East Bardhaman News: প্রাণঘাতী হয়ে উঠল সামান্য মাফলার, হাসতে হাসতে ঘানিতে পিষে গেলেন শ্রমিক! হাসপাতাল যাওয়ার আগে সব শেষ
- Reported by:Bonoarilal Chowdhury
- hyperlocal
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
East Bardhaman News: যে মাফলার ঠান্ডা থেকে বাঁচাত, সেই মাফলারই হয়ে উঠল তাঁর কালের কারণ। ঘালি কলে মর্মান্তিক মৃত্যু শ্রমিকের।
কালনা, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: সকালটা অন্য দিনের মতোই শুরু হয়েছিল। শীতের হালকা হাওয়া, গলায় মাফলার জড়িয়ে কাজে বেরিয়েছিলেন সিরাজুল মণ্ডল। প্রতিদিনের মতোই সমুদ্রগড় স্টেশন সংলগ্ন কৃষক বাজার এলাকার ঘানি কলে তাঁর অপেক্ষায় ছিল চাল পিসাইয়ের কাজ। তাঁর বাড়ি সিদ্দেপাড়া এলাকায়।
বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় কেউ ভাবতেও পারেনি, এই যাওয়াটাই হবে শেষ যাওয়া। ঘানি কলের মেশিন তখন নিজের ছন্দে ঘুরছে। সিরাজুল মন দিয়ে কাজ করছিলেন, যেমনটা তিনি রোজই করতেন। তবে এদিন হঠাৎই হয়ে যায় ছন্দপতন। গলায় থাকা মাফলারটা আচমকাই জড়িয়ে গেল ঘূর্ণায়মান মেশিনে। তাঁকে বাঁচানোর সময় পেল না কেউ, পেরে উঠল না সিরাজুল নিজেও। মুহূর্তের মধ্যেই যেন সবকিছু থমকে গেল।
advertisement
advertisement
চিৎকার, হুড়োহুড়ি ছুটে এলেন অনেকেই। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। যে মানুষটা একটু আগেও কথা বলছিল, হাসছিল, সেই মানুষটাই নিস্তেজ হয়ে পড়ে রইল মেশিনের পাশে। সাত সকালের সেই ব্যস্ত ঘানি কল মুহূর্তে রূপ নিল শোকের পরিবেশে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। চারপাশে ভিড় জমে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সিরাজুল ছিলেন সকলের আপন মানুষ। কারও বিপদে-আপদে আগে এগিয়ে আসতেন তিনিই।
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পাড়ার বহু মানুষের ভরসার নাম ছিল সিরাজুল মণ্ডল। আজ সেই মানুষটাই আর নেই। যাঁর গলার মাফলার ঠান্ডা থেকে বাঁচাত, সেই মাফলারই হয়ে উঠল তাঁর কালের কারণ। বাড়ির দরজাটা হয়ত এখনও খোলা রয়েছে, কিন্তু যিনি ঢুকবেন বলে প্রতিদিন সবাই অপেক্ষা করত, তিনি আর ফিরবেন না। এক মুহূর্তের অসতর্কতা, আর থেমে গেল একটা জীবন। সমুদ্রগড়ের সেই ঘানি কলের চারপাশে শুধু নিঃশব্দ আর শোকের আবহ।
Location :
Barddhaman (Bardhaman),Barddhaman,West Bengal
First Published :
Feb 03, 2026 10:47 AM IST
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
East Bardhaman News: প্রাণঘাতী হয়ে উঠল সামান্য মাফলার, হাসতে হাসতে ঘানিতে পিষে গেলেন শ্রমিক! হাসপাতাল যাওয়ার আগে সব শেষ











