Bangladesh Election 2026: তাঁর শরীরেও মুক্তিযোদ্ধার রক্ত, মেজর জিয়ার সন্তান যে! তারেকের উত্থানে হারল মৌলবাদ, জিতল বাংলাদেশ
- Published by:Satabdi Adhikary
- news18 bangla
Last Updated:
বাবা একাধারে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা, সেনাপ্রধান এবং অষ্টম রাষ্ট্রপতি৷ চট্টগ্রামের গুপ্তহত্যায় মৃত্যু৷ সেই জিয়াউর রহমানের রক্তই বইছে তারেক রহমানের শরীরে৷
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এক স্তম্ভ যদি শেখ মুজিবর রহমান হন৷ তাহলে মুক্তিযুদ্ধের অন্যপ্রান্তে সমুজ্জ্বল ছিল আরেক নাম, জিয়াউর রহমান৷ একাধারে সেনা এবং মুক্তিযোদ্ধা৷ পরবর্তীকালে যিনি হন স্বাধীন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি৷ তাঁর স্ত্রী খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী৷ ২০২৬ সালের নির্বাচনে জিয়াউরের প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি-ই ফের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরেছে বাংলাদেশে৷ তাঁর ছেলে তারেক রহমান হতে চলেছেন সেদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী৷
advertisement
advertisement
সেই সময়ে ‘মেজর জিয়া’র সেই কণ্ঠস্বর আশাভরসা জুগিয়েছিল বাংলাদেশের বহু মানুষকে৷ অনেকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে৷ ১৯৫৩ সালেই কাকুল মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অফিসার ক্যাডেট রূপে যোগদান করেছিলেন। ১৯৭১-এ তিনি পাক সেনাবাহিনীর সদস্য হিসাবেই কর্মরত ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানে৷ কিন্তু, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পরে তিনি তাঁর পাকিস্তানি সেনানায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
advertisement
advertisement
advertisement
তিনি প্রবর্তন করেন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। তাঁর মতে, বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডে বসবাসকারী সবাই, হোক সে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কিংবা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ, সবার পরিচয় একটাই, তারা বাংলাদেশি। এই অসাধারণ রাজনৈতিক দর্শন সামনে রেখে তিনি গ্রাম থেকে গ্রামে ছুটে বেড়ান। একাধারে তিনি ২০ থেকে ৩০ মাইল পর্যন্ত হেঁটে প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের সঙ্গে হাত মেলাতেন, তাঁদের কথা শুনতেন।
advertisement
advertisement
advertisement
জিয়াউর রহমানের একেবারে ছেলেবেলার কিছুটা সময় কেটেছিল কলকাতায়৷ দেশভাগের আগে তিনি কলকাতার হেয়ার স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন৷ পরে তাঁর বাবা কলকাতার সরকারি দফতরের রসায়নবিদের চাকরি ছেড়ে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান৷ তাঁর সঙ্গে ছেলে জিয়াউরও করাচি চলে যান৷ উর্দু ও ইংরেজি ভাষায় শিক্ষাগ্রহণ করায় তিনি বাংলায় কথা বলতে পারলেও বাংলা লিখতে ও পড়তে পারতেন না। ১৯৫৩ সালেই তিনি কাকুল মিলিটারি একাডেমিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অফিসার ক্যাডেট রূপে যোগদান করেন।







