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা এবং অর্থনৈতিকভাবে টেকসই উপায়ে মুর্শিদাবাদের দরজা বিশ্বের সামনে খুলে দেওয়া।”
উৎসব প্রসঙ্গে MHDS-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শ্রী সন্দীপ নাওলাখা বলেন, “মুর্শিদাবাদ শুধু একটি পর্যটনস্থল নয়, এটি ভারতের ইতিহাসের এক জীবন্ত অধ্যায়। এই উৎসবের মাধ্যমে আমরা চাই মানুষ তার আত্মাকে অনুভব করুক—তার ঐতিহাসিক পথ ধরে হাঁটুক, তার ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নিক এবং যে উত্তরাধিকার একসময় বাংলাকে সংজ্ঞায়িত করেছিল, তাকে উপলব্ধি করুক। আমাদের লক্ষ্য গর্বকে পুনর্জাগ্রত করা, ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা এবং অর্থনৈতিকভাবে টেকসই উপায়ে মুর্শিদাবাদের দরজা বিশ্বের সামনে খুলে দেওয়া।”
advertisement
11/11
মুর্শিদাবাদ হেরিটেজ ফেস্টিভ্যাল কেবল একটি উৎসব নয় এটি সেই জগতে প্রবেশের এক বিরল সুযোগ, যেখানে ইতিহাস, শিল্প ও আভিজাত্য আজও অমলিন হয়ে বেঁচে আছে।
মুর্শিদাবাদ হেরিটেজ ফেস্টিভ্যাল কেবল একটি উৎসব নয় এটি সেই জগতে প্রবেশের এক বিরল সুযোগ, যেখানে ইতিহাস, শিল্প ও আভিজাত্য আজও অমলিন হয়ে বেঁচে আছে।
advertisement
advertisement
advertisement