Drumstick Health Benefit: টিকা-ওষুধের পাশাপাশি বসন্ত রোগে ভরসা ঘরোয়া পদ্ধতি, পাতে রাখুন 'এই' শাক ও ডাটা

Last Updated:
West Medinipur News: বসন্ত রোগ থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষার জন্য টিকাকরণই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তবে টিকার পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ঘরোয়া প্রতিরোধমূলক পদ্ধতি ও সজনে শাক–ডাটার মতো পুষ্টিকর খাবার শরীরকে ভিতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে।
1/6
বসন্ত রোগ বা চিকেনপক্স একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে বড়রাও আক্রান্ত হতে পারেন। এই রোগে জ্বর, শরীর ব্যথা ও সারা শরীরে চুলকানিযুক্ত ফোসকার মতো দানা দেখা যায়। আধুনিক চিকিৎসার পাশাপাশি ঘরোয়া পদ্ধতিতে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে বসন্ত রোগের প্রকোপ কমানো ও দ্রুত আরোগ্য লাভ করা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
বসন্ত রোগ বা চিকেনপক্স একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে বড়রাও আক্রান্ত হতে পারেন। এই রোগে জ্বর, শরীর ব্যথা ও সারা শরীরে চুলকানিযুক্ত ফোসকার মতো দানা দেখা যায়। আধুনিক চিকিৎসার পাশাপাশি ঘরোয়া পদ্ধতিতে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে বসন্ত রোগের প্রকোপ কমানো ও দ্রুত আরোগ্য লাভ করা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
advertisement
2/6
ঘরোয়া পদ্ধতিতে বসন্ত প্রতিরোধের প্রথম শর্ত হল শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী রাখা। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া ও প্রচুর জল পান করা অত্যন্ত জরুরি। নিম পাতা, তুলসি পাতা ও মধু মিশ্রিত কুসুম গরম জল শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। এছাড়া জ্বর বা অস্বস্তি দেখা দিলে বাড়িতে আলাদা থাকা ও অন্যদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলাও সংক্রমণ রোধে কার্যকর।
ঘরোয়া পদ্ধতিতে বসন্ত প্রতিরোধের প্রথম শর্ত হল শরীরকে শক্ত রাখা, অর্থাৎ ইমিউনিটি বাড়ানো। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া ও প্রচুর জল পান করা অত্যন্ত জরুরি। নিম পাতা, তুলসি পাতা ও মধু মিশ্রিত কুসুম গরম জল শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। এছাড়া জ্বর বা অস্বস্তি দেখা দিলে বাড়িতে আলাদা থাকা ও অন্যদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলাও সংক্রমণ রোধে কার্যকর।
advertisement
3/6
এই প্রেক্ষাপটে সজনে শাক একটি অত্যন্ত উপকারী ঘরোয়া খাদ্য। সজনে শাকে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদ ভাস্বতী দাস মন্তব্য করেন, নিয়মিত সজনে শাক খেলে রক্ত পরিষ্কার হয় এবং ভাইরাসজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ শক্তি সক্রিয় থাকে বলে মনে করা হয়।
এই প্রেক্ষাপটে সজনে শাক একটি অত্যন্ত উপকারী ঘরোয়া খাদ্য। সজনে শাকে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদ ভাস্বতী দাস মন্তব্য করেন, নিয়মিত সজনে শাক খেলে রক্ত পরিষ্কার হয় এবং ভাইরাসজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ শক্তি সক্রিয় থাকে বলে মনে করা হয়।
advertisement
4/6
শুধু সজনে শাক নয়, সজনে ডাটাও স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর। সজনে ডাটায় রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন বি ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান, যা হজম শক্তি উন্নত করে এবং শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে। বসন্ত রোগের সময় শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে; সে ক্ষেত্রে সজনে ডাটার হালকা ঝোল বা সিদ্ধ পদ শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায়।
শুধু সজনে শাক নয়, সজনে ডাটাও স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর। সজনে ডাটায় রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন বি ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান, যা হজম শক্তি উন্নত করে এবং শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে। বসন্ত রোগের সময় শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, সে ক্ষেত্রে সজনে ডাটার হালকা ঝোল বা সিদ্ধ পদ শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায়।
advertisement
5/6
লোকজ চিকিৎসায় বিশ্বাস করা হয়, বসন্ত রোগের সময় সজনে শাক ও ডাটা নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে ফোসকা দ্রুত শুকোয় এবং চুলকানির প্রবণতা কমে। পাশাপাশি নিম পাতার জল দিয়ে স্নান বা নিম পাতার পেস্ট ব্যবহার করলেও ত্বকের জ্বালা ও সংক্রমণ কমতে পারে। তবে এগুলি শুধুমাত্র সহায়ক পদ্ধতি হিসেবেই বিবেচিত।
আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় বিশ্বাস করা হয়, বসন্ত রোগের সময় সজনে শাক ও ডাটা নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে ফোসকা দ্রুত শুকোয় এবং চুলকানির প্রবণতা কমে। পাশাপাশি নিম পাতার জল দিয়ে স্নান বা নিম পাতার পেস্ট ব্যবহার করলেও ত্বকের জ্বালা ও সংক্রমণ কমতে পারে। তবে এগুলি শুধুমাত্র সহায়ক পদ্ধতি হিসেবেই বিবেচিত।
advertisement
6/6
সবশেষে বলা যায়, বসন্ত রোগ থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষার জন্য টিকাকরণই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তবে টিকার পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ঘরোয়া প্রতিরোধমূলক পদ্ধতি ও সজনে শাক–ডাটার মতো পুষ্টিকর খাবার শরীরকে ভিতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে। সচেতনতা ও প্রাকৃতিক উপায়ের সমন্বয়েই বসন্ত রোগ মোকাবিলা করা সম্ভব।
সবশেষে বলা যায়, বসন্ত রোগ থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষার জন্য টিকাকরণই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তবে টিকার পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ঘরোয়া প্রতিরোধমূলক পদ্ধতি ও সজনে শাক–ডাটার মতো পুষ্টিকর খাবার শরীরকে ভিতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে। সচেতনতা ও প্রাকৃতিক উপায়ের সমন্বয়েই বসন্ত রোগ মোকাবিলা করা সম্ভব।
advertisement
advertisement
advertisement