বাবার সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার পথেই সব শেষ... মৃত্যু ছ' বছরের শিশু, হাসপাতালে লড়ছে আরেকজন
- Published by:Rachana Majumder
- local18
Last Updated:
পূর্বস্থলীর সমুদ্রগড় গৌরাঙ্গপাড়ায় ডাম্পার ও বাস দুর্ঘটনায় রেহান দত্তের মৃত্যু, রুহি দত্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতায়, এলাকায় শোকের ছায়া.
নবকুমার রায়, পূর্বস্থলী, পূর্ব বর্ধমান: বাবার সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। ঘটনায় মৃত্যু ভাইয়ের, আশঙ্কাজনক অবস্থায় কালনা হাসপাতাল থেকে কলকাতায় পাঠানো হয় দিদিকে। ঘটনায় এলাকা জুড়ে নেমেছে শোকের ছায়া।
জানা গিয়েছে নাদনঘাট থানার অন্তর্গত সমুদ্রগড় গৌরাঙ্গপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে বুধবার সকালে। মৃত ওই ছাত্রের নাম রেহান দত্ত (৬)। বাড়ি নশরতপুর পঞ্চায়েতের পারুলডাঙা এলাকায়। গুরুতর জখম অবস্থায় দিদি রুহি দত্তকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয় বুধবার দুপুরে। জানা গিয়েছে, বাবা রাজু দত্ত মোটরবাইক করে ছেলে মেয়েকে নিয়ে শ্রীচৈতন্য হলি চাইল্ড স্কুলে যাচ্ছিলেন। এমন সময় একটি ডাম্পার পিছন দিক থেকে তাঁকে ধাক্কা মেরে দিলে, ছেলে রেহান দত্ত ও মেয়ে রুহি দত্ত গুরুতর জখম হয়। তাঁদেরকে নিয়ে আসা হয় কালনা মহকুমা হাসপাতাল। সেখানেই মৃত্যু হয় রেহানের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতায় স্থানান্তর করা হয় রুহিকে। এদিন বুধবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ মৃতদেহ কালনা মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয় ময়নাতদন্তের জন্য। ঘটনায় এলাকায় জুড়ে নেমেছে শোকের ছায়া।
advertisement
advertisement
দিন দুয়েক আগে জিটি রোডে আরেকটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা শিরোনামে আসে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম পরশুরাম যাদব। স্থানীয়রা জানান, পিছন থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি বাস পিছন থেকে ধাক্কা মারে ওই ব্যক্তিকে। সিসিটিভিতে বন্দি হয় গোটা ঘটনাটি। দুর্ঘটনার রোমহর্ষক ছবি রয়েছে সিসিটিভিতে। দুর্ঘটনার পরেই আহত ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে পুলিশ তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পরে ঘাতক বাসটিকে আটক করেছে বেলুড় থানার পুলিশ। দুর্ঘটনা ঘটার কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। সঙ্কীর্ণ রাস্তায় দুর্ঘটনার জেরে কিছুক্ষণের জন্য যানজট তৈরি হয়। তবে নিয়মিত শহরে বাসদুর্ঘটনার জেরে প্রশ্ন উঠেছে বাসগুলির রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে।
Location :
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
First Published :
Feb 25, 2026 6:18 PM IST
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
বাবার সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার পথেই সব শেষ... মৃত্যু ছ' বছরের শিশু, হাসপাতালে লড়ছে আরেকজন










