advertisement

Bangladesh Election 2026: তাঁর শরীরেও মুক্তিযোদ্ধার রক্ত, মেজর জিয়ার সন্তান যে! তারেকের উত্থানে হারল মৌলবাদ, জিতল বাংলাদেশ

Last Updated:
বাবা একাধারে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা, সেনাপ্রধান এবং অষ্টম রাষ্ট্রপতি৷ চট্টগ্রামের গুপ্তহত্যায় মৃত্যু৷ সেই জিয়াউর রহমানের রক্তই বইছে তারেক রহমানের শরীরে৷
1/9
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এক স্তম্ভ যদি শেখ মুজিবর রহমান হন৷ তাহলে মুক্তিযুদ্ধের অন্যপ্রান্তে সমুজ্জ্বল ছিল আরেক নাম, জিয়াউর রহমান৷ একাধারে সেনা এবং মুক্তিযোদ্ধা৷ পরবর্তীকালে যিনি হন স্বাধীন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি৷ তাঁর স্ত্রী খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী৷ ২০২৬ সালের নির্বাচনে জিয়াউরের প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি-ই ফের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরেছে বাংলাদেশে৷ তাঁর ছেলে তারেক রহমান হতে চলেছেন সেদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী৷
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এক স্তম্ভ যদি শেখ মুজিবর রহমান হন৷ তাহলে মুক্তিযুদ্ধের অন্যপ্রান্তে সমুজ্জ্বল ছিল আরেক নাম, জিয়াউর রহমান৷ একাধারে সেনা এবং মুক্তিযোদ্ধা৷ পরবর্তীকালে যিনি হন স্বাধীন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি৷ তাঁর স্ত্রী খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী৷ ২০২৬ সালের নির্বাচনে জিয়াউরের প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি-ই ফের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরেছে বাংলাদেশে৷ তাঁর ছেলে তারেক রহমান হতে চলেছেন সেদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী৷
advertisement
2/9
১৯৭১ সাল৷ পশ্চিম পাকিস্তানের হানাদারদের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন পূর্ব পাকিস্তানের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান৷ গ্রেফতার হওয়ার আগে তিনি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশকে৷ সেইসময়, কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে ভেসে এসেছিল এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, ‘আমি মেজর জিয়া বলছি।’
১৯৭১ সাল৷ পশ্চিম পাকিস্তানের হানাদারদের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন পূর্ব পাকিস্তানের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান৷ গ্রেফতার হওয়ার আগে তিনি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশকে৷ সেইসময়, কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে ভেসে এসেছিল এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, ‘আমি মেজর জিয়া বলছি।’
advertisement
3/9
সেই সময়ে ‘মেজর জিয়া’র সেই কণ্ঠস্বর আশাভরসা জুগিয়েছিল বাংলাদেশের বহু মানুষকে৷ অনেকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে৷ ১৯৫৩ সালেই কাকুল মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অফিসার ক্যাডেট রূপে যোগদান করেছিলেন। ১৯৭১-এ তিনি পাক সেনাবাহিনীর সদস্য হিসাবেই কর্মরত ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানে৷ কিন্তু, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পরে তিনি তাঁর পাকিস্তানি সেনানায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
সেই সময়ে ‘মেজর জিয়া’র সেই কণ্ঠস্বর আশাভরসা জুগিয়েছিল বাংলাদেশের বহু মানুষকে৷ অনেকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে৷ ১৯৫৩ সালেই কাকুল মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অফিসার ক্যাডেট রূপে যোগদান করেছিলেন। ১৯৭১-এ তিনি পাক সেনাবাহিনীর সদস্য হিসাবেই কর্মরত ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানে৷ কিন্তু, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পরে তিনি তাঁর পাকিস্তানি সেনানায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
advertisement
4/9
জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কম্যান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।
জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কম্যান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।
advertisement
5/9
শুধু তাই নয় ১৯৭৭ সালে ২১ এপ্রিল তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন৷ সেই সময় তিনি একাধারে বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের দায়িত্বও পালন করছেন৷ পরে ১৯৭৮ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন জিয়াউর৷ এরপরেই ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তাঁর হাতে তৈরি হয়, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি৷
শুধু তাই নয় ১৯৭৭ সালে ২১ এপ্রিল তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন৷ সেই সময় তিনি একাধারে বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের দায়িত্বও পালন করছেন৷ পরে ১৯৭৮ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন জিয়াউর৷ এরপরেই ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তাঁর হাতে তৈরি হয়, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি৷
advertisement
6/9
তিনি প্রবর্তন করেন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। তাঁর মতে, বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডে বসবাসকারী সবাই, হোক সে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কিংবা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ, সবার পরিচয় একটাই, তারা বাংলাদেশি। এই অসাধারণ রাজনৈতিক দর্শন সামনে রেখে তিনি গ্রাম থেকে গ্রামে ছুটে বেড়ান। একাধারে তিনি ২০ থেকে ৩০ মাইল পর্যন্ত হেঁটে প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের সঙ্গে হাত মেলাতেন, তাঁদের কথা শুনতেন।
তিনি প্রবর্তন করেন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। তাঁর মতে, বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডে বসবাসকারী সবাই, হোক সে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কিংবা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ, সবার পরিচয় একটাই, তারা বাংলাদেশি। এই অসাধারণ রাজনৈতিক দর্শন সামনে রেখে তিনি গ্রাম থেকে গ্রামে ছুটে বেড়ান। একাধারে তিনি ২০ থেকে ৩০ মাইল পর্যন্ত হেঁটে প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের সঙ্গে হাত মেলাতেন, তাঁদের কথা শুনতেন।
advertisement
7/9
জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি ছিল এতটাই কার্যকর যে আজকের বাংলাদেশেও তা সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।  এই ২০২৬-এর নির্বাচনেও তাই বিএনপি-র ইস্তেহারে গুরুত্ব পেয়েছে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী–খালখনন ও পুনঃখননের প্রসঙ্গ৷ জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই শুরু হয়েছে বর্তমান বাংলাদেশের আয়ের মূল উৎস পোশাক শিল্প৷
জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি ছিল এতটাই কার্যকর যে আজকের বাংলাদেশেও তা সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। এই ২০২৬-এর নির্বাচনেও তাই বিএনপি-র ইস্তেহারে গুরুত্ব পেয়েছে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী–খালখনন ও পুনঃখননের প্রসঙ্গ৷ জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই শুরু হয়েছে বর্তমান বাংলাদেশের আয়ের মূল উৎস পোশাক শিল্প৷
advertisement
8/9
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে গুপ্ত হত্যা করা হয় জিয়াউর রহমানকে৷ পরে ঢাকায় তাঁকে কবর দেওয়া হয়৷
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে গুপ্ত হত্যা করা হয় জিয়াউর রহমানকে৷ পরে ঢাকায় তাঁকে কবর দেওয়া হয়৷
advertisement
9/9
জিয়াউর রহমানের একেবারে ছেলেবেলার কিছুটা সময় কেটেছিল কলকাতায়৷ দেশভাগের আগে তিনি কলকাতার হেয়ার স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন৷ পরে তাঁর বাবা কলকাতার সরকারি দফতরের রসায়নবিদের চাকরি ছেড়ে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান৷ তাঁর সঙ্গে ছেলে জিয়াউরও করাচি চলে যান৷  উর্দু ও ইংরেজি ভাষায় শিক্ষাগ্রহণ করায় তিনি বাংলায় কথা বলতে পারলেও বাংলা লিখতে ও পড়তে পারতেন না। ১৯৫৩ সালেই তিনি কাকুল মিলিটারি একাডেমিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অফিসার ক্যাডেট রূপে যোগদান করেন।
জিয়াউর রহমানের একেবারে ছেলেবেলার কিছুটা সময় কেটেছিল কলকাতায়৷ দেশভাগের আগে তিনি কলকাতার হেয়ার স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন৷ পরে তাঁর বাবা কলকাতার সরকারি দফতরের রসায়নবিদের চাকরি ছেড়ে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান৷ তাঁর সঙ্গে ছেলে জিয়াউরও করাচি চলে যান৷ উর্দু ও ইংরেজি ভাষায় শিক্ষাগ্রহণ করায় তিনি বাংলায় কথা বলতে পারলেও বাংলা লিখতে ও পড়তে পারতেন না। ১৯৫৩ সালেই তিনি কাকুল মিলিটারি একাডেমিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অফিসার ক্যাডেট রূপে যোগদান করেন।
advertisement
advertisement
advertisement