• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • Euro 2020 : নায়ক স্টারলিং, ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে প্রতিশোধ ইংল্যান্ডের

Euro 2020 : নায়ক স্টারলিং, ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে প্রতিশোধ ইংল্যান্ডের

গোল করার পর সেলিব্রেশন স্টার্লিংয়ের

গোল করার পর সেলিব্রেশন স্টার্লিংয়ের

৫৬ মিনিটে কাঙ্খিত গোলের দেখা পায় ইংলিশরা। ফিলিপস একটা বল ধরে কিছুটা দৌড়ে বাড়ান স্টারলিংকে। সিটির তারকা গোল করতে ভুল করেননি।

  • Share this:

    ইংল্যান্ড -১ ( স্টারলিং) ক্রোয়েশিয়া -০

    #লন্ডন: নিজেদের ঘরের মাঠ। চেনা সমর্থক এবং হোম অ্যাডভান্টেজ। সবই ছিল ইংল্যান্ডের পক্ষে। রবিবার গর্বের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে খেলতে নামার আগে রীতিমতো চাপে ছিল সাউথ গেটের দল। বছর তিনেক আগে রাশিয়া বিশ্বকাপে এই ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল ইংল্যান্ড। সেদিন এক গোলে এগিয়ে গিয়েও মাথা নিচু করে ফিরতে হয়েছিল ইংরেজদের। তাই রবিবার থ্রি লায়ন্স দলের কাছে এই ম্যাচটা ছিল প্রতিশোধ ম্যাচ। নিজেদের সম্মান পুনরুদ্ধার করার লড়াই।

    ৪-২-৩-১ ফর্মেশন এ দল নামিয়েছিলেন ইংল্যান্ড কোচ। দেখেই বোঝা যাচ্ছে রক্ষণাত্মক মানসিকতা। তবুও ম্যাচের শুরুতেই সুযোগ চলে এসেছিল ইংল্যান্ডের সামনে। ৫ মিনিটের মাথায় ফিল ফোদেন বাক খাওয়ানো শট নেন। বল বিপক্ষ গোলরক্ষককে পরাস্ত করে পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। কয়েক মিনিট পর ইংল্যান্ডের ফিলিপস শট নেন, যা সেভ করে দেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক। মিনিট ১৫ পর ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় ইংল্যান্ড। লুকা মদ্রিচ, ব্রোজোভিচরা খেলাটা ধরে ফেলেন মিডফিল্ডে। তবে সেভাবে ওপেন করতে পারেনি ক্রোয়েশিয়া।

    প্রথমার্ধে খুবই শ্লথ গতিতে চলছিল ম্যাচ। দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই গোল পাওয়ার চেষ্টা করতে থাকে ইংল্যান্ড। ৫৬ মিনিটে কাঙ্খিত গোলের দেখা পায় ইংলিশরা। ফিলিপস একটা বল ধরে কিছুটা দৌড়ে বাড়ান স্টারলিংকে। সিটির তারকা গোল করতে ভুল করেননি। বল গোলরক্ষকের হাতে স্পর্শ করে জড়িয়ে যায় জালে। ৭০ মিনিটে ফোদেনকে তুলে নিয়ে নামানো হয় রাশফোর্ডকে। চেলসির তরুণ ফুটবলার ম্যাসন মাউন্ট নজর কাড়েন। তাঁর ফ্রিকিক অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তাঁর বাড়ানো পাস ফিনিশ করতে পারেননি হ্যারি কেন। সহজ ভলি মিস করেন স্টারলিং।

    প্রশংসা করতে হবে ইংল্যান্ডের দুই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার মিংস এবং স্টোনের। দলের প্রধান ডিফেন্ডার হ্যারি মাগুইর ছিলেন না চোট সমস্যায়। কিন্তু এই দুজন অভাব বুঝতে দিলেন না। ওয়েস্ট হ্যামের রাইস ব্লকিং করলেন বুদ্ধি করে। ৮০ মিনিটের মাথায় কেনকে তুলে নিয়ে তরুণ বেলিংহামকে নামানো হল। কিন্তু হতাশ করল ক্রোয়েশিয়া। তাঁরা যে লড়াকু দল হিসেবে পরিচিত সেই লড়াই  অনুপস্থিত ছিল খেলায়। মানজুকিচের মত স্ট্রাইকার ছিলেন না।

    বাকিরা লড়াই করলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা মদ্রিচের নেতৃত্বে। কিন্তু লাভের লাভ কিছু হল না। আসলে তিন বছর আগের বিশ্বকাপের দলে থেকে এই দলে অনেক পরিবর্তন হয়েছে ক্রোয়েশিয়ার। ভিদার মতো একজন ডিফেন্ডার নেই যিনি প্রয়োজনে ওপরে উঠে এসে গোল করতে সক্ষম। যাই হোক, ঘরের মাঠে জয় দিয়ে শুরু করল ইংল্যান্ড। পুরো ৩ পয়েন্ট এল। প্রতিশোধ নেওয়া হল। এক ঢিলে দুই পাখি মারা যাকে বলে।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: