• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • FOOTBALL UKRAINE COACH ANDRIY SHEVCHENKO SAYS HIS TEAM READY TO DIE ON FIELD AGAINST ENGLAND RRC

Euro 2020 : ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে জীবন দিতে রাজি শেভচেঙ্কোর ইউক্রেন

ইংল্যান্ডকে সমীহ করলেও ভয় পাচ্ছে না ইউক্রেন

ইউক্রেনের ফুটবল ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তি শেভচেঙ্কো। খেলা ছাড়ার পর তাঁর হাতেই তুলে দেওয়া হয়েছে ইউক্রেনের দায়িত্ব। শুরুটা কিছুটা ধীরগতির হলেও কিংবদন্তির অধীনেই ইউক্রেন এখন স্বপ্ন দেখছে অনেক বড় কিছুর

  • Share this:

    #কিয়েভ: টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে বিতর্ক হয়েছিল ইউক্রেন দলের জার্সি নিয়ে। বিতর্কিত চিহ্ন থাকার অভিযোগ করেছিল রাশিয়া। টুর্নামেন্টে টিকে থাকলে শত্রু রাশিয়ার বিরুদ্ধে মাঠেই হয়তো জবাব দেওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকত হলুদ জার্সিধারীরা। কিন্তু অনেক আগেই বিদায় নিয়েছে রাশিয়া। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই সেই জার্সি বদল করতে হয়েছিল ইউক্রেনকে। এমনিতে রাশিয়ার হুমকির মধ্যেই চলতে হয় দেশটাকে। মানসিকভাবে এটাই বোধহয় শক্তিশালী করে তুলেছে তাঁদের। সেই কাঠিন্যের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে এবারের টুর্ণামেন্টে।

    সুইডেনের বিপক্ষে অসাধারণ এক জয়ে ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইউক্রেন। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ অন্য ম্যাচে জার্মানিকে হারিয়ে দেওয়া ইংল্যান্ড। ইউক্রেনের কোচ আন্দ্রেই শেভচেঙ্কোর অবশ্য সেটি নিয়ে বিন্দুমাত্র দুশ্চিন্তা নেই। বরং ইংল্যান্ডকে কোয়ার্টার ফাইনালে হারিয়ে অঘটন ঘটানোর ছক এরই মধ্যে কষা শুরু করে দিয়েছেন তিনি। ইউক্রেনের ফুটবল ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তি শেভচেঙ্কো। খেলা ছাড়ার পর তাঁর হাতেই তুলে দেওয়া হয়েছে ইউক্রেনের দায়িত্ব।

    শুরুটা কিছুটা ধীরগতির হলেও কিংবদন্তির অধীনেই ইউক্রেন এখন স্বপ্ন দেখছে অনেক বড় কিছুর। শেষ ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে যেভাবে অতিরিক্ত সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তের গোলে ইউক্রেন জয় তুলে নিল, তাতে দলটির দৃঢ়প্রতিজ্ঞাই প্রকাশিত। শনিবার ইউক্রেনের কোয়ার্টার ফাইনাল–পরীক্ষা ইংলিশদের বিপক্ষে। ম্যাচ শেষেই শেভচেঙ্কোর দিকে ছুটে গিয়েছিল ইংল্যান্ডকে নিয়ে প্রশ্ন। তাঁর সাফ জবাব, ‘ইংল্যান্ড খুবই ভাল দল। তাদের বেঞ্চ খুবই শক্তিশালী। দুর্দান্ত একজন কোচ আর কোচিং স্টাফ নিয়ে দলটা অন্য রকমই। আমরা পুরোপুরি সচেতন আছি, ম্যাচ কতটা শক্ত হতে পারে, সেটা নিয়ে।’

    ইংল্যান্ডকে নিয়ে নিজেদের প্রস্তুতিটা যে মোটামুটি সন্তোষজনক, সেটাও বলেছেন তিনি, ‘ইংল্যান্ডের তিনটি গ্রুপ ম্যাচই দেখেছি। তবে ম্যাচ ছিল বলে জার্মানির বিপক্ষে তাদের জয়টা দেখতে পারিনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল করাটা খুবই শক্ত। তবে এটা ঠিক যে দলটাকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’ সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচটা ইউক্রেনকে কতটা প্রভাবিত করছে, সেটিও জানিয়েছেন শেভচেঙ্কো, ‘জয়টা প্রেরণাদায়ী। কারণ, এই জয় প্রমাণ করেছে ফুটবলে অসম্ভব বলে কিছু নেই। ফুটবলটা জীবনের মতোই। যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে। আমরা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চটা দিয়ে লড়াই করব। আশা করি, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারব।’

     ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানিকে ৪–২ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতার পর এই প্রথম তাদের বিপক্ষে কোনো টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে জিতল ইংলিশরা। সব মিলিয়ে ইংলিশরা এখন আকাশেই উড়ছে। কিন্তু ইউক্রেন দলের ইরেমচুক, ইয়ারমোলেনকো, জিনচেনকোদের মত ফুটবলাররা প্রচন্ড লড়াকু। ম্যানেজারকে তাঁরা কথা দিয়েছেন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে জীবন বাজি রেখে লড়াই করবেন।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: