Home /News /west-bardhaman /
Paschim Bardhaman: ১ কেজি ডালে হয় ২০০ পড়ুয়ার রান্না! মারাত্মক অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

Paschim Bardhaman: ১ কেজি ডালে হয় ২০০ পড়ুয়ার রান্না! মারাত্মক অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

শিবপুর জুনিয়র হাইস্কুল। পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান করা হয় এই বিদ্যালয়ে। কিন্তু এই বিদ্যালয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিদ্যালয়, পড়ুয়া, শিক্ষক শিক্ষিকা থাকলেও হচ্ছে না সঠিক পঠন-পাঠন।

  • Share this:

    #পশ্চিম বর্ধমান : শিবপুর জুনিয়র হাইস্কুল। পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান করা হয় এই বিদ্যালয়ে। কিন্তু এই বিদ্যালয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিদ্যালয়, পড়ুয়া, শিক্ষক শিক্ষিকা থাকলেও হচ্ছে না সঠিক পঠন-পাঠন। মিড ডে মিলেও হচ্ছে বেনিয়ম। অভিভাবকরা অভিযোগ তুলছেন এমনটাই। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ঘটনা প্রসঙ্গ অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক স্কুলে নিয়মিত আসেন না। স্কুলে আসার তার নির্দিষ্ট সময় নেই। প্রধান শিক্ষক নিজের ইচ্ছা মত যখন খুশি আসেন। যখন খুশি বাড়ি চলে যান। এমনটাই অভিযোগ তুলছেন অভিভাবকরা। তাছাড়াও বিদ্যালয়ে সঠিকভাবে পাঠদান হচ্ছে না বলে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন তারা। তাদের আরও অভিযোগ, স্কুল পরিচালন কমিটি আছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক স্কুল পরিচালন কমিটির সঙ্গে আলোচনা না করেই, স্কুল নিজের ইচ্ছা মতো পরিচালনা করছেন। এই অভিযোগ তুলছেন অভিভাবকদের একাংশ। অভিভাবকরা আরও জানিয়েছেন, মিড ডে মিলের অনিয়ম হচ্ছে। মিড ডে মিল নিয়ে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন তারা।

    অভিভাবকদের বিস্ফোরক অভিযোগ, এক কেজি ডালে ২০০ জনের ডাল রান্না হয়। তারা বলছেন, মিড ডে মিলের রান্না নিম্নমানের। গরীব কৃষক পরিবারের ছেলেমেয়েরা এই স্কুলে পড়তে আসে। ফলে তাদের মিড ডে মিলের খাওয়ার পুষ্টিকর হওয়া উচিত। কিন্তু মিড ডে মিলে পুষ্টির বালাই থাকে না বলে অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবকরা।

    আরও পড়ুনঃ শিশুদের মনে সচেতনতার বীজ বপন করতে কর্মসূচী পুলিশের

    বিদ্যালয়ে এই সব অনিয়মের নিষ্পত্তি চাইছেন তারা। অভিভাবকেররা চাইছেন, এই স্কুলে গোপন অভিযানের মধ্য দিয়েই অনিয়ম ধরে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নাহলে এলাকায় স্কুল ছুটের মতো ভয়ঙ্কর ঘটনা বেড়ে যাবে। যা সমগ্র সমাজের প্রতি বিরূপ প্রভাব ফেলবে। এই বিষয়ে বিদবিহার পঞ্চায়েতের সদস্য স্বপন সুত্রধর বলেছেন, তিনি অভিভাবকদের আশ্বাস দিয়েছেন এ নিয়ে তিনি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

    আরও পড়ুনঃ ডেঙ্গু সংক্রমণ চিন্তা বাড়াচ্ছে আসানসোল পুরনিগমে, সতর্ক জেলা প্রশাসন

    অভিভাবকরা যে অভিযোগ করছেন তাও খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা, মিড ডে মিল নিয়ে যে সমস্ত অভিযোগ উঠেছে, তার যাতে সমাধান হয় সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে। যদিও প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। ফলে এই অভিযোগের ভিত্তিতে তার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    Nayan Ghosh
    Published by:Soumabrata Ghosh
    First published:

    Tags: Panagarh, Paschim bardhaman

    পরবর্তী খবর