Bizarre! সতীত্ব পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি, ধর্ষণের হুমকি মহিলাদের

Bizarre! সতীত্ব পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি, ধর্ষণের হুমকি মহিলাদের

সতীত্ব পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি, ধর্ষণের হুমকি মহিলাদের!

ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরের। এখানকার দুই যুবকের সঙ্গে গত বছর বিয়ে হয় এই দুই বোনের

  • Share this:

#মুম্বই: ২০২১ সাল। নারী-পুরুষ সমান অধিকারে যেখানে লড়ছে দেশের একাংশে, সেখানেই দেশের এক প্রান্তে এক মহিলার সঙ্গে হচ্ছে অনাচার। যার জেরে মান সম্মান তো দূর, খোয়াতে হয়েছে অধিকারও।

কথা হচ্ছে মহারাষ্ট্রের দুই মহিলার, দুই বোনের। যাঁদের একজন সতীত্ব পরীক্ষা অর্থাৎ ভার্জিনিটি টেস্টে পাশ না করায় তাঁকে সমস্ত অধিকার, সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে ফিরে স্বামীর ঘর ছেড়ে ফিরে আসতে হয়েছে নিজের বাড়ি। এই ঘটনার আঁচ পড়েছে তাঁর বোনের উপরও। যার ফলে তাঁকেও রেহাই দেওয়া হয়নি।

ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরের। এখানকার দুই যুবকের সঙ্গে গত বছর বিয়ে হয় এই দুই বোনের। বিয়ের কয়েকদিন পরই তাঁদের দিতে হয় সতীত্বের পরীক্ষা। একটি সাদা চাদরের উপর সঙ্গম করার পর রক্ত পড়ল কি না বা কতটা পড়ল তা দেখা হয়। আর সেখানেই পাশ করতে পারেন না এক বোন। যার পর থেকেই ওই বিয়ে অস্বীকার করতে শুরু করে তাঁর স্বামী। বলা হয় বাবার বাড়িতে ফিরে যেতে।

এক সংবাদপত্রকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে নিগৃহীতা জানান, অদ্ভুত পরিস্থিতিতে তাঁদের এই পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়। এমন পরিস্থিতি আসবে তাঁরা নিজেরাও ভাবেননি। ঘটনার কথা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, যে দিন রাতে আমার সতীত্ব পরীক্ষা হয়, সে দিন আমাকে রাতে আগে খেয়ে নিতে বলা হয়। প্রতি দিনের মতো সে দিনও খেয়ে নিই। কিন্তু তার পরই দেখি পরিবারে আত্মীয়স্বজনেরা এসেছেন এবং আমার জন্য ধবধবে সাদা চাদর দিয়ে একটি খাট তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই আমাকে সতীত্ব প্রমাণ করতে বলা হয়। যেহেতু সঙ্গমের পর আমার রক্ত বের হয়নি তাই আমাকে দুশ্চরিত্রা বলা হয়। ধর্ষণে হুমকিও বাদ যায়নি। আমার স্বামী সন্দীপ কানজারভাত জানায়, যদি এতটুকু সম্মান থাকে, তা হলে বাড়ি থেকে যেন বেরিয়ে যাই। আমার কোনও ধারণাই ছিল না এরকম হতে পারে বলে।

তিনি আরও জানান, এখানেই শেষ নয়। এক বোন সতীত্ব প্রমাণ করতে পারেনি বলে শ্বশুরবাড়ির লোক আরেক বোনের শ্বশুরবাড়ি লোকজনকে ভুলভাল বোঝাতে শুরু করে। যার ফলে, তাঁরাও তাঁর বোনকে অত্যাচার করা শুরু করে এবং ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে।

পরে দুই বোনই সেখান থেকে বেরিয়ে এসে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁরা জানান, তাঁদের ডিভোর্সের মামলা কোনও আদালতে এখনও পৌঁছায়নি। কিন্তু গ্রাম পঞ্চায়েত সেটিকে মান্যতা দিয়েছে। কিন্তু তাঁদের অভিযোগ, গ্রাম পঞ্চায়েত ওই দুই যবককে ফের বিয়ে করারা অনুমতিও দিয়েছে। এই নিয়েই বর্তমানে মামলা লড়ছেন দুই বোন।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: