advertisement

Donald Trump Tariff: এবার কি ভারতকে টাকা ফেরত দেবে আমেরিকা? এক-দুই নয়...কয়েকশো কোটি! নিজের ফাঁদে নিজে ফাঁসলেন ট্রাম্প

Last Updated:
মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট তাঁদের রায়ে জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ভাবে আমেরিকার উন্নতির দোহাই দিয়ে বিশ্বের সব দেশের উপরে কর চাপিয়েছে, তা সম্পূর্ণ বেআইনি৷
1/9
বেআইনি ভাবে বিশ্বের তাবড় দেশের উপরে একার সিদ্ধান্তে করের বোঝা চাপিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ ভারত, আফ্রিকা থেকে শুরু করে চিন, রাশিয়া, কেউ বাদ পড়েনি ট্রাম্পের কোপ থেকে৷ কিন্তু, এই এতদিন, যে বিপুল অর্থ শুল্ক আমেরিকা নিয়েছে, তা কি এবার ফেরত দিতে হবে ভারত, আফ্রিকার মতো সব দেশকে? মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর প্রথমেই উঠছে এই প্রশ্ন৷ তেমনটা হলে আমেরিকার কোষাগার থেকে মুহূর্তে উড়ে যাবে কয়েকশো বিলিয়ন অর্থ, যা মার্কিন অর্থনীতির জন্য খুব একটা সুখকর হবে না৷
বেআইনি ভাবে বিশ্বের তাবড় দেশের উপরে একার সিদ্ধান্তে করের বোঝা চাপিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ ভারত, আফ্রিকা থেকে শুরু করে চিন, রাশিয়া, কেউ বাদ পড়েনি ট্রাম্পের কোপ থেকে৷ কিন্তু, এই এতদিন, যে বিপুল অর্থ শুল্ক আমেরিকা নিয়েছে, তা কি এবার ফেরত দিতে হবে ভারত, আফ্রিকার মতো সব দেশকে? মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর প্রথমেই উঠছে এই প্রশ্ন৷ তেমনটা হলে আমেরিকার কোষাগার থেকে মুহূর্তে উড়ে যাবে কয়েকশো বিলিয়ন অর্থ, যা মার্কিন অর্থনীতির জন্য খুব একটা সুখকর হবে না৷
advertisement
2/9
 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বড় ধাক্কা দিয়েছে Supreme Court of the United States। আদালত রায় দিয়েছে যে, তার প্রশাসন যে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপ করেছিল, তা আইনসম্মত ছিল না। এর ফলে মার্কিন সরকারকে কয়েকশো বিলিয়ন ডলার ফেরত দিতে হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বড় ধাক্কা দিয়েছে Supreme Court of the United States। আদালত রায় দিয়েছে যে, তার প্রশাসন যে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপ করেছিল, তা আইনসম্মত ছিল না। এর ফলে মার্কিন সরকারকে কয়েকশো বিলিয়ন ডলার ফেরত দিতে হতে পারে।
advertisement
3/9
এদিন বেঞ্চে ৬–৩ ভোটে আদালত জানায়, মার্কিন আইন International Emergency Economic Powers Act (IEEPA) কোনও প্রেসিডেন্টকে একতরফাভাবে সব দেশের উপর বড় আকারের শুল্ক বসানোর ক্ষমতা দেয় না। ১৯৭৭ সালে পাশ হওয়া এই আইন কেবল আমেরিকার কোনও জরুরি অবস্থায় কিছু আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করার অনুমতি দেয়, কিন্তু সব পণ্যের উপর সাধারণভাবে শুল্ক বসানোর ক্ষমতা দেয় না বলে জানিয়েছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট।
এদিন বেঞ্চে ৬–৩ ভোটে আদালত জানায়, মার্কিন আইন International Emergency Economic Powers Act (IEEPA) কোনও প্রেসিডেন্টকে একতরফাভাবে সব দেশের উপর বড় আকারের শুল্ক বসানোর ক্ষমতা দেয় না। ১৯৭৭ সালে পাশ হওয়া এই আইন কেবল আমেরিকার কোনও জরুরি অবস্থায় কিছু আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করার অনুমতি দেয়, কিন্তু সব পণ্যের উপর সাধারণভাবে শুল্ক বসানোর ক্ষমতা দেয় না বলে জানিয়েছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট।
advertisement
4/9
একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে, Supreme Court of the United States শুক্রবার জানিয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট Donald Trump যে একতরফা ভবে বিশ্বের একাধিক দেশের পণ্য আমদানির উপরে অতিরিক্ত ট্যারিফ বসিয়েছিলেন তা আদতে ফেডারেল আইনভঙ্গ করা। এই রায় ট্রাম্পের কঠোর বাণিজ্য নীতির জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করেছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এবং পাশাপাশি, এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতেও পড়তে পারে বলে মত তাঁদের।
একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে, Supreme Court of the United States শুক্রবার জানিয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট Donald Trump যে একতরফা ভবে বিশ্বের একাধিক দেশের পণ্য আমদানির উপরে অতিরিক্ত ট্যারিফ বসিয়েছিলেন তা আদতে ফেডারেল আইনভঙ্গ করা। এই রায় ট্রাম্পের কঠোর বাণিজ্য নীতির জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করেছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এবং পাশাপাশি, এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতেও পড়তে পারে বলে মত তাঁদের।
advertisement
5/9
প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস John Roberts সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত লেখেন। আদালত ৬–৩ ভোটে সিদ্ধান্ত দেয় যে এই শুল্কগুলো আইনের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এই শুল্কের ফলে ভারত ও ব্রাজিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার দেশের ওপর ৫০% পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। কংগ্রেস অতীতে খুব স্পষ্টভাবে এবং নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট যদি ইচ্ছেমতো জরুরি অবস্থা দেখিয়ে শুল্ক বসাতে পারেন, তাহলে তা হবে নির্বাহী ক্ষমতার বড় ধরনের সম্প্রসারণ। তিনি আরও বলেন, “আমেরিকা তো বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে যুদ্ধে নেই।”
প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস John Roberts সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত লেখেন। আদালত ৬–৩ ভোটে সিদ্ধান্ত দেয় যে এই শুল্কগুলো আইনের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এই শুল্কের ফলে ভারত ও ব্রাজিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার দেশের ওপর ৫০% পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। কংগ্রেস অতীতে খুব স্পষ্টভাবে এবং নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট যদি ইচ্ছেমতো জরুরি অবস্থা দেখিয়ে শুল্ক বসাতে পারেন, তাহলে তা হবে নির্বাহী ক্ষমতার বড় ধরনের সম্প্রসারণ। তিনি আরও বলেন, “আমেরিকা তো বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে যুদ্ধে নেই।”
advertisement
6/9
এখন কী হবে? আদালতের রায় অনুযায়ী, এই শুল্কগুলো আর কার্যকর থাকবে না। মার্কিন কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে (আমদানি–রফতানি দফতর) এসব শুল্ক আদায় বন্ধ করতে হবে। যেসব মামলা বা জরিমানা এসব শুল্কের সঙ্গে জড়িত ছিল, সেগুলোও স্থগিত বা বাতিল হতে পারে।
এখন কী হবে? আদালতের রায় অনুযায়ী, এই শুল্কগুলো আর কার্যকর থাকবে না। মার্কিন কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে (আমদানি–রফতানি দফতর) এসব শুল্ক আদায় বন্ধ করতে হবে। যেসব মামলা বা জরিমানা এসব শুল্কের সঙ্গে জড়িত ছিল, সেগুলোও স্থগিত বা বাতিল হতে পারে।
advertisement
7/9
এই রায়ের সুদূরপ্রসারী পরিণতি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷ যার সম্ভাব্য প্রভাব পড়বে বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রবাহ, ব্যবসা, মুদ্রাস্ফীতির মাত্রা এবং দেশব্যাপী আমেরিকানদের আর্থিক অবস্থার উপর। শুল্কের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ প্রশাসন কীভাবে ফেরত দেবে, সে বিষয়েও রায়ে স্পষ্ট করে কোনও পথনির্দেশিকা দেওয়া হয়নি।
এই রায়ের সুদূরপ্রসারী পরিণতি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷ যার সম্ভাব্য প্রভাব পড়বে বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রবাহ, ব্যবসা, মুদ্রাস্ফীতির মাত্রা এবং দেশব্যাপী আমেরিকানদের আর্থিক অবস্থার উপর। শুল্কের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ প্রশাসন কীভাবে ফেরত দেবে, সে বিষয়েও রায়ে স্পষ্ট করে কোনও পথনির্দেশিকা দেওয়া হয়নি।
advertisement
8/9
 তাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন অর্থ ফেরত দেওয়া নিয়ে। যেসব সংস্থা এই শুল্ক হিসেবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দিয়েছে, তারা টাকা ফেরত চাইতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ১৭৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি শুল্ক ফেরতের দাবি উঠতে পারে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, প্রয়োজন হলে আমেরিকার অর্থ মন্ত্রক এই টাকা ফেরত দিতে প্রস্তুত থাকবে। তবে আদালত সতর্ক করেছে যে, টাকা ফেরতের পুরো প্রক্রিয়াটি জটিল হতে পারে।
তাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন অর্থ ফেরত দেওয়া নিয়ে। যেসব সংস্থা এই শুল্ক হিসেবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দিয়েছে, তারা টাকা ফেরত চাইতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ১৭৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি শুল্ক ফেরতের দাবি উঠতে পারে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, প্রয়োজন হলে আমেরিকার অর্থ মন্ত্রক এই টাকা ফেরত দিতে প্রস্তুত থাকবে। তবে আদালত সতর্ক করেছে যে, টাকা ফেরতের পুরো প্রক্রিয়াটি জটিল হতে পারে।
advertisement
9/9
মার্কিন অর্থনীতিতে প্রভাব: এই শুল্ক তুলে নেওয়া হলে অন্য দেশেকে আমেরিকায় আনা স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম, ইলেকট্রনিকস, যন্ত্রপাতি এবং বিভিন্ন ভোক্তা পণ্যের আমদানি খরচ কমতে পারে। কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হয়তো কম দামে পণ্য বিক্রি করে ভোক্তাদের সুবিধা দিতে পারে, তবে সব ক্ষেত্রেই দাম কমবে— এমন নিশ্চয়তা নেই। এছাড়া, শুল্কের কারণে যে সরবরাহ ব্যবস্থা (সাপ্লাই চেইন) ব্যাহত হয়েছিল, তা আবার স্বাভাবিক হতে পারে। এতে উৎপাদক ও বিক্রেতাদের খরচ কমতে পারে এবং বাণিজ্য পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে।
মার্কিন অর্থনীতিতে প্রভাব: এই শুল্ক তুলে নেওয়া হলে অন্য দেশেকে আমেরিকায় আনা স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম, ইলেকট্রনিকস, যন্ত্রপাতি এবং বিভিন্ন ভোক্তা পণ্যের আমদানি খরচ কমতে পারে। কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হয়তো কম দামে পণ্য বিক্রি করে ভোক্তাদের সুবিধা দিতে পারে, তবে সব ক্ষেত্রেই দাম কমবে— এমন নিশ্চয়তা নেই। এছাড়া, শুল্কের কারণে যে সরবরাহ ব্যবস্থা (সাপ্লাই চেইন) ব্যাহত হয়েছিল, তা আবার স্বাভাবিক হতে পারে। এতে উৎপাদক ও বিক্রেতাদের খরচ কমতে পারে এবং বাণিজ্য পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে।
advertisement
advertisement
advertisement