• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • OTHER SPORTS TOKYO OLYMPICS SILVER MEDALIST MIRABAI CHANU VIRAL PHOTO AT HER HOME IN MANIPUR VILLAGE SMJ

Mirabai Chanu Viral Photo: বাড়ি ফিরেই ঘরের মেয়ে মীরাবাঈ চানু, পাত পেড়ে খেলেন মাটিতে বসে

ভাত, ডাল, শাক, সবজি নিয়ে মাটিতেই পাত পেতে বসে পড়েছেন অলিম্পিকে রুপোজয়ী ভারোত্তোলক মীরাবাঈ চানু। ভাইরাল সেই ছবি।

ভাত, ডাল, শাক, সবজি নিয়ে মাটিতেই পাত পেতে বসে পড়েছেন অলিম্পিকে রুপোজয়ী ভারোত্তোলক মীরাবাঈ চানু। ভাইরাল সেই ছবি।

  • Share this:

    #টোকিও:

    অলিম্পিক্সে পদক জয়। এত বড় সাফল্য! তার পর অনেক ক্রীড়াবিদেরই মাথা ঘুরে যায়। এই যেমন সুশীল কুমারের কথাই ধরুন। পদকজয়ী কুস্তিগীর কিন্তু নিজেকে সামলে রাখতে পারেননি। অর্থ, যশ, প্রতিপত্তির মোহ-মায়া তাঁকে ঠেলে দিয়েছে অন্ধকার জগতে। তবে যে কোনও জায়গাতেই ব্যতিক্রম থাকে। মীরাবাঈ চানু হলেন সেরকমই ব্যতিক্রম একজন। তিনি টোকিও অলিম্পিক্সে ভারোত্তোলনে রুপো জিতলেন। তার পর বাড়ি ফিরেই আবার ঘরের মেয়ের মতো হয়ে গেলেন। যেন গতকাল কিছুই হয়নি। টোকিওয় পদক জয়ের সুখস্মৃতি তিনি মনে গেঁথেছেন ঠিকই। তবে সেই সুখের স্রোতে নিজেকে ভাসিয়ে দেননি। বরং শিকড় আঁকড়ে রয়েছেন। নংপক কাকচিং গ্রামেই তাঁর সেই শিকড় বাঁধা। আর এখানে এসে তিনি একেবারে সাধারণ এক মেয়ে।

    পাহাড়ি মানুষদের জীবনযাত্রায় মধ্যেই সংগ্রাম থাকে। মীরাবাঈ চানুকেও সেই সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হয়েছে ছোট থেকে। একে তো ভৌগলিক অবস্থানের জেরে রোজকার জীবনযাত্রা হয়ে ওঠে বেশ পরিশ্রমের। তার উপর সংসারে অভাব অনটন। এসব সঙ্গে নিয়েই মীরাবাঈ বড়ল হয়েছেন। হাসিমুখে সব কিছুর সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন। জীবনের না পাওয়াগুলো তাঁর জেদের উপর প্রভাব ফেলতে পারেনি. তাঁর ফোকাস নড়াতে পারেনি। মীরাবাঈয়ের দাদা বলছিলেন, তাঁর ছোট বোন ৬-৭ বছর বয়স থেকেই বাড়ির জন্য কাঠ কুড়োতে যেত। সেখান থেকেই মীরাবাঈয়ের ওজন তোলার ট্রেনিং শুরু। তার পর সেই ওজন বইবার নেশাই তাঁকে এতদূর পৌঁছে দিল। গোটা দেশের প্রত্যাশার ওজন নিয়ে টোকিওয় গিয়েছিলেন। ফিরে এলেন রুপো জিতে।

    মণিপুরের নংপক কাকচিং গ্রামে ফিরেই নিজের পুরনো জীবনে ফিরেছেন মীরাবাঈ। আপাতত কিছুদিন তিনি বিশ্রামে। তার পর আবার ট্রেনিং। তবে এখনও ব্যস্ততা কম নয়। রোজই বাড়িতে কেউ না কেউ আসছে। না হলে যোগ দিতে হচ্ছে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। হাসিমুখে সবটাই করছেন পাহাড়ি মেয়ে। পরিবারের সঙ্গে চুটিয়ে সময় কাটাচ্ছেন। এমনকী ভাত, ডাল, শাক, সবজি নিয়ে মাটিতেই পাত পেতে বসে পড়েছেন অলিম্পিকে রুপোজয়ী ভারোত্তোলক। এমন ছবি দেখে অনেকেই অবাক। ইতিমধ্যে অ্যাডিশনাল সুপারিন্টেন্ডেন্ট অফ পুলিশ পদে যোগ দেওয়ার ডাক এসেছে। ফলে কিছুদিন পর থেকেই হয়তো কর্মব্যস্ততাও শুরু হবে। তবে সেসবের আগে এখন প্রাণ ভরে বাঁচতে চাইছেন মীরাবাঈ। একেবারের মণিপুরের পাহাড়ি গ্রামের সাধারণ মেয়ে হয়ে।

    Published by:Suman Majumder
    First published: