স্ত্রীর TikTok-এ অশ্লীল ভিডিও! নৃশংস আচরণ স্বামীর, জামিনের আবেদন খারিজ করল শীর্ষ আদালত!

স্ত্রীর TikTok-এ অশ্লীল ভিডিও! নৃশংস আচরণ স্বামীর, জামিনের আবেদন খারিজ করল শীর্ষ আদালত!

স্ত্রীর TikTok-এ অশ্লীল ভিডিও, নৃশংস আচরণকারী স্বামীর জামিনের আবেদন খারিজ করল শীর্ষ আদালত!

যদি স্ত্রীর অপরাধ প্রমাণও হয়, তাহলেও আইনের পথে হাঁটতে হবে। আইন হাতে তুলে নিলে চলবে না।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: স্ত্রী TikTok-এ প্রায় ৩০০টি অশ্লীল ভিডিও বানিয়েছিলেন। তা নিয়েই ঝামেলা বাঁধে। অভিযোগ, স্ত্রীর সঙ্গে না কি নিষ্ঠুর আচরণ করেন ওই ব্যক্তি। ঘটনায় ব্যক্তির বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেন তাঁর স্ত্রী। এর পর মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যক্তির আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল প্রধান বিচারপতি এস.এ বোবদের (S.A. Bobde) নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ। এস.এ বোবদে ছাড়াও বিচারপতির বেঞ্চে ছিলেন এ.এস বোপান্না (A.S. Bopanna) ও ভি রামাসুব্রহ্মনিয়ম (V Ramasubramanian)।

সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুরুতেই আইনজীবীর বক্তব্য, তাঁর মক্কেল কোনও দোষ করেননি। এমনকি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে কোনও খারাপ আচরণও করেননি। এবার বিচারপতির বেঞ্চের তরফে প্রশ্ন করা হয়, স্ত্রীর দায়ের করা অভিযোগপত্রে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কিন্তু নিষ্ঠুর আচরণের কথা বলা হয়েছে। যা কোনও পরিস্থিতিতেই কাম্য নয়। এবার আসল ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। ঘটনার সূত্রপাত TikTok ভিডিও বানানো নিয়ে। আবেদনকারীর আইনজীবী জানান, অভিযুক্ত এই রাজস্থানের বাসিন্দার স্ত্রী TikTok-এ প্রায় ৩০০টি অশ্লীল ভিডিও বানিয়েছিলেন। তার পর থেকেই ঝামেলা শুরু হয়। আর ঝামেলার জেরেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেন তাঁর স্ত্রী। কিন্তু এই ঘটনায় ব্যক্তির সেই রকম কোনও দোষ নেই। তাই আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে।

আবেদনকারীর আইনজীবী জানান, অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া উচিৎ। কারণ এটা তাঁর একার দোষ নয়। স্ত্রী কিছুটা হলেও দায়ী। আসলে TikTok-এ অশ্লীল ভিডিও বানানো নিয়েই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, যদি কোনও রকম অস্বস্তি বা কোনও ধরনের সমস্যা ছিল, তাহলে স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে পারতেন অভিযুক্ত। বা এই জাতীয় কোনও বোঝাপড়ার পথে হাঁটতেন। তা বলে, স্ত্রীকে মারধর বা তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করার কোনও প্রয়োজন নেই। যদি স্ত্রীর অপরাধ প্রমাণও হয়, তাহলেও আইনের পথে হাঁটতে হবে। আইন হাতে তুলে নিলে চলবে না। ফের আইনজীবী জানান, এই ঘটনায় জেল হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করাটা অনর্থক। যদিও সেই বিষয়ে ততটা গুরুত্ব দেয়নি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

শুনানির শেষের দিকে আবেদনকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে যে FIR দায়ের করা হয়েছে তা একতরফা। এই বিষয়ে বিচারপতির প্রত্যুত্তর, FIR সর্বদাই এক পক্ষের হয়। বাদী-বিবাদী দু'পক্ষ মিলে কখনও FIR দায়ের করেন না। তাই এই ধরনের যুক্তি খাড়া করার কোনও মানে হয় না। শেষমেষ আইনজীবী অভিযুক্তের আগাম জামিনের আবেদন জানান। কিন্তু আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। শীর্ষ আদালতের তরফে মামলাটিও খারিজ করে দেওয়া হয়।

Published by:Pooja Basu
First published:

লেটেস্ট খবর