Home /News /west-bardhaman /
Paschim Bardhaman: ইসকন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিশেষ চমক দুর্গাপুরে! বিশাল রথ তৈরি হয়েছে দানে

Paschim Bardhaman: ইসকন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিশেষ চমক দুর্গাপুরে! বিশাল রথ তৈরি হয়েছে দানে

রাত পোহালেই রথযাত্রা। সকাল সকাল জগন্নাথ দেব রওনা দেবেন মাসির বাড়ির উদ্দেশ্যে। সেই উপলক্ষে পুরীতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। পাশাপাশি রথযাত্রা উদযাপনের জন্য বাংলার বিভিন্ন জায়গায় জোর কদমে প্রস্তুতি চলছে।

  • Share this:

    #পশ্চিম বর্ধমান : রাত পোহালেই রথযাত্রা। সকাল সকাল জগন্নাথ দেব রওনা দেবেন মাসির বাড়ির উদ্দেশ্যে। সেই উপলক্ষে পুরীতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। পাশাপাশি রথযাত্রা উদযাপনের জন্য বাংলার বিভিন্ন জায়গায় জোর কদমে প্রস্তুতি চলছে। পুরীর পাশাপাশি বাংলাতেও একাধিক রথযাত্রা হয়। যেগুলি ধারে ভারে বেশ বিখ্যাত। রথযাত্রা উদযাপনের দিকে ইসকন মন্দির কর্তৃপক্ষের নামও উপরের দিকেই রয়েছে। সেই ইসকন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে চলতি বছর দুর্গাপুরে রথযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। রথ থেকে শুরু করে রথযাত্রা, জগন্নাথ দেবের মাসির বাড়ি যাওয়া, সবকিছুতেই দুর্গাপুরের চতুরঙ্গ ময়দানে আয়োজিত রথযাত্রায় দিতে চলেছে ইসকন কতৃপক্ষ। প্রসঙ্গত, ইসকন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে দুর্গাপুরের চতুরঙ্গ ময়দানে রথযাত্রা আয়োজন করা হয় প্রতিবছর। তবে এ বছর ইসকনের রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ। চলতি বছরে রথযাত্রার জন্য পিতলের রথ তৈরি করানো হয়েছে। তবে মূল আকর্ষণ রয়েছে রথ তৈরিতে। কারণ এই রথটি ইসকন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে তৈরি করানো হয়নি, সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় তৈরি হয়েছে। বিশাল আকারের এই পিতলের রথ তৈরীর জন্য বিভিন্ন ভক্তরা বাড়ি থেকে কাঁসার থালা, বাটি, গ্লাস দান করেছিলেন জগন্নাথ দেবের রথ তৈরীর জন্য। সেই সমস্ত পিতল গলিয়ে এই রথ নির্মাণ করা হয়েছে।

    ইসকন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, রথের উচ্চতা ৩৬ ফুট এবং চওড়া ১৬ ফুট। এই রথ থেকে তৈরি করতে প্রায় তিন টন পিতলের ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসকন কর্তৃপক্ষ। ইসকন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, এ বছর নতুন এই পিতলের রথটিকে সাজানোর জন্য পুরী থেকে বিশেষ চাঁদোয়া আনানো হয়েছে। সেই চাঁদোয়াটি দিয়ে জগন্নাথ দেবের রথ থেকে সাজানো হবে। তারপর ইসকন মন্দির থেকে মাসির বাড়ি চতুরঙ্গ ময়দানে পাড়ি দেবে রথটি। তাছাড়া রথযাত্রার পথে বিভিন্ন দুস্থ মানুষের হাতে মহাপ্রসাদ তুলে দেবে ইসকন কর্তৃপক্ষ, তাও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

    আরও পড়ুনঃ জেলা জুড়ে মহাসমারোহে পালিত হুল দিবস

    জগন্নাথ দেবের মাসির বাড়ির যাত্রা দেখতে আসা মানুষ যাতে অভুক্ত না থাকেন, তার জন্য চলতি বছরে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ইসকন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে। উল্লেখ্য, দুর্গাপুরে বেশ কয়েকটি বড় বড় রথযাত্রার আয়োজন করা হয়। চিত্রালয়ের রথের মেলা আশপাশের এলাকাগুলিতে বহুল পরিচিত। তাছাড়াও দুর্গাপুর স্টেশন সংলগ্ন সাধুডাঙ্গায় রথযাত্রার আয়োজন করা হয়।

    আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতার ৭৫ বছর পার! এতদিনে বিদ্যুৎ পেল জামডোবা গ্রাম!

    রথযাত্রা উপলক্ষে বসে মেলা। এটি দুর্গাপুরের অন্যতম পুরনো রথ বলে জনশ্রুতি রয়েছে। তাছাড়াও স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত চতুরঙ্গ ময়দানের রথযাত্রায় বহু ভক্তের সমাগম হয়। রথের মেলা দেখতে শহরের বহু মানুষ ভিড় জমান। তবে ভক্তদের দানে তৈরি পিতলের রথযাত্রা দেখতে চলতি বছরে আরও বেশি মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছে ইসকন কর্তৃপক্ষ এবং উদ্যোক্তারা।

    Nayan Ghosh
    First published:

    Tags: Durgapur, Paschim bardhaman

    পরবর্তী খবর