‘নকল’ থেকে সাবধান ! স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে ভেজাল পনির শনাক্ত করার ৩ সহজ কৌশল শিখুন এখনই

Last Updated:
Tips To Detect Fake Paneer: কিছু সহজ ঘরোয়া কৌশলের সাহায্যে দ্রুত আসল আর নকল পনিরের তফাত বোঝা যেতে পারে।
1/5
বেশিরভাগ মানুষই পনির খেতে পছন্দ করেন। নিরামিষাশীদের জন্য পনিরকে প্রোটিনের একটি ভাল উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যে কারণে এর ব্যবহারও বেশি। তবে, বাজারে ভেজাল দেওয়া নকল পনিরও প্রচুর পরিমাণে বিক্রি হচ্ছে যা স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক। কিছু সহজ ঘরোয়া কৌশলের সাহায্যে দ্রুত আসল আর নকল পনিরের তফাত বোঝা যেতে পারে। (Representative Image)
বেশিরভাগ মানুষই পনির খেতে পছন্দ করেন। নিরামিষাশীদের জন্য পনিরকে প্রোটিনের একটি ভাল উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যে কারণে এর ব্যবহারও বেশি। তবে, বাজারে ভেজাল দেওয়া নকল পনিরও প্রচুর পরিমাণে বিক্রি হচ্ছে যা স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক। কিছু সহজ ঘরোয়া কৌশলের সাহায্যে দ্রুত আসল আর নকল পনিরের তফাত বোঝা যেতে পারে। (Representative Image)
advertisement
2/5
গরম জল দিয়ে পরীক্ষা: এক গ্লাস গরম জলে পনিরের একটি ছোট টুকরো রাখতে হবে। যদি পনির আসল হয়, তবে এটি তার জায়গায় থাকবে এবং জলে কিছুটা নরম হয়ে যাবে। যদি পনির জলে রাখার পরে গলে যেতে শুরু করে বা আঠালো হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে যে এতে কৃত্রিম পদার্থ যোগ করা হয়েছে। এই পরীক্ষাটি তাৎক্ষণিকভাবে বলে দেবে সেই পনির নকল কি না। (Representative Image)
গরম জল দিয়ে পরীক্ষা: এক গ্লাস গরম জলে পনিরের একটি ছোট টুকরো রাখতে হবে। যদি পনির আসল হয়, তবে এটি তার জায়গায় থাকবে এবং জলে কিছুটা নরম হয়ে যাবে। যদি পনির জলে রাখার পরে গলে যেতে শুরু করে বা আঠালো হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে যে এতে কৃত্রিম পদার্থ যোগ করা হয়েছে। এই পরীক্ষাটি তাৎক্ষণিকভাবে বলে দেবে সেই পনির নকল কি না। (Representative Image)
advertisement
3/5
আয়োডিন দিয়ে পরীক্ষা: নকল পনির শনাক্ত করার জন্য এটি একটি অত্যন্ত কার্যকর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। প্রথমে, একটি আয়োডিন দ্রবণ কিনতে হবে। তারপর, একটি ছোট পনিরের টুকরো নিতে হবে এবং এতে কয়েক ফোঁটা আয়োডিন দ্রবণ যোগ করতে হবে। যদি পনির ভেজালযুক্ত হয়, তাহলে রঙ নীল বা কালো হয়ে যাবে। তবে, আসল পনিরের আয়োডিন ব্যবহার করলে রঙ পরিবর্তন হয় না। এই পরীক্ষাটি সবচেয়ে সহজ এবং সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, বিশেষ করে যদি কেউ খোলা বাজার থেকে পনির কিনে থাকেন। (Representative Image)
আয়োডিন দিয়ে পরীক্ষা: নকল পনির শনাক্ত করার জন্য এটি একটি অত্যন্ত কার্যকর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। প্রথমে, একটি আয়োডিন দ্রবণ কিনতে হবে। তারপর, একটি ছোট পনিরের টুকরো নিতে হবে এবং এতে কয়েক ফোঁটা আয়োডিন দ্রবণ যোগ করতে হবে। যদি পনির ভেজালযুক্ত হয়, তাহলে রঙ নীল বা কালো হয়ে যাবে। তবে, আসল পনিরের আয়োডিন ব্যবহার করলে রঙ পরিবর্তন হয় না। এই পরীক্ষাটি সবচেয়ে সহজ এবং সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, বিশেষ করে যদি কেউ খোলা বাজার থেকে পনির কিনে থাকেন। (Representative Image)
advertisement
4/5
গঠন এবং স্বাদের পার্থক্য:  আসল পনিরের গঠন কিছুটা দানাদার এবং নরম, অন্য দিকে নকল পনির রবারের মতো মনে হয়। যদি কেউ এটিতে আঙুল দিয়ে চাপ দেয় এবং এটি খুব শক্ত মনে হয় বা জল ছেড়ে দেয়, তবে এতে রাসায়নিক বা সিন্থেটিক ফ্যাট থাকে। আসল পনিরের হালকা মিষ্টি এবং দুধের মতো স্বাদ হয়, অন্য দিকে নকল পনিরে সামান্য তিক্ততা থাকতে পারে। (Representative Image)
গঠন এবং স্বাদের পার্থক্য:  আসল পনিরের গঠন কিছুটা দানাদার এবং নরম, অন্য দিকে নকল পনির রবারের মতো মনে হয়। যদি কেউ এটিতে আঙুল দিয়ে চাপ দেয় এবং এটি খুব শক্ত মনে হয় বা জল ছেড়ে দেয়, তবে এতে রাসায়নিক বা সিন্থেটিক ফ্যাট থাকে। আসল পনিরের হালকা মিষ্টি এবং দুধের মতো স্বাদ হয়, অন্য দিকে নকল পনিরে সামান্য তিক্ততা থাকতে পারে। (Representative Image)
advertisement
5/5
নকল পনির শনাক্ত করা কেন গুরুত্বপূর্ণ: ভেজাল পনিরে ব্যবহৃত রাসায়নিক এবং ডিটারজেন্ট লিভার, কিডনি এবং পাচনতন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি খাওয়ার ফলে শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমা হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। এটি শিশু এবং বয়স্কদের জন্য আরও বিপজ্জনক। এই কারণেই নকল পনির কীভাবে শনাক্ত করতে হয় তা জানা উচিত। ভেজাল এড়াতে সর্বদা বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডের পনির বা ঘরে তৈরি ছানা ব্যবহার করা উচিত। দুধ ফুটিয়ে লেবু বা ভিনিগার মিশিয়ে ছানা কাটানোই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি। একটু সময় গেলেও তা নিজেদের স্বাস্থ্যকে গুরুতর সমস্যা থেকে বাঁচাতে পারে। (Disclaimer: প্রতিবেদনের লেখা তথ্য News18 বাংলার নিজস্ব মত নয় ৷ সঠিক ফল পাওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করুন ৷ )
নকল পনির শনাক্ত করা কেন গুরুত্বপূর্ণ: ভেজাল পনিরে ব্যবহৃত রাসায়নিক এবং ডিটারজেন্ট লিভার, কিডনি এবং পাচনতন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি খাওয়ার ফলে শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমা হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। এটি শিশু এবং বয়স্কদের জন্য আরও বিপজ্জনক। এই কারণেই নকল পনির কীভাবে শনাক্ত করতে হয় তা জানা উচিত। ভেজাল এড়াতে সর্বদা বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডের পনির বা ঘরে তৈরি ছানা ব্যবহার করা উচিত। দুধ ফুটিয়ে লেবু বা ভিনিগার মিশিয়ে ছানা কাটানোই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি। একটু সময় গেলেও তা নিজেদের স্বাস্থ্যকে গুরুতর সমস্যা থেকে বাঁচাতে পারে। (Disclaimer: প্রতিবেদনের লেখা তথ্য News18 বাংলার নিজস্ব মত নয় ৷ সঠিক ফল পাওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করুন ৷ )
advertisement
advertisement
advertisement