Business News: ছোট্ট আইডিয়া বদলে দিল ভাগ্য, পকেটে টাকার জোয়ার! অভাবের দিন পেরিয়ে বাজার কাঁপাচ্ছেন এই শিল্পীরা

Last Updated:

East Medinipur Business News: মথুরা অঞ্চলের প্রায় ৪০টি পরিবার আজও বাঁশের শিল্পকে নিজেদের জীবিকার মূল ভরসা করে রেখেছেন।

+
বাঁশের

বাঁশের শিল্পী

পূর্ব মেদিনীপুর, মদন মাইতি: হারিয়ে যাওয়ার যুগে দাঁড়িয়েও কেউ কেউ হার মানেন না। চারপাশে প্লাস্টিকের দাপট। ঘরে ঘরে বদলে যাচ্ছে আসবাব। চোখের সামনে হারিয়ে যাচ্ছে একসময়ের চেনা বাঁশের সামগ্রী। মনে হয়েছিল, হয়তো আর ফিরবে না এই বাঁশের শিল্প। হয়ত চিরতরে হারিয়ে যাবে এবার। কিন্তু বাস্তব চিত্রটা একটু আলাদা। পূর্ব মেদিনীপুরের এক প্রান্তে আজও কিছু মানুষ এই হারিয়ে যাওয়া শিল্পকে বাঁচাতে নতুনভাবে উদ্যোগী হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন একটাই, যেখানে সবাই বদলে যাচ্ছে, সেখানে এই হারিয়ে যেতে বসা বাঁশের শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে তারা ঠিক কী করছে? কেনই বা এত কষ্ট স্বীকার করছে দিনের পর দিন?
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর ২ ব্লকের মথুরা এলাকা। এই অঞ্চলের প্রায় ৪০টি পরিবার আজও বাঁশের শিল্পকে নিজেদের জীবিকার মূল ভরসা করে রেখেছেন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এখানকার মানুষ বাঁশ কেটে, বুনে তৈরি করছেন নানান নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে বাঁশের কুলো, চালা, চালুনি, খাঁচা, চাটাই, ঝুড়ি। মাছ ধরার জন্য বানানো হচ্ছে চাঁই। ছোটদের জন্য তৈরি হচ্ছে দোলনা। এই সব কাজের মধ্যেই গড়ে উঠেছে তাদের সংসার। এই শিল্পই তাদের বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল।
advertisement
আরও পড়ুন: পাহাড়ের টানে পুরুলিয়া, দিঘা-পুরি-দার্জিলিং’কে টেক্কা দিতে মাস্টারপ্ল্যান! পর্যটন মানচিত্রে ম্যাজিক দেখাবে ‘এই’ পাহাড়
তবে সময় বদলেছে। প্লাস্টিকের যুগে বাঁশের জিনিসের কদর অনেকটাই কমেছে। বাজারে সস্তা প্লাস্টিকের সামগ্রী সহজলভ্য। ফলে বাঁশের শিল্পীরা পড়েছেন বড় চাপে। তার ওপর বেড়েছে বাঁশের দাম। বেড়েছে উৎপাদন খরচ। তবু হার মানেননি তারা। বরং নতুন পথ খুঁজেছেন। বিক্রি বাড়াতে নতুনভাবে উদ্যোগী হয়েছেন। নিত্যনতুন ডিজাইনের সামগ্রী বানাতে শুরু করেছেন শিল্পীরা। শুধু ব্যবহার্য জিনিস নয়, এখন তারা তৈরি করছেন ঘর সাজানোর সৌখিন সামগ্রীও। যা দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনই টেকসই। অনেক ক্ষেত্রেই এই বাঁশের জিনিস প্লাস্টিককেও টেক্কা দিচ্ছে।
advertisement
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শিল্পীদের পরিবারের ছোট সদস্য থেকে শুরু করে মহিলারাও সমানভাবে হাত লাগাচ্ছেন। কেউ বাঁশ কাটছেন, কেউ বুনছেন, কেউ আবার নকশা তৈরি করছেন। প্রতিদিনের কঠোর পরিশ্রমেই টিকে আছে এই শিল্প। নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বাঁশের শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার। হারিয়ে যাওয়ার যুগেও গ্রাম বাংলার এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখার যে কঠিন লড়াই চলছে, তা সত্যিই কুর্নিশ জানানোর মতো। এই লড়াই শুধু জীবিকার নয়, এক শতাব্দীপ্রাচীন সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াই।
view comments
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Business News: ছোট্ট আইডিয়া বদলে দিল ভাগ্য, পকেটে টাকার জোয়ার! অভাবের দিন পেরিয়ে বাজার কাঁপাচ্ছেন এই শিল্পীরা
Next Article
advertisement
Divorce: ৬৫ দিন সংসার, রাগ মেটাতে ১৩ বছরে ৪০ মামলা! দম্পতিকে জরিমানা করে ডিভোর্সের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট
৬৫ দিন সংসার, রাগ মেটাতে ৪০ মামলা! দম্পতিকে জরিমানা করে ডিভোর্সের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
  • রাগ মেটাতে ১৩ বছরে পরস্পরের বিরুদ্ধে ৪০টি মামলা৷

  • দম্পতিকে জরিমানা করল সুপ্রিম কোর্ট৷

  • বিবাহবিচ্ছেদেরও নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত৷

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement