হোম /খবর /পশ্চিম বর্ধমান /
চতুর্দিকে স্বচ্ছ জল, মধ্যে নির্জন দ্বীপ, ডিসেম্বরে কম খরচে গন্তব্য হোক এই জায়গা

Weekend Trip|| চতুর্দিকে স্বচ্ছ জল, মধ্যে ছোট্ট নির্জন দ্বীপ, ডিসেম্বরে কম খরচে গন্তব্য হোক এই জায়গা

X
title=

Offbeat Weekend Destination: নতুন করে সেজে উঠেছে মাইথন জলাধার। মাইথন জলাধারে যে সমস্ত পর্যটকরা আসেন, তাদের কাছে ভীষণভাবে জনপ্রিয় নৌকা বিহার এবং জলাধারের মাঝখানে থাকা একটি নির্জন দ্বীপ।

  • Local18
  • Last Updated :
  • Share this:

#আসানসোল: শীতকাল মানেই পিকনিকের বাড়বাড়ন্ত। আর পায়ের তলায় সরষে থাকা বাঙালির কাছে ঘুরতে যাওয়ার বাহানা। এমন পরিকল্পনা যদি আপনারও থেকে থাকে, তাহলে আপনার গন্তব্য হতে পারে মাইথন।

পশ্চিম বর্ধমান জেলার ভ্রমণস্থল গুলির মধ্যে অন্যতম পরিচিত এবং জনপ্রিয় জায়গা হল মাইথন। দামোদর নদীর জলধার, চারিদিকে পাহাড় আর মনোরম পরিবেশে এখানে এসে মোহিত হয়ে যান অনেকেই। প্রতিবছর বহু মানুষ এখানে পিকনিক করতে আসেন। আর সেজন্যই মাইথন জলাধারে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রশাসনিক প্রস্তুতি। ইতিমধ্যেই নতুন করে সেজে উঠেছে মাইথন। মাইথনে যে সমস্ত পর্যটকরা আসেন, তাদের কাছে ভীষণ জনপ্রিয় নৌকা বিহার এবং জলাধারের মাঝখানে থাকা একটি নির্জন দ্বীপ। স্বাভাবিকভাবেই পর্যটকদের জন্য নৌকা বিহারের সমস্ত রকম আনন্দ নিয়ে সেখানে অপেক্ষায় রয়েছেন নৌকা চালকরা।

আরও পড়ুনঃ বিচারাধীন অনুব্রত, আসানসোল আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় হঠাৎ হাজির শতাব্দী! তোলপাড়

কলকাতা বা রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে খুব সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় মাইথনে। সরাসরি ট্রেন বা বাসে আপনারা পৌঁছে যেতে পারেন আসানসোল। সেখান থেকে বাস অথবা গাড়ি ভাড়া করে খুব সহজেই পৌঁছে যাওয়া যাবে মাইথন। আসানসোল থেকে মাইথনের দূরত্ব মাত্র ২২ কিলোমিটার। যাওয়ার পথে ঘুরে দেখে নিতে পারেন কল্যানেশ্বরী মন্দির। কল্যানেশ্বরী মন্দিরে সারা বছরই ভক্তদের আনাগোনা লেগে থাকে। তবে মঙ্গলবার এবং শনিবার ভিড় একটু বেশি হয়। আর শীতের মরশুমে ভিড় উপচে পড়ে কল্যাণেশ্বরী মন্দিরে। শীতের মরশুমেব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায় মাইথন জলাধারের কাছে। পিকনিক করতে গেলে মাইথন একটি আদর্শ জায়গা। পাশাপাশি দুদিন নিরিবিলিতে কাটানোর জন্য, প্রকৃতিকে উপভোগ করার জন্য গন্তব্য হতে পারে মাইথন এবং জলাধারের মাঝে থাকা সবুজ দ্বীপ।

আরও পড়ুনঃ বাবা-মার অশান্তিই কাল হল! মর্মান্তিক পরিণতি কিশোরীর, শান্তিপুরে চাঞ্চল্য

মাইথনে নৌকা বিহারের জন্য বিভিন্ন রকম ব্যবস্থা রয়েছে। রয়েছে স্পিডবোট, সাধারণ নৌকা এবং মোটর চালিত নৌকা। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য, নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে নৌকা গুলি মাইথন জলাধারের চারিদিক ভ্রমণ করায়। পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া হয় সবুজ দ্বীপ। নৌকা গুলিরতে ভ্রমণের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট রেট চার্ট। সেই অনুযায়ী ভাড়া দিলে নৌকা চালকরা আপনাদের দামোদরের এই জলাধারে নৌকা বিহারে নিয়ে বেরিয়ে পড়তে সদা প্রস্তুত। জলাধারের দুদিকেই রয়েছে পার্ক। এমন সুন্দর পরিবেশের এই পার্কগুলি আপনাদের আরো কিছুটা বাড়তি বিনোদন দেবে। মাইথন জলাধারের ব্রিজ হয়ে আপনি হেঁটে ঘুরে আসতে পারবেন এক রাজ্য থেকে অন্য একটা রাজ্যে।

মাইথনে পিকনিক করতে গিয়ে অনেকেই সন্ধ্যের দিকে আবার বাড়ির পথে পা বাড়ান। তবে এখানে রাত্রিবাসের জন্য সুবন্দোবস্ত রয়েছে। বিভিন্ন বাজেটের হোটেল মাইথনে রয়েছে। রয়েছে রাজ্য সরকার পরিচালিত একটি ইয়ুথ হোস্টেল। সাধ্যের মধ্যে ভাল জায়গায় থাকার সুযোগ পাবেন এখানে। এখানে রয়েছে এসি এবং নন এসি ক্যাটাগরির রুম। আপনি যদি একা হন বা বন্ধুদের সঙ্গে গিয়ে থাকেন, তাহলে বুক করতে পারেন ডরমেটরি। যেখানে খরচ অনেক বেশি পকেট ফ্রেন্ডলি।

এ ছাড়াও বিভিন্ন বাজেটের হোটেলে এখানে রয়েছে। জলাধারের ওপর নির্মিত একটি হোটেল পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। চাইলে আপনিও সেখানে থাকতে পারেন। তবে খরচ একটু বেশি। তাই যদি এই শীতে ঘুরতে যাওয়ার বিশেষ গন্তব্য ঠিক করে না থাকেন, বা অল্প সময়ের মধ্যে কোন জায়গা থেকে ঘুরে আসতে চান, তাহলে আপনার গন্তব্য হতে পারে মনোরম পরিবেশের মাইথন।

Nayan Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published:

Tags: West Bardhaman