Muri: রাখালদের নিয়ম মেনে আজও বসে মুড়ি মেলা! যারা মুড়ি খেতে ভালবাসেন, তারা অবাক হয়ে যাবেন

Last Updated:

Muri: মানুষের বিশ্বাস এই জলাশয়ের সঙ্গে যোগ রয়েছে দেবী গঙ্গার। আর সেজন্যই উৎসবের আয়োজন তিথি মেনে।

মুড়ি মেলার আয়োজন
মুড়ি মেলার আয়োজন
কাঁকসা, পশ্চিম বর্ধমান : বাঙালির পার্বণের শেষ নেই। কার্যত প্রত্যেক মাসেই নতুন নতুন উৎসবে মেতে ওঠেন বাঙালি। পাশাপাশি গ্রাম বাংলার এমন কিছু উৎসব রয়েছে, যা রীতিমত অবাক করে সকলকে। যেগুলি ঐতিহ্য, বয়স এবং রীতিনীতির দিক থেকে প্রশংসার দাবি রাখে যে উৎসবের কথা কিছু নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। তেমনি একটি উৎসব গৈ ধারা। একটি জলাশয়কে কেন্দ্র করে এই উৎসবের আয়োজন করা হয় পানাগড় এলাকায়। মানুষের বিশ্বাস এই জলাশয়ের সঙ্গে যোগ রয়েছে দেবী গঙ্গার। আর সেজন্যই উৎসবের আয়োজন তিথি মেনে। পূণ্য তিথিকে সাক্ষী রেখে চলে উপাসনা, উদযাপন। একই সঙ্গে বসে মেলাও। তবে এই মেলার আয়ু মাত্র কয়েক ঘন্টা। আর তাতেই ভিড় হয় বহু মানুষের।
বিগত ৭০০ বছর ধরে কাঁকসার মাধবমাঠ সংলগ্ন দু'নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে ফাঁকা মাঠে গৈ ধারা মন্দিরে পুজোর আয়োজন করা হয়। দেবী মনসা এখানে গৈ ধারা নামেই প্রসিদ্ধ গোটা এলাকায়। যার বার্ষিক পুজো হয় মকর সংক্রান্তির সময়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বিগত ৭০০ বছর ধরে পুজোর পাশাপাশি মেলার আয়োজন হয়ে আসছে এখানে। তবে তারও ৩০০ বছর আগে দেবীর আশীর্বাদ আর দৈব মতে মন্দিরের পাশে একটি জলাশয়ের উৎপত্তি হয়। গ্রামবাসীদের অনুমান, গঙ্গার সঙ্গে এই জলাশয়ের যোগ রয়েছে।
advertisement
advertisement
গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, আগে জলাশয়ের চারপাস জুড়ে টুসু গান করতেন ভক্তরা। জলাশয়ের চারপাশ জুড়ে টুসু গানের প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হত। তবে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তা আজ আর হয় না। কিন্তু কথিত আছে, এই জলাশয়ে ডুব দেওয়ার পর কোনও নিঃসন্তান দম্পতি পুকুরের মাটিতে হাত দিয়ে যা পাবেন, সেটা ভক্তি ভরে দেবীর কাছে মানসিক করে নিজেদের কাছে রেখে দেন। পরে তাদের মানসিক পূরণ হলে বা তারা সন্তান লাভ করলে, পুনরায় জলাশয় থেকে পাওয়া বস্তু জলে ডুব দিয়ে ভাসিয়ে দিতে হয়। সেই আস্থা নিয়ে বহু নিঃসন্তান দম্পতি আজও বিশেষ দিনে এই জলাশয়ে স্নান করতে আসেন এবং পুজো দিতে আসেন।
advertisement
এছাড়াও গ্রামের মানুষদের কাছে শোনা যায়, এলাকার রাখালরা সারা বছর এলাকার গরু নিয়ে মাঠের মধ্যেই চড়াতেন, এবং এই বিশেষ দিনে তারা গামছায় মুড়ি এবং তেলেভাজা কিনে আনতেন। তারপর জলাশয়ে স্নান করে মন্দিরে পুজো দিতেন। এরপর ফাঁকা মাঠের মাঝে গামছায় বাঁধা ও তেলেভাজা খেয়ে তারা এই দিনটি পালন করতেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা রাখালদের এই নিয়ম ক্রম আজও গ্রামের মানুষ অনুসরণ করেন। ধীরে ধীরে এই মেলা, মুড়ি মেলা নামে পরিচিতি পেয়েছে। দুপুর বারোটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য এই মেলা আয়োজন করা হয়। মেলায় কয়েক হাজার ভক্ত ভিড় জমান। কাঁকসার পাশাপাশি বুদবুদ, বর্ধমান ও আশেপাশের এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় জমান এই দিনটিতে।
advertisement
 
view comments
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিম বর্ধমান/
Muri: রাখালদের নিয়ম মেনে আজও বসে মুড়ি মেলা! যারা মুড়ি খেতে ভালবাসেন, তারা অবাক হয়ে যাবেন
Next Article
advertisement
Human Washing Machine: জামাকাপড়ের মতোই ধুয়ে দেবে শরীর, মানুষ ধোয়ার ওয়াশিং মেশিন বানিয়ে ফেলল জাপানি সংস্থা!
জামাকাপড়ের মতোই ধুয়ে দেবে শরীর, মানুষ ধোয়ার ওয়াশিং মেশিন বানিয়ে ফেলল জাপানি সংস্থা!
  • মানুষ ধোয়ার ওয়াশিং মেশিন তৈরি করল জাপানি সংস্থা৷

  • হিউম্যান ওয়াশিং মেশিন তৈরি করেছে সায়েন্স নামে সংস্থা৷

  • ১৫ মিনিটের মধ্যেই পরিষ্কার করিয়ে শরীর শুকিয়ে দেবে এই যন্ত্র৷

VIEW MORE
advertisement
advertisement