East Medinipur News: স্থানীয় অনুষ্ঠান থেকে বড় বড় মঞ্চ! বাঁশির সুরে ঝড় তোলেন পটাশপুরের বিশ্বজিৎ, প্রতিভার জোরে আজ জেলার গর্ব
- Reported by:Madan Maity
- Published by:Sneha Paul
Last Updated:
East Medinipur News: ছোটবেলায় উপহার পাওয়া বাঁশি থেকে সাফল্যের সুর! প্রতিভার জোরে আজ জেলার এক গর্ব হয়ে উঠেছেন এই বাঁশি বাদক। তাঁর বাঁশির সুর সকলের মন ছুঁয়ে যায়।
পূর্ব মেদিনীপুর, মদন মাইতিঃ বাড়িতে কাজ করতে আসা শ্রমিকরা বাড়ির বাঁশবাগান থেকে বাঁশ কেটে বাঁশি বানিয়ে দিয়েছিলেন। সেই বাঁশিই বদলে দেয় বিশ্বজিৎ সাউয়ের জীবন। এনে দেয় জেলা জুড়ে খ্যাতি। আজ তাঁর বাঁশির সুরে মুগ্ধ গোটা জেলা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর ২ ব্লকের প্রতাপদিঘীর বাসিন্দা বিশ্বজিৎ। পেশায় সরকারি কর্মচারী, কিন্তু মন-প্রাণ-শখ বাঁশি বাজানো।
সপ্তম শ্রেণি থেকেই বাঁশি বাজানো শুরু করেন বিশ্বজিৎ। ছোটবেলার একটি উপহারই আজ তাঁকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে। সাধারণ জীবনযাপনের মধ্যেও তিনি গড়ে তুলেছেন এক অসাধারণ সুরের জগৎ। ছোটবেলার সেই স্মৃতি আজও তাঁর জীবনের বড় সম্পদ।
আরও পড়ুনঃ কাটোয়া-বল্লভপাড়া ফেরিঘাটে দুর্ঘটনা! নদীতে তলিয়ে গেল স্কুল পড়ুয়া, ঘাট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ
বাড়িতে ধানের কাজ করতে আসা শ্রমিকরা বিশ্বজিৎকে প্রথম একটি বাঁশি উপহার দেন। সেই বাঁশিই তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। বাবা প্রথম তাঁকে বাঁশি বাজানো শেখান। ধীরে ধীরে তিনি সুরের জগতে ডুব দেন। এরপর বিভিন্ন শিক্ষকের কাছে তালিম নিতে শুরু করেন। নিয়মিত অনুশীলন ছিল তাঁর নিত্যদিনের অভ্যাস। পড়াশোনা আর কাজের ফাঁকেও তিনি সময় বের করতেন। বাঁশির প্রতি তাঁর ভালবাসা দিন দিন আরও গভীর হতে থাকে।
advertisement
advertisement
স্থানীয় অনুষ্ঠান থেকে শুরু হয় বিশ্বজিতের মঞ্চযাত্রা। প্রথমে গ্রামের ছোট ছোট অনুষ্ঠানে বাজাতেন। তারপর মহকুমা স্তরের অনুষ্ঠানে ডাক আসতে থাকে। একসময় জেলার বিভিন্ন প্রান্তে পরিচিতি লাভ করেন। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বহুবার প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি।
বিশ্বজিতের সুরের এক আলাদা মাধুর্য রয়েছে। শ্রোতারা তাঁর সুরে ডুবে যান। মঞ্চে উঠলেই যেন তৈরি হয় অন্যরকম আবহ। দর্শকাসন থেকে আসে মুহুর্মুহু করতালি। তাঁর বাঁশির সুর যেন মন ছুঁয়ে যায় সকলের।
advertisement
বর্তমানে বিশ্বজিতের বয়স ৫৫ বছর। তবে এখনও বাঁশির প্রতি তাঁর আগ্রহ একটুও কমেনি। বরং সুরচর্চায় আরও বেশি করে সময় দেন। নিজের বাজানোর পাশাপাশি অন্যদেরও শেখান। তাঁর একটি বাঁশির শিখনশালা রয়েছে। সেখানে নতুন প্রজন্মকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেন তিনি। অনেক ছাত্র ইতিমধ্যেই তাঁর কাছ থেকে বাঁশি শিখে মঞ্চে পারফর্ম করছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিশ্বজিতের লক্ষ্য, এই শিল্পকে আরও ছড়িয়ে দেওয়া। তিনি চান গ্রামের ছেলেমেয়েরা সঙ্গীতের প্রতি আগ্রহী হোক। তাঁর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সব মিলিয়ে, তাঁর বাঁশির সুর আজ গোটা জেলাকে মুগ্ধ করে রেখেছে।
Location :
Purba Medinipur,West Bengal
First Published :
Mar 26, 2026 2:36 PM IST
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
East Medinipur News: স্থানীয় অনুষ্ঠান থেকে বড় বড় মঞ্চ! বাঁশির সুরে ঝড় তোলেন পটাশপুরের বিশ্বজিৎ, প্রতিভার জোরে আজ জেলার গর্ব








