advertisement

General Knowledge: অন্য ফল নয়, শুধু কলার খোসায় পা দিলেই পড়ে যান কেন? ৯৯% মানুষ জানেন না আসল কারণ!

Last Updated:
General Knowledge: কলার খোসায় পা পড়লে কেন আমরা পিছলে পড়ি, আর অন্য ফলের খোসায় এমন হয় না—৯৯% মানুষ জানে না এই রহস্য!
1/6
General Knowledge: রাস্তার ওপর হঠাৎ কলার খোসায় পা পড়ে পড়ে যাওয়ার দৃশ্য আমরা প্রায়শই সিনেমায় দেখি। অনেকের জন্য এটি বাস্তবেও ঘটেছে। তবে কখনও কি ভেবে দেখেছেন, সরাসরি রাস্তার ওপর থাকলেও কলার খোসা কেন এত পিচ্ছিল, যেন বরফের তুষার? আর আপেল বা কমলার খোসায় এমন ঝুঁকি দেখা যায় না—কেন শুধুমাত্র কলার খোসা এত বিপজ্জনক? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বিশেষ গবেষণা চালিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
advertisement
2/6
গবেষণার বিবরণ: জাপানের কিটাসাতো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা কলার খোসার পিচ্ছিল প্রকৃতি নিয়ে গভীর গবেষণা করেছেন। এই গবেষণার জন্য তাঁদেরকে খ্যাতনামা ‘Ig Nobel’ পুরস্কারও প্রদান করা হয়েছে।
advertisement
3/6
 তারা আবিষ্কার করেছেন, কলার খোসার ভেতরের অংশে ‘পলিস্যাকারাইড’ (Polysaccharide) জেল দিয়ে পূর্ণ ছোট ছোট কক্ষ রয়েছে। পা খোসার ওপর পড়ার সময় শরীরের ওজনের চাপের কারণে এই কক্ষগুলি ভেঙে যায় এবং একটি রাসায়নিক মিশ্রণ বের হয়ে আসে।
তারা আবিষ্কার করেছেন, কলার খোসার ভেতরের অংশে ‘পলিস্যাকারাইড’ (Polysaccharide) জেল দিয়ে পূর্ণ ছোট ছোট কক্ষ রয়েছে। পা খোসার ওপর পড়ার সময় শরীরের ওজনের চাপের কারণে এই কক্ষগুলি ভেঙে যায় এবং একটি রাসায়নিক মিশ্রণ বের হয়ে আসে।
advertisement
4/6
 পিছলে যাওয়ার মূল কারণ:প্রাকৃতিক লুব্রিক্যান্ট: কলার খোসা থেকে বের হওয়া জেলটিতে পানি, চিনি ও প্রোটিন রয়েছে। এটি হাত ও পায়ের সঙ্গে মিশে শক্তিশালী একটি লুব্রিক্যান্টের মতো কাজ করে, যার ফলে পা সহজে পিছলে যায়।
পিছলে যাওয়ার মূল কারণ: প্রাকৃতিক লুব্রিক্যান্ট: কলার খোসা থেকে বের হওয়া জেলটিতে পানি, চিনি ও প্রোটিন রয়েছে। এটি হাত ও পায়ের সঙ্গে মিশে শক্তিশালী একটি লুব্রিক্যান্টের মতো কাজ করে, যার ফলে পা সহজে পিছলে যায়।
advertisement
5/6
 কম ঘর্ষণ: গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী কলার খোসার ঘর্ষণ সহগ (Coefficient of Friction) মাত্র 0.07, যা বরফের ওপর হাঁটার সময়ের চেয়ে কম। এজন্য পা সহজেই ছিটকে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যে পড়ে যাওয়া সম্ভব।অসাম্যতা: কলার খোসার জেলের কারণে পা অপ্রত্যাশিত গতিতে সরে যায়। এতে শরীরের মাধ্যাকর্ষণ কেন্দ্র পায়ের পরিসরের বাইরে চলে যায়। মস্তিষ্ক দ্রুত এই পরিবর্তনটি বোঝার আগে শরীর নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং আমরা পড়ে যাই।
কম ঘর্ষণ: গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী কলার খোসার ঘর্ষণ সহগ (Coefficient of Friction) মাত্র 0.07, যা বরফের ওপর হাঁটার সময়ের চেয়ে কম। এজন্য পা সহজেই ছিটকে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যে পড়ে যাওয়া সম্ভব। অসাম্যতা: কলার খোসার জেলের কারণে পা অপ্রত্যাশিত গতিতে সরে যায়। এতে শরীরের মাধ্যাকর্ষণ কেন্দ্র পায়ের পরিসরের বাইরে চলে যায়। মস্তিষ্ক দ্রুত এই পরিবর্তনটি বোঝার আগে শরীর নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং আমরা পড়ে যাই।
advertisement
6/6
 অন্যান্য ফলের সঙ্গে তুলনা:আপেল বা কমলার খোসাতেও আর্দ্রতা থাকলেও কলায় থাকা ‘পলিস্যাকারাইড জেল’ থাকে না। এই বিশেষ জেলের কারণে কলার খোসা বিশ্বের সবচেয়ে পিচ্ছিল পদার্থে পরিণত হয়েছে। সামান্য অবহেলার কারণে এটি অন্যদের চোটের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই কলা খাওয়ার পর খোসা অবশ্যই আবর্জনার ঝুড়িতে ফেলা উচিত।
অন্যান্য ফলের সঙ্গে তুলনা: আপেল বা কমলার খোসাতেও আর্দ্রতা থাকলেও কলায় থাকা ‘পলিস্যাকারাইড জেল’ থাকে না। এই বিশেষ জেলের কারণে কলার খোসা বিশ্বের সবচেয়ে পিচ্ছিল পদার্থে পরিণত হয়েছে। সামান্য অবহেলার কারণে এটি অন্যদের চোটের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই কলা খাওয়ার পর খোসা অবশ্যই আবর্জনার ঝুড়িতে ফেলা উচিত।
advertisement
advertisement
advertisement