Bank 5 Days Working: ব্যাঙ্ক কর্মচারীরা এবার থেকে কি সপ্তাহে ২ দিন ছুটি পাবেন ? কী জানাল ব্যাঙ্ক ইউনিয়নগুলি

Last Updated:
Bank 5 Days Working: ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের জন্য সপ্তাহে দু’দিন ছুটির দাবি নিয়ে আবারও সরব হয়েছে ইউনিয়নগুলি। এই প্রতিবেদনে জানুন ৫ দিনের কর্মসপ্তাহ চালু হওয়ার সম্ভাবনা কতটা এবং ইউনিয়নগুলি ঠিক কী বলেছে।
1/5
যদি জানুয়ারির শেষের দিকে আপনার ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত কোনও জরুরি কাজ থাকে, তাহলে এই খবরটি আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের ইউনিয়নগুলি ৫ দিনের কর্মসপ্তাহের দাবিতে বড় ঘোষণা করেছে। ইউনিয়নগুলির দাবি, তাদের দাবি মানা না হলে ২৭ জানুয়ারি সারা দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘট ডাকা হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই ধর্মঘটের প্রভাব টানা তিন দিন পর্যন্ত ব্যাঙ্কিং পরিষেবার উপর পড়তে পারে।
যদি জানুয়ারির শেষের দিকে আপনার ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত কোনও জরুরি কাজ থাকে, তাহলে এই খবরটি আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের ইউনিয়নগুলি ৫ দিনের কর্মসপ্তাহের দাবিতে বড় ঘোষণা করেছে। ইউনিয়নগুলির দাবি, তাদের দাবি মানা না হলে ২৭ জানুয়ারি সারা দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘট ডাকা হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই ধর্মঘটের প্রভাব টানা তিন দিন পর্যন্ত ব্যাঙ্কিং পরিষেবার উপর পড়তে পারে।
advertisement
2/5
দেশের ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের ইউনিয়নগুলি আবারও সরকার ও ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের উপর চাপ বাড়িয়েছে। ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের সমস্ত প্রধান ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সংগঠন ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্যাঙ্ক ইউনিয়নস (United Forum of Bank Unions) সতর্ক করে দিয়েছে যে, যদি ৫ দিনের কর্মসপ্তাহ চালু না করা হয়, তাহলে ২৭ জানুয়ারি সারা দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘট ডাকা হবে।
দেশের ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের ইউনিয়নগুলি আবারও সরকার ও ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের উপর চাপ বাড়িয়েছে। ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের সমস্ত প্রধান ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সংগঠন ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্যাঙ্ক ইউনিয়নস (United Forum of Bank Unions) সতর্ক করে দিয়েছে যে, যদি ৫ দিনের কর্মসপ্তাহ চালু না করা হয়, তাহলে ২৭ জানুয়ারি সারা দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘট ডাকা হবে।
advertisement
3/5
যদি ধর্মঘট হয়, তবে তার প্রভাব শুধু এক দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। আসলে ২৫ জানুয়ারি শনিবার এবং ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের সরকারি ছুটি রয়েছে। এর পর ২৭ জানুয়ারি যদি ধর্মঘট হয়, তাহলে টানা তিন দিন ব্যাঙ্কের কাজকর্ম প্রভাবিত হতে পারে। অর্থাৎ ২৫, ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি—এই তিন দিনই ব্যাঙ্কিং পরিষেবা প্রায় বন্ধ থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
যদি ধর্মঘট হয়, তবে তার প্রভাব শুধু এক দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। আসলে ২৫ জানুয়ারি শনিবার এবং ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের সরকারি ছুটি রয়েছে।এর পর ২৭ জানুয়ারি যদি ধর্মঘট হয়, তাহলে টানা তিন দিন ব্যাঙ্কের কাজকর্ম প্রভাবিত হতে পারে। অর্থাৎ ২৫, ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি—এই তিন দিনই ব্যাঙ্কিং পরিষেবা প্রায় বন্ধ থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
advertisement
4/5
বর্তমানে ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের প্রতি মাসে দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার ছুটি থাকে। এর পাশাপাশি প্রতি রবিবারই ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকে। অর্থাৎ এখন ব্যাঙ্কগুলো গড়ে সপ্তাহে প্রায় সাড়ে পাঁচ দিন খোলা থাকে। কিন্তু ইউনিয়নগুলির দাবি, এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সব শনিবার ছুটি ঘোষণা করা হোক, যাতে সপ্তাহে মোট কাজের দিন মাত্র পাঁচটিতে সীমাবদ্ধ থাকে।
বর্তমানে ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের প্রতি মাসে দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার ছুটি থাকে। এর পাশাপাশি প্রতি রবিবারই ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকে। অর্থাৎ এখন ব্যাঙ্কগুলো গড়ে সপ্তাহে প্রায় সাড়ে পাঁচ দিন খোলা থাকে।কিন্তু ইউনিয়নগুলির দাবি, এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সব শনিবার ছুটি ঘোষণা করা হোক, যাতে সপ্তাহে মোট কাজের দিন মাত্র পাঁচটিতে সীমাবদ্ধ থাকে।
advertisement
5/5
যদি ধর্মঘট হয়, তাহলে সরকারি ব্যাঙ্কগুলিতেই সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দিতে পারে। নগদ টাকা জমা, টাকা তোলা, চেক ক্লিয়ারেন্স, ড্রাফ্ট, পাসবুক এন্ট্রি, ঋণ সংক্রান্ত কাজ—এই সবকিছুর উপরই প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে যাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঙ্কিং কাজ মাসের শেষ সপ্তাহে থাকে, তাঁদের সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
যদি ধর্মঘট হয়, তাহলে সরকারি ব্যাঙ্কগুলিতেই সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দিতে পারে। নগদ টাকা জমা, টাকা তোলা, চেক ক্লিয়ারেন্স, ড্রাফ্ট, পাসবুক এন্ট্রি, ঋণ সংক্রান্ত কাজ—এই সবকিছুর উপরই প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে যাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঙ্কিং কাজ মাসের শেষ সপ্তাহে থাকে, তাঁদের সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
advertisement
advertisement
advertisement