advertisement

এই ট্রেনেই শেষবার আশ্রম ছেড়েছিলেন...! বোলপুর স্টেশনের কাছেই কবিগুরুর শেষ রেল ‌যাত্রার স্মৃতি জড়িয়ে গীতাঞ্জলি রেল মিউজিয়াম!

Last Updated:

Gitanjali Museum: বোলপুর স্টেশনের কাছেই রয়েছে এই মিউজিয়াম সেটা হয়তো আজ পর্যন্ত ঘুরে দেখা হয়নি। তাহলে আজকে আপনাদের ঠিকানা দেবো আপনি বোলপুর শান্তিনিকেতন গিয়ে কোথায় দেখতে পাবেন এই মিউজিয়ামটি। আর কী রয়েছে এই মিউজিয়ামটির মধ্যে।

+
রবীন্দ্রনাথ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বীরভূম,সৌভিক রায়: চলছে শীতের মরশুম। শীত একদম শেষ লগ্নে দরজার দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছে। আপনিও কি এই লং উইকেন্ডের ছুটিতে বীরভূমের বোলপুর শান্তিনিকেতন বেড়ানোর কথা ভাবছেন? তাহলে আসুন একটু বেড়ানোর টিপস শেয়ার করা যাক। এদিকে বেড়াতে এসে বীরভূমের মধ্যে অবস্থিত বোলপুর শান্তিনিকেতন তো একাধিকবার এসেছেন। তবে কোনও দিন দেখেছেন গীতাঞ্জলি রেল মিউজিয়াম?
স্টেশন থেকে বেরিয়ে গোটা বোলপুর ভ্রমণ করা হয়ে গিয়েছে তবে স্টেশনের কাছেই রয়েছে এই মিউজিয়াম সেটা হয়তো আজ পর্যন্ত ঘুরে দেখা হয়নি। তাহলে আজকে আপনাদের ঠিকানা দেবো আপনি বোলপুর শান্তিনিকেতন গিয়ে কোথায় দেখতে পাবেন এই মিউজিয়ামটি। আর কী রয়েছে এই মিউজিয়ামটির মধ্যে।
advertisement
advertisement
প্রসঙ্গত বোলপুর শান্তিনিকেতন মানেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি৷ যার প্রতিটি পরতে পরতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বাঙালির অন্যতম আবেগ রবি ঠাকুরের কর্মযজ্ঞের নিদর্শন৷ তাঁর প্রাণ প্রিয় শান্তিনিকেতন আজও কবির স্মৃতি আগলে রয়েছে। রবীন্দ্রভবন, ছাতিমতলা সবই যেন আজও তাঁদের গুরুদেবের অপেক্ষায়। ২৫শে বৈশাখ কবিগুরুর জন্মদিনে যেমন রবীন্দ্রসৃষ্টিতে মুখরিত হয় শান্তিনিকেতন, তেমনভাবেই ২২শে শ্রাবণ তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমেই ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বিশ্বকবিকে স্মরণ করে শান্তিনিকেতনের আকাশ-বাতাস।
advertisement
তবে এবার প্রশ্ন গীতাঞ্জলি রেল মিউজিয়ামের মধ্যে কী রয়েছে! ১৯৪১ সালের ২৫ জুলাই অসুস্থ কবিকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয় এটাই ছিল শান্তিনিকেতন থেকে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষযাত্রা। আর ফেরা হয়নি তাঁর ‘প্রাণের আরাম’ শান্তিনিকেতনে। রেল কর্তৃপক্ষের তরফে বিশেষ কামরা ব্যবস্থা করা হয়েছিল কবির জন্য।বোলপুর-শান্তিনিকেতন স্টেশন থেকে যে ট্রেনে শেষবার আশ্রম ছেড়েছিলেন কবি, সেটি আজও পূর্বরেলের গীতাঞ্জলি রেল সংগ্রহশালায় রাখা রয়েছে।
advertisement
১৯৪০ সাল থেকেই শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। প্রখ্যাত চিকিৎসক নীলরতন সরকার ও বিধানচন্দ্র রায় তাঁর চিকিৎসা করেছেন। এরপর ১৯৪১ সালে জুলাই মাসে গুরুদেবের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তাই শান্তিনিকেতন থেকে কলকাতা নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইমতো ২৫ জুলাই শান্তিনিকেতনের ‘উদয়ন’ বাড়ি থেকে আশ্রমের মোটরগাড়ি করে বোলপুর-শান্তিনিকেতন স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়৷ কবিগুরুর যাতে কোনওরকম অসুবিধা না হয় তার জন্য রেল কর্তৃপক্ষ বিশেষ কামরারও ব্যবস্থা করে। সেই রেলে চড়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন অসুস্থ কবি। বেলা ৩টে ১৫মিনিট নাগাদ পৌঁছন কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। তাই এবার বোলপুর শান্তিনিকেতন গেলে অবশ্যই ঘুরে আসুন এই মিউজিয়াম।
view comments
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
এই ট্রেনেই শেষবার আশ্রম ছেড়েছিলেন...! বোলপুর স্টেশনের কাছেই কবিগুরুর শেষ রেল ‌যাত্রার স্মৃতি জড়িয়ে গীতাঞ্জলি রেল মিউজিয়াম!
Next Article
advertisement
Pratik Ur Rahman on Mohammad Salim:  'বাবা যদি সন্তানকে গলা টিপে মারেন...', সিপিএমে দমবন্ধ পরিবেশ, সেলিমকেই নিশানা প্রতীক উরের
'বাবা যদি সন্তানকে গলা টিপে মারেন...', সিপিএমে দমবন্ধ পরিবেশ, সেলিমকেই নিশানা প্রতীক উরের
  • সিপিএমে দমবন্ধ পরিস্থিতি, দাবি প্রতীক উরের৷

  • তৃণমূলে যোগ দিয়েও নিশানা মহম্মদ সেলিমকে৷

  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসায় প্রতীক উর৷

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement