Low Sperm Count: এই ‘৭’ কারণে শরীরে হু হু করে কমে যায় শুক্রাণু! কমে যায় উদ্দামতা! সন্তান উৎপাদনে সমস্যা! পুরুষরা মন দিয়ে পড়ুন!
- Published by:Arpita Roy Chowdhury
Last Updated:
Low Sperm Count:শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকলে স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণের সম্ভাবনা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায় না, তবে এটি গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।
অনেকে মনে করেন সন্তানধারণে উর্বরতা কেবল নারীদের সমস্যা, কিন্তু পুরুষদের বন্ধ্যাত্ব আপনার ধারণার চেয়েও বেশি সাধারণ। অলিগোস্পার্মিয়া হলো পুরুষদের উর্বরতা সংক্রান্ত এমনই একটি সমস্যা, যার বৈশিষ্ট্য হলো শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকা। অন্য কথায়, যৌন উত্তেজনার চরম মুহূর্তে আপনার শরীর থেকে যে তরল (বীর্য) নির্গত হয়, তাতে স্বাভাবিকের চেয়ে শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুসারে, আপনার প্রতি মিলিলিটার (mL) বীর্যে ১৫ মিলিয়নের কম শুক্রাণু থাকলে, আপনার শুক্রাণুর সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কম বলে ধরা হয়। এই সীমার নিচে যে কোনও পরিমাণকে অলিগোস্পার্মিয়া বলা হয়। বলছেন বিশেষজ্ঞ সারাংশ জৈন।
advertisement
শুক্রাণুর সম্পূর্ণ অনুপস্থিতিকে অ্যাজোস্পার্মিয়া বলা হয়। বীর্য পরীক্ষার মাধ্যমে শুক্রাণুর স্বল্পতা নির্ণয় করা হয়। যদি আপনার গর্ভধারণে সমস্যা হয়, তবে আপনার শুক্রাণুর কিছু সম্ভাব্য সমস্যা পরীক্ষা করার জন্য ডাক্তার বীর্য পরীক্ষা করতে পারেন। এই পরীক্ষায় শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণমান, সচলতা এবং অস্বাভাবিক ও স্বাভাবিক গঠন পরীক্ষা করা হয়। শুক্রাণুর সংখ্যা ওঠানামা করা স্বাভাবিক, বিশেষ করে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে। কিন্তু এমন বেশ কিছু শারীরিক অবস্থা এবং জীবনযাত্রাগত কারণ রয়েছে যা অলিগোস্পার্মিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
advertisement
ভ্যারিকোসেল: এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে অণ্ডকোষকে ধারণকারী চামড়ার ঢিলেঢালা থলির (স্ক্রোটাম) ভেতরের শিরাগুলো স্ফীত হয়ে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস তৈরি করতে পারে, যা অণ্ডকোষে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহে ব্যাঘাত ঘটায় এবং এর ফলে টেস্টোস্টেরন উৎপাদন কমে যেতে পারে। অনেকে মনে করেন উর্বরতা কেবল নারীদের সমস্যা, কিন্তু পুরুষদের বন্ধ্যাত্ব আপনার ধারণার চেয়েও বেশি সাধারণ। অলিগোস্পার্মিয়া হলো পুরুষদের উর্বরতা সংক্রান্ত এমনই একটি সমস্যা, যার বৈশিষ্ট্য হলো শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকা।
advertisement
advertisement
ঔষধ: অ্যান্টিবায়োটিকের মতো ঔষধ এবং রক্তচাপের ওষুধ বীর্যপাতের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে এবং শুক্রাণুর সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে। শুক্রাণুর সম্পূর্ণ অনুপস্থিতিকে অ্যাজোস্পার্মিয়া বলা হয়। বীর্য পরীক্ষার মাধ্যমে শুক্রাণুর স্বল্পতা নির্ণয় করা হয়। যদি আপনার গর্ভধারণে সমস্যা হয়, তবে আপনার শুক্রাণুর কিছু সম্ভাব্য সমস্যা পরীক্ষা করার জন্য ডাক্তার বীর্য পরীক্ষা করতে পারেন। এই পরীক্ষায় শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণমান, সচলতা এবং অস্বাভাবিক ও স্বাভাবিক গঠন পরীক্ষা করা হয়।
advertisement
রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন: এমন একটি অবস্থা যখন বীর্য লিঙ্গের অগ্রভাগ দিয়ে বের হওয়ার পরিবর্তে মূত্রাশয়ে প্রবেশ করে। শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকলে স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণের সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায় না, তবে এটি গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। আপনার শুক্রাণু যত কম থাকবে, আপনার সঙ্গীকে গর্ভবতী করার সম্ভাবনাও তত কম হবে। নিষেক আরও কঠিন হতে পারে এবং বন্ধ্যাত্বের সমস্যা নেই এমন দম্পতিদের তুলনায় গর্ভধারণ করতে আরও বেশিবার চেষ্টা করতে হতে পারে।
advertisement
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: মস্তিষ্ক এবং অণ্ডকোষ বেশ কিছু হরমোন তৈরি করে যা শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য দায়ী। এই হরমোনগুলোর যেকোনো একটির ভারসাম্যহীনতা শুক্রাণুর সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে। তবে মনে রাখবেন, অলিগোস্পার্মিয়া থাকা সত্ত্বেও গর্ভধারণ করা সম্ভব। শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকা সত্ত্বেও অলিগোস্পার্মিয়ায় আক্রান্ত অনেক পুরুষ তাদের সঙ্গীর ডিম্বাণু নিষিক্ত করতে সক্ষম হন।
advertisement
ওজন: অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা বিভিন্ন উপায়ে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। অতিরিক্ত ওজন সরাসরি আপনার শরীরের শুক্রাণু তৈরির ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। তাই কর্মপরিকল্পনার প্রথম ধাপ হলো বীর্য পরীক্ষা করানো। এর থেকে আপনি চিকিৎসার পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন অথবা গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়াতে পারে এমন উপায়গুলো খুঁজে দেখতে পারেন।
advertisement
অ্যালকোহল এবং মাদকদ্রব্য: মারিজুয়ানা এবং কোকেন সহ কিছু পদার্থের ব্যবহার শুক্রাণুর সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে। অতিরিক্ত মদ্যপানও একই কাজ করতে পারে। যেসব পুরুষ ধূমপান করেন, তাদের শুক্রাণুর সংখ্যা অধূমপায়ীদের তুলনায় কম হতে পারে। অলিগোস্পার্মিয়ার চিকিৎসা আপনার অবস্থার উপর নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।








