advertisement

Cervical Cancer: ভারতে প্রতি ৮ মিনিটে একজন মহিলা সার্ভাইক্যাল ক্যানসারে মারা যান, কীভাবে নিজেকে এই রোগ থেকে বাঁচাবেন? কোন উপসর্গ ভয়ের? জানাচ্ছেন চিকিৎসক

Last Updated:
যে ক্যানসার মহিলাদের শরীরে সবচেয়ে বেশি হানা দেয়, জরায়ুমুখের ক্যানসার তার মধ্যে অন্যতম। পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি বছর কয়েক লক্ষ মহিলা মারা যান এই রোগে আক্রান্ত হয়ে
1/7
ক্যানসার যে কাউকে এবং যে কোনও বয়সে আক্রমণ করতে পারে। বেশিরভাগ ক্যানসারের নির্দিষ্ট কারণ চিহ্নিত করা কঠিন হলেও, এমন কিছু ক্যানসার রয়েছে যেগুলি থেকে মানুষ সচেতনভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন। মহিলাদের ক্ষেত্রে সার্ভাইক্যাল ক্যানসার বা জরায়ুমুখের ক্যানসার তেমনই একটি রোগ।
ক্যানসার যে কাউকে এবং যে কোনও বয়সে আক্রমণ করতে পারে। বেশিরভাগ ক্যানসারের নির্দিষ্ট কারণ চিহ্নিত করা কঠিন হলেও, এমন কিছু ক্যানসার রয়েছে যেগুলি থেকে মানুষ সচেতনভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন। মহিলাদের ক্ষেত্রে সার্ভাইক্যাল ক্যানসার বা জরায়ুমুখের ক্যানসার তেমনই একটি রোগ।
advertisement
2/7
HCG Cancer Centre-এর কনসালট্যান্ট রেডিয়েশন ও গাইনোকোলজিক্যাল (অনকোলজি) ডাঃ দুর্বা কুরকুরে জানান, '' ক্যানসার বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমি প্রায়ই ৩০ বা ৪০-এর কোঠায় থাকা এমন অনেক মহিলার সঙ্গে দেখা করি, যাঁদের সার্ভাইক্যাল ক্যানসার ধরা পড়েছে। তাঁরা প্রায়ই আমাকে একই কথা বলেন— ‘এত তাড়াতাড়ি এই বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে, তা বুঝতেই পারিনি। সত্যিটা হল, ২০-৩০ এর মধ্যেই সক্রিয়ভাবে সার্ভিক্যাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমিয়ে ফেলা যায়। কীভাবে?
HCG Cancer Centre-এর কনসালট্যান্ট রেডিয়েশন ও গাইনোকোলজিক্যাল (অনকোলজি) ডাঃ দুর্বা কুরকুরে জানান, '' ক্যানসার বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমি প্রায়ই ৩০ বা ৪০-এর কোঠায় থাকা এমন অনেক মহিলার সঙ্গে দেখা করি, যাঁদের সার্ভাইক্যাল ক্যানসার ধরা পড়েছে। তাঁরা প্রায়ই আমাকে একই কথা বলেন— ‘এত তাড়াতাড়ি এই বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে, তা বুঝতেই পারিনি। সত্যিটা হল, ২০-৩০ এর মধ্যেই সক্রিয়ভাবে সার্ভিক্যাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমিয়ে ফেলা যায়। কীভাবে?
advertisement
3/7
সার্ভিক্যাল ক্যানসার অনেকটাই প্রতিরোধযোগ্য। জরায়ুর একেবারে নীচের অংশকে বলা হয় সারভিক্স। সুরক্ষাবিহীন যৌন সম্পর্কের ফলে শরীরে বাসা বাঁধে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি)। এই ভাইরাসটিই মেয়েদের জরায়ুমুখের ক্যানসারের সবচেয়ে বড় কারণ। অল্প বয়স থেকে যৌনজীবন শুরু, একাধিক যৌনসঙ্গী, ধূমপায়ী ও ঋতুচক্রের বিষয়ে উদাসীন হলে এই রোগের ঝুঁকি বাড়ে। ক্রনিক অসুখ, এইচআইভি, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এই অসুখের রিস্ক ফ্যাক্টর।
সার্ভিক্যাল ক্যানসার অনেকটাই প্রতিরোধযোগ্য। জরায়ুর একেবারে নীচের অংশকে বলা হয় সারভিক্স। সুরক্ষাবিহীন যৌন সম্পর্কের ফলে শরীরে বাসা বাঁধে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি)। এই ভাইরাসটিই মেয়েদের জরায়ুমুখের ক্যানসারের সবচেয়ে বড় কারণ। অল্প বয়স থেকে যৌনজীবন শুরু, একাধিক যৌনসঙ্গী, ধূমপায়ী ও ঋতুচক্রের বিষয়ে উদাসীন হলে এই রোগের ঝুঁকি বাড়ে। ক্রনিক অসুখ, এইচআইভি, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এই অসুখের রিস্ক ফ্যাক্টর।
advertisement
4/7
HPV ভ্যাকসিন– ২০-৩০ বছরের মধ্যে HPV ভ্যাকসিন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। যদি ইতিমধ্যেই যৌনভাবে সক্রিয়  থাকেন, তবে তা আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই টিকা HPV ভাইরাসের বিভিন্ন স্ট্রেনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়, যেগুলি সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের কারণ হতে পারে।
HPV ভ্যাকসিন– ২০-৩০ বছরের মধ্যে HPV ভ্যাকসিন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। যদি ইতিমধ্যেই যৌনভাবে সক্রিয় থাকেন, তবে তা আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই টিকা HPV ভাইরাসের বিভিন্ন স্ট্রেনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়, যেগুলি সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের কারণ হতে পারে।
advertisement
5/7
প্রারম্ভিক স্ক্রিনিং-- বছরে দু’বার প্যাপ স্মিয়ার পরীক্ষা করাতে হবে। সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের প্রথম ধাপে প্রায় কোনও উপসর্গই দেখা যায় না।

 জরায়ুমুখে ক্যানসার প্রি-ক্যানসারাস স্টেজে শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসা সফল হওয়ার বেশি সম্ভাবনা। ২০-৩০ বছরের মধ্যে অবশ্যই প্রথম স্ক্রিনিং জরুরি।  ২০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে প্রথম স্ক্রিনিং করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
প্রারম্ভিক স্ক্রিনিং--বছরে দু’বার প্যাপ স্মিয়ার পরীক্ষা করাতে হবে। সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের প্রথম ধাপে প্রায় কোনও উপসর্গই দেখা যায় না।জরায়ুমুখে ক্যানসার প্রি-ক্যানসারাস স্টেজে শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসা সফল হওয়ার বেশি সম্ভাবনা। ২০-৩০ বছরের মধ্যে অবশ্যই প্রথম স্ক্রিনিং জরুরি। ২০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে প্রথম স্ক্রিনিং করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
advertisement
6/7
জীবনযাপনের প্রভাব-- জীবনযাপনের নানা দিকও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ধূমপান সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, কারণ এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে এবং HPV সংক্রমণ দূর করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ কমানো এবং পর্যাপ্ত ঘুমও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, যৌনস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা।
জীবনযাপনের প্রভাব--জীবনযাপনের নানা দিকও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ধূমপান সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, কারণ এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে এবং HPV সংক্রমণ দূর করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ কমানো এবং পর্যাপ্ত ঘুমও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, যৌনস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা।
advertisement
7/7
জীবনযাপনের প্রভাব-- জীবনযাপনের নানা দিকও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ধূমপান সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, কারণ এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে এবং HPV সংক্রমণ দূর করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ কমানো এবং পর্যাপ্ত ঘুমও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, যৌনস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা।
জীবনযাপনের প্রভাব--জীবনযাপনের নানা দিকও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ধূমপান সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, কারণ এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে এবং HPV সংক্রমণ দূর করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ কমানো এবং পর্যাপ্ত ঘুমও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, যৌনস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা।
advertisement
advertisement
advertisement