• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • OTHER SPORTS HERE IS THE PICTURE OF MILKHA SINGH IN HOSPITAL BEFORE HIS DEATH SMJ

Milkha Singh: মৃত্যুর ২৪ মিনিট আগের ছবি! মিলখার কলজের জোর ছিল, বলছেন ডাক্তাররা

ডাক্তাররা বলছিলেন, করোনার হানায় তাঁর ফুসফুস ৮০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।

ডাক্তাররা বলছিলেন, করোনার হানায় তাঁর ফুসফুস ৮০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি:

    এরকম পরিস্থিতিতে কোনো কমবয়সী সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের পক্ষেও এক ঘণ্টা বেঁচে থাকা মুশকিল। শেষ ১২ ঘণ্টার লড়াই মিলখা সিং বলেই লড়ে গিয়েছিলেন। অন্য কারও পক্ষে সম্ভব ছিল না। এমন কথা আমরা বলছি না। বলছেন খোদ চিকিত্সকরা। ৩১ দিন তিনি করোনার বিরুদ্ধে লড়লেন। কিন্তু শেষের ১২ ঘণ্টার লড়াই ছিল সব থেকে কঠিন। এই ছবিটি মিলখা সিংয়ের মৃত্যুর ২৪ মিনিট আগে তোলা। জীবনে অনেক লড়াই লড়েছিল মিলখা। কিন্তু শেষমেশ করোনার বিরুদ্ধে লড়াইটাতে সোনা জিততে পারলেন না। প্রায় দেড়শো কোটির দেশে হয়তো আর কখনও কোনও দ্বিতীয় মিলখা সিং জন্মাবে না। কারণ, মিলখা সিং একজনই। তাঁর কলজের জোর দেখে ডাক্তাররাও অবাক। ১৬ জুন তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। তবে তাঁকে পিজিআই-এর অ্যাডভান্স কার্ডিয়াক সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছিল। শেষরক্ষা হল না।

    ভ্যাকসিন নেননি মিলখা। বাড়ির লোকজন তাঁকে বারবার ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য বলেছিলেন। তবে মিলখার জবাব ছিল, আর দরকার নেই। দেশভাগ দেখেছেন। ওপার থেকে এপারে এসে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই লড়েছেন। তাঁর জীবনযুদ্ধ মানুষ পর্দায় দেখেছেন। এক গ্লাস দুধের জন্য মিলখার দৌড় শুরু। সেই দৌড়ই তাঁকে ফ্লাইং শিখ করে তুলেছিল। ১৭ জুন থেকে শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। ১৮ জুন সকালে শরীরে অক্সিজেন লেভেল নেমে যায়। সেদিন থেকেই মিলখার শারীরিক অবস্থা কারাপ হতে থাকে। ডাক্তাররা বলছিলেন, করোনার হানায় তাঁর ফুসফুস ৮০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। যে ফুসফুসের জোরে তিনি বিশ্বজয় করেছিলেন! শুক্রবার সকালেও ডাকক্তারদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন মিলখা। ডাক্তাররা তাঁকে সকালের খাবার খেতে বলেছিলেন। মিলখা ডাক্তারদের পাল্টা বলেন, আপনারাও এবার চা-বিস্কুট খেয়ে নিন।

    ১৯ মে বিকেলে মিলখা সিংয়ের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বাড়ির এক পরিচারিকার থেকে মিলখার শরীরে সংক্রমণ ছড়ায়। ২৪ মে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। নিমোনিয়ার উপসর্গও ছিল তাঁর শরীরে। ২৬ মে তাঁর স্ত্রীর রিপোর্টও পজিটিভ আসে। ৩০ মে পরিবারের লোকজনের অনুরোধে মিলখাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর পর ৩ জুন ফের তাঁর শরীরের অক্সিজেনের লেভেল পড়তে থাকে। ১৩ জুন মিলখার স্ত্রী নির্মল কউরের জীবানবসান হয়। পাঁচদিনের মাথায় মিলখাও চলে গেলেন ভারতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে শূন্যতা তৈরি করে।

    Published by:Suman Majumder
    First published: