• Home
  • »
  • News
  • »
  • uncategorized
  • »
  • ঢাকার গুলশনে জঙ্গি হামলার পিছনে কারা?

ঢাকার গুলশনে জঙ্গি হামলার পিছনে কারা?

File Photo

File Photo

ঢাকার গুলশনে হোলি আর্টিজেন রেস্তোঁরা থেকে একে একে বের করে আনা হল মৃতদেহগুলো। সবমিলিয়ে ২০ টি দেহ। সকলেই বিদেশি।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #ঢাকা: ঢাকার গুলশনে হোলি আর্টিজেন রেস্তোঁরা থেকে একে একে বের করে আনা হল মৃতদেহগুলো। সবমিলিয়ে ২০ টি দেহ। সকলেই বিদেশি। মৃতদের মধ্যে ১ জন ভারতীয়। ১ লা জুলাই ঢাকার বিখ্যাত এই রেঁস্তোরায় হামলা চালায় জঙ্গিরা। পণবন্দী করা হয় ৩৫ জনকে। তার মধ্যে ১৩ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছিল। বাকিদের প্রত্যেককেই কুপিয়ে খুন করা হয়। সেনার ও RAB-এর সঙ্গে সংঘর্ষে মারা যান ৬ জঙ্গিও।

    কলেজছাত্রী তারিশি জৈন, শামিব আরা - এরা কেউ ছাত্রী - কেউ তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। অপরাধ তারা বিদেশি, কেউ জিনস পরার অপরাধ করেছিলেন। বন্ধুদের ছেড়ে আসতে না চাওয়ায় এক বাংলাদেশিকেও খুন করে জঙ্গিরা। ইসলামের নামে এই সন্ত্রাসের নিন্দায় সরব হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    হামলায় দায় নিয়ে হামলাকারী জঙ্গিদের ছবিও প্রকাশ করে ইসলামিক স্টেট। হামলাকারী ৫ জনের অধিকাংশ উচ্চ-শিক্ষিত। বয়স ২৫ এর কোঠায়। নামী পরিবারের সন্তান এই হামলাকারীদের দেখে শিউরে ওঠে গোটা বাংলাদেশ। তার থেকেও বেশি সম্ভবত তাদের বাবা-মায়েরা। হামলায় জড়িত জঙ্গিদের নাম নিবরস ইসলাম, রোহন ইমতিয়াজ, খয়রুল ইসলাম পায়েল, শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল, মির শামেহ মুবাসর ৷

    আইএসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নাশকতার ছক কষেছিল জামাই-ই-মুজাহিদিন বাংলা। হামলার শিকড় খুঁজতে ব্যাপক ধরপাকড়ে গ্রেফতার হয় চক্রীরা। এদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, সরকারি চাকরিজীবি যেমন আছে, তেমনই গ্রেফতার করা হয় জেএমবির শতাধিক সদস্যকে।

    একের পর এক ব্লগার হত্যা, পুরোহিতকে কুপিয়ে খুনের পর গুলশন হামলাই বোধহয় ছিল চরম পরিণতি। তারপরও সন্ত্রাসের থাবা পিছন ছাড়ছে কই? গুলশন হামলার পরপরই ঈদের জমায়েতে হামলার ছক ভেস্তে দেয় পুলিশ। নতুন বছরে হয়তো অপেক্ষায় আরও বড় চ্যালেঞ্জ। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জীবনের লড়াই।

    বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় একদল বন্দুকবাজের হামলায় প্রাণ গেল ৩ জনের ৷ নিহত হয়েছেন এক পুলিশ অফিসার ৷ আহত কমপক্ষে ৩০ জন ৷ সূত্র অনুযায়ী, ২০ জনের পণবন্দি থাকার আশঙ্কা ৷

    বাংলাদেশ প্রশাসন সূত্রের খবর, রাত ৯.১৫ মিনিট নাগাদ ঢাকার গুলশন এলাকার জনপ্রিয় স্পেনিস রেস্তোরাঁ ‘হলি আর্টিজান বেকারি’তে আচমকাই ঢুকে আসে ৮-৯ জন বন্দুকবাজ ৷ বন্দুকবাজের হামলার সময় রেস্তোরাঁয় নৈশভোজে ব্যস্ত ছিলেন বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিক ৷ ওই বিদেশি নাগরিকদের পণবন্দি করে বন্দুকবাজেরা ৷

    বন্দুকবাজদের হামলার খবর পেয়ে খুব শীঘ্রই রেস্তোরাঁ ঘিরে ফেলে বাংলাদেশের পুলিশের বিশেষ দল আরএবি ৷ বন্দুকবাজদের সঙ্গে শুরু হয় গুলির লড়াই ৷ রেস্তোরাঁ চত্বরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গিয়েছে বলে খবর রয়েছে ৷ পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এই ঘটনার পিছনে জঙ্গি সংগঠনের হাত থাকতে পারে ৷ এই ঘটনার জেরে গোটা বাংলাদেশে জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট ৷ ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারতীয় দূতাবাসের সব কর্মীই রয়েছে সুরক্ষিত ৷

    ঢাকার এই গুলশন এলাকার, শহরের সবচেয়ে আভিজাত্যপূর্ণ জায়গা ৷ এখানেই রয়েছে বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ৷ রয়েছে বেশ কিছু নামী-দামী হোটেল, রেস্তোরাঁও, শপিং মল, নামী সংস্থার দফতর ও নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৷ এই ঘটনার পর স্বভাবতই নড়ে চড়ে বসেছে, বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ৷ বাংলাদেশের জন সাধারণকে অনুরোধ করা হয়েছে অযথা আতঙ্কিত না হতে ৷

    First published: