Drinking Water Crisis: এক ফোঁটা জলের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছে মানুষ, রাস্তার কলে লম্বা লাইন! গ্রীষ্মের আগেই পরিস্থিতি হাতের বাইরে
- Reported by:Sarmistha Banerjee Bairagi
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
Purulia Drinking Water Crisis: গ্রীষ্মের শুরুর আগেই শহরবাসীরা জল কষ্টে ভুগছে। পুরুলিয়া পৌরসভার ২৩ টি ওয়ার্ডে এখন থেকেই পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। খোলা মুখ নল থেকে অপচয় হচ্ছে পানীয় জল। সবমিলিয়ে ক্ষুব্ধ শহরবাসী।
পুরুলিয়া, শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি: রুক্ষ জেলা পুরুলিয়া। এই জেলার অন্যতম বড় সমস্যা জল। গ্রীষ্মের দিনে এই সমস্যা আরও বেশ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তবে এবার গ্রীষ্মের শুরুর আগেই শহরবাসীরা জল কষ্টে ভুগছে। পুরুলিয়া পৌরসভার ২৩ টি ওয়ার্ডের মধ্যে কোথাও দিনে একবার, আবার কোথাও দু-দিনে একবার পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে। বছরের প্রায় সবদিনই চাহিদা অনুযায়ী পানীয় জল না পাওয়ায় চরম সমস্যায় ভুগছেন শহরবাসীরা।
শহরের ২৩-টি ওয়ার্ডে বর্তমানে প্রায় ১২ হাজার বাড়িতে বাড়ি, বাড়ি জল সংযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৭ হাজার বাড়িতে জল সংযোগের আবেদন এখনও বকেয়া রয়েছে। রাস্তার ধারে ধাকা সর্বসাধারণের নল থেকে জল সংগ্রহ করতে হলে দিতে হয় লম্বা লাইন। কোথাও আবার খোলা মুখ নল থেকে অপচয় হচ্ছে পানীয় জল। এতে রীতিমত ক্ষুব্ধ শহরবাসী। তাই এবার জল কষ্টের স্থায়ী সমাধানের দাবি তুলছেন তারা।
advertisement
advertisement
এ বিষয়ে পুরুলিয়া সদর মহকুমা শাসক উৎপল কুমার ঘোষ বলেন, জল সমস্যার স্থায়ী সমাধানে জোর দেওয়া হয়েছে। পৌরসভার জল বিভাগের টিমের সঙ্গে চলছে দফায়, দফায় বৈঠক। গ্রীষ্মের মরশুমের আগেই জলের সমস্যার সমাধান করা এবং প্রয়োজনে ওয়ার্ডে, ওয়ার্ডে ট্যাংকারের মাধ্যমে জল সরবরাহ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
গ্রীষ্ম এলেই জলকষ্ট শুরু হয়ে যায় পুরুলিয়ার সমস্ত জায়গায়। শহর থেকে গ্রাম, বেশিরভাগ জায়গাতেই একই চিত্র দেখতে পাওয়া যায়। দীর্ঘদিনের এই সমস্যায় জেরবার পুরুলিয়াবাসী। তবে এবার পৌর প্রশাসনের উদ্যোগে জল কষ্ট নিবারণ হবে এমনটাই আশা করছে শহরবাসী।
Location :
Puruliya (Purulia),Puruliya,West Bengal
First Published :
Feb 28, 2026 6:51 AM IST
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Drinking Water Crisis: এক ফোঁটা জলের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছে মানুষ, রাস্তার কলে লম্বা লাইন! গ্রীষ্মের আগেই পরিস্থিতি হাতের বাইরে









